শিক্ষণীয় গল্প

চরিত্র – জীবনের কিছু অজানা সত্য কথা

চরিত্র – অজানা সত্য কথা: কিন্তু ঘরের কথা বাইরের কাউকে বলি কীভাবে? এতে বাইরের লোকজন সুযোগ পেয়ে যাবে। এমনিতেই সংসারে শান্তি নেই। এতে করে অশান্তি আরো বাড়বে।


এইমাত্র আমার জীবনে একটা গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটে গেল। সাড়ে পাঁচ লাখ টাকা দেন মোহরে আমার বিয়ে সম্পন্ন হল।

সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষে বউ নিয়ে বাড়িতে চলে আসলাম।

বাসায় মেহমান গিজ গিজ করছে। কোথাও একটু নিরিবিলি পরিবেশ নেই। আমি অপেক্ষায় আছি, কখন রাত গভীর হবে? জমানো অনেক কথা আছে যা বউকে আজকেই বলতে হবে। এসব কথা আজকে বলতে না পারলে কথাগুলোর গুরুত্ব কমে যাবে।

বিয়েটা পারিবারিকভাবেই হয়েছে। আমার স্ত্রীর নাম উম্মে সুমাইয়া। সম্ভ্রান্ত পরিবারের মেয়ে। আমার শ্বশুর তিনবার হজ্ব করেছেন। এলাকায় বেশ নামঢাক আছে।

আমার রুমটা এতদিন আগোছালো ছিল। কিন্তু আজকে বেশ গোছানো। নানা রকম ফুল দিয়ে সাজানো হয়েছে। আমি আগেই বলেছি, কোনো কাগজের ফুল দিয়ে আমার বাসর সাজানো যাবে না। বাগানের কাঁচা ফুল দিয়ে সাজাতে হবে। আমার কথামতো বাসর সাজানো হয়েছে।

বাসর রাত নিয়ে আমার সারাজীবনের কৌতুহল। আজ এই কৌতুহলের অবসান ঘটবে। বাসরের কথা ভাবতেই শরীরের মধ্যে কেমন যেন একটি ঝাঁকুনি মারে।

রাত ১২ টার দিকে বাসর ঘরে ঢুকলাম। সিনেমার নায়িকাদের মত আমার স্ত্রী আমার পা ছুঁয়ে সালাম করলো। আমি খাটের উপর বসলাম। আমার স্ত্রীর সাথে আমার দুইবার দেখা হয়েছে। প্রথম দেখেছিলাম রাস্তায়। স্মার্ট বাচন ভঙ্গি। চেহারা তো লাখে একটা। সবমিলিয়ে সর্বেসর্বা। প্রথম যেদিন দেখেছি সেদিনই সিদ্ধান্ত নিয়েছি, বিয়ে করলে এই মেয়েকেই করবো। সেদিন বাড়িতে এসে মায়ের হাত পা ধরে বলেছি, মা যেভাবে হোক কেরামত হাজীর মেয়েকে আমার চাই। আমার কথা শুনে মা একটু হাসলেন। অবশেষে হাজী সাহেবের মেয়ে আমার স্ত্রী।

বউ আমার হাতে এক গ্লাস দুধ দিয়ে বলল, ‘এই পবিত্র জিনিস তোমার জন্য। পান করো।’

দুধের অর্ধেকটুকু খেয়ে বাকিটুকু বউকে দিলাম। বউ খানিকটা লজ্জা পেল।

বাড়ির মানুষজন কেউ জেগে নেই। আমি ও আমার স্ত্রী জেগে আছি। অনেক কথা গুছিয়ে রেখেছিলাম। কিন্তু কিছুই মনে পড়ছে না। সবকিছু কেমন যেন এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে।
বউ কী পছন্দ করে, কী খেতে ভালোবাসে, এই ধরণের কিছু কথা বলতে বলতেই সকাল হয়ে গেল। তাই বাসর রাতটা খুব একটা ভাল কাটলো না।

বিয়ের জন্য অফিস থেকে সপ্তাখানেকের ছুটি নিয়েছি। পরেরদিন রাতে বউ একটু স্বাভাবিক হয়ে গেল। যেন আমাকে অনেক আগে থেকেই চিনে। আমিও স্বাভাবিক। তবে একটু ভয় ভয় লাগছে।

আমি ঘুমানোর প্রস্তুতি নিচ্ছি। বউ হঠাৎ কেমন যেন করে উঠলো। আমি ঠিক বুঝতে পারলাম না। বউ কেমন যেন একটা কুরুচিপূর্ণ ইঙ্গিত দিচ্ছে। আমি এসব না দেখার ভান করে শুয়ে পড়লাম। বউ আবারো খারাপভাবে আমাকে স্পর্শ করতে চাইলো। নতুন বউ তাই কিছু বলতেও পারছি না। কিন্তু এসব খারাপ ইঙ্গিত কোনভাবে প্রশ্রয় দেয়া যাবে না। আমি বললাম, কী ব্যাপার সুমাইয়া? এসব কী? আমার কথা শুনে বউ একটু ভয় পেল। অন্যপাশে ফিরে শুয়ে রইলো। আমিও ঘুমানোর চেষ্টা করছি। হঠাৎ মনে হল বউ কান্না করছে। খুব অপরাধবোধ কাজ করছে মনের মধ্যে। বউকে এভাবে বলাটা আমার ঠিক হয়নি। আমার সরি বলা উচিত। কিছুক্ষণপর বউয়ের দিকে ফিরে বললাম, সরি। তোমাকে কষ্ট দিতে চাইনি। আমার কথা শুনে বউ বলল, ইটস ওকে।

আমি আবারো ঘুমানোর চেষ্টা করলাম। আবারো খারাপ কিছুর ইঙ্গিত পাচ্ছি। কিন্তু আমি না দেখার ভান করে ভাবছি, বউ এমন করছে কেন? সুমাইয়া তো ভাল বংশের মেয়ে। এই বংশের মেয়েরা তো এমন হতে পারে না। তাছাড়া সুমাইয়া তো অনেক ভদ্র মেয়ে। হয়তো শয়তানের প্ররোচনায় পড়ে এসব করছে। আবার এমনও হতে পারে, সুমাইয়া হয়তো আমাকে পরীক্ষা করছে। আমিও মনে মনে শপথ নিলাম যেভাবেই হোক পরীক্ষায় আমাকে উত্ত্বীর্ণ হতেই হবে।

দুদিনপর, শ্বশুরবাড়ি বেড়াতে গেলাম। রাতের খাবারের পর আমি বিশ্রাম নিচ্ছি। হঠাৎ আমাদের রুমে আমার দাদীশাশুড়ি আসলেন। বয়সের ভারে ক্বুজ হয়ে গেছেন। খুবই পরহেজগার মহিলা। দাদীকে দেখে সুমাইয়া অন্যরুমে চলে গেল। দাদী আমাকে বললেন, তোমাদের নতুন জীবন কেমন চলছে? আমি হেসে বললাম, আলহামদুলিল্লাহ ভালই চলছে। দাদী আবার বললেন, স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে অধিকার বলে একটা ব্যাপার আছে। এই অধিকার সবাইকে আদায় করতে হয়। আমি বললাম, জি দাদী আমরা সব অধিকার আদায়ের চেষ্টা করছি। এবার দাদী একটু হেসে বললেন, শারীরিক অধিকারের দিকেও খেয়াল রাখতে হবে। দাদী এসব কথা কেন বলছে আমি বুঝলাম না। আমি বললাম, দোয়া করবেন দাদী। আমরা যেন সবধরনের অধিকার আদায় করতে পারি। কিছুক্ষণপর দাদী চলে গেলেন। আমার বউ আবার রুমে ঢুকলো। বউ মিট মিট করে হাসছে। কেন হাসছে বুঝলাম না।

আমি ঘুমোতে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। বউয়ের মাথায় সেই শয়তানটা মনে হয় আবারো ভর করেছে। কুরুচিপূর্ণ ইঙ্গিত দিচ্ছে বার বার। আমি আমার মেজাজ শামলাতে পারলাম না। আমি বললাম, হোয়াট ইজ দিজ সুমাইয়া? তোমার কাছ থেকে এসব খারাপ ইঙ্গিত আশা করি না। তুমি রাস্তার মেয়ে না। তুমি আমার স্ত্রী। তুমি ভাল বংশের মেয়ে। তোমার বাবা বেশ কয়েকবার হজ্ব করেছেন। একজন হাজীর মেয়ে হয়ে তুমি এমন আচরণ করতে পারো না। আমার কথা শুনে সুমাইয়ার ভয় পাওয়ার কথা। কিন্তু পেল না। বাবার বাড়িতে আছে তো তাই হয়তো পায়নি। বাবার বাড়িতে থাকলে মেয়েদের একটু ভয় কম থাকে।

বউ আমাকে নানান ধরনের কথা বললো। আমাকে বুঝানোর চেষ্টা করলো। কিন্তু আমি তো কম বুঝি না। যতই বুঝাক এসব খারাপ কাজ আমার দ্বারা হবে না। আমি একটা শিক্ষিত ছেলে। আমি যদি এসব কাজ করি তাহলে এ সমাজের কী হবে? কিন্তু একটা কথা কিছুতেই আমার মাথায় ঢুকছে না। এই খারাপ কাজে আমার স্ত্রীই কেন আমাকে প্ররোচিত করবে? ওকে তো আমি ভাল মেয়ে ভেবেছিলাম। আমার বিয়ে করা বউ এমন হবে তা স্বপ্নেও ভাবিনি। কারো কাছে এসব কথা বলতেও পারি না।

কিছুদিনপর, বউ আমাকে বলল, বাচ্চা নেয়ার ব্যাপারে তুমি কিছু ভেবেছো? আমি হেসে বললাম, সে তো বিয়ের আগেই ভেবে রেখেছি। আল্লাহর ইচ্ছা থাকলে যেকোন সময় হয়ে যাবে। আমার কথা শুনে বউ বলল, বাচ্চা কী বাতাসে হবে? এ জন্য চেষ্টা করতে হবে না? বউয়ের কথা শুনে আমি তো অবাক। আমি বললাম, বাচ্চার জন্য আমরা কী চেষ্টা করবো? সবই আল্লাহর ইচ্ছা।

আমার কথা শুনে বউ এবার কান্না করে দিল। মেয়ে মানুষের এই এক দোষ। যখন কথার যুক্তিতে হেরে যাবে তখন এরা কান্না করে জিতে যায়। আমি বউয়ের চোখ মুছে দিলাম। বউকে বললাম, বাচ্চা নেয়ার ব্যাপারে তুমি একদম চিন্তা করো না। সকলের দোয়ায় এক সময় হয়ে যাবে। বউ আমাকে একটা খারাপ কাজের ইঙ্গিত দিয়ে বলল, এসব কাজ করা ছাড়া না কি বাচ্চা হয় না। কথাটা শুনে আমি নিজেকে শামলাতে পারলাম না। আমার ধৈর্য্যের বাঁধ ভেঙে গেছে। এসব আর কত দিন সহ্য করা যায়? আমি জীবনে কোনো দিন খারাপ কাজ করিনি। অথচ দিনের পর দিন বউ আমাকে খারাপ কাজ করার জন্য উৎসাহ দিচ্ছে। এসব নিয়ে আর চেপে থাকলে হবে না। এর একটা বিহীত হওয়া দরকার।

কিন্তু ঘরের কথা বাইরের কাউকে বলি কীভাবে? এতে বাইরের লোকজন সুযোগ পেয়ে যাবে। এমনিতেই সংসারে শান্তি নেই। এতে করে অশান্তি আরো বাড়বে।

হঠাৎ একদিন বউ বলল, ‘তোমার মা বাবাও এই কাজ করেছেন। আর করেছেন বলেই তুমি পৃথিবীতে এসেছো।’ নিজের বউ যদি আমার বাবা মা সম্পর্কে এমন ঘৃন্য কথা বলে তাহলে কী করা উচিত? আমি বললাম, নাউজুবিল্লাহ! ছি: সুমাইয়া ছি:। আমার বাবা মা সম্পর্কে এত জঘন্য কথা তুমি কীভাবে বললে? আমার এখন মরে যেতে ইচ্ছে করছে। আমি এমন বউকে রাখবো না। তালাক দিয়ে দিব। এই কথা যদি আমার মা শুনেন তাহলে তিনি নিশ্চয়ই আত্নহত্যা করবেন।

এখন আমার কী করা উচিত? কিছুই বুঝে উঠছি না। মাথায় এত চাপ নিয়ে সংসার করা যায় না। হঠাৎ আমার মোবাইলে একটা কল আসলো। আমার ছোট শালী রুবি কল করেছে। রুবি খুবই শান্ত একটা মেয়ে। আমাকে বড় ভাইয়ের মত শ্রদ্ধা করে। আমাকে বলল, দুলাভাই আপনি না কি কিছুই পারেন না? আপনার সবকিছু ঠিক আছে তো? ঠিক না থাকলে হারবাল জাতীয় কিছু একটা খান। রুবির কথার আগা মাথা কিছুই বুঝলাম না। আমি বললাম, কী বলতে চাও একটু স্পষ্ট করে বলো। এরপর রুবি যা বলল, তা আমি কখনো করো কাছে বলতে পারবো না। ছোট বোনের মত একটি মেয়ে আমাকে পাপকাজে লিপ্ত করতে চায়। আমি একটা ধমক দিয়ে ফোন রেখে দিলাম।

আমি সবকিছু এবার বুঝতে পেরেছি। আমার শ্বশুর বাড়ির লোকজন আসলে ভদ্রতার মুখোশ পরে আছে। সত্যিকারে এরা সবাই চরিত্রহীন। আমার চরিত্রকেও এরা কলঙ্কিত করতে চায়।
একদিন রাস্তা দিয়ে যাচ্ছি। হঠাৎ রাজুর সাথে দেখা। রাজু আমার খুব কাছের বন্ধু। রাজু বলল,

এভাবে তো বউ টিকিয়ে রাখতে পারবি না। আমি বললাম, মানে? এরপর রাজু যা বলল, তাতে ওর সাথে আর একদিনের জন্যেও বন্ধুত্ব রাখা যায় না। আমি বললাম, তোর মত বন্ধু থাকলে আর শত্রুর দরকার হয় না। আর কোনদিন আমার সামনে আসবি না। আর আমার বউ ও আমার সংসার নিয়ে নাক গলাবি না।

আমি কান্না করতে করতে বাড়িতে এলাম। পুরো পৃথিবীটা শয়তানে গ্রাস করে ফেলেছে। এখানে নিজের চরিত্রকে সামলে রাখা এখন খুব কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

দিনে দিনে আমি অসুস্থ হয়ে যাচ্ছি। এই যন্ত্রণা থেকে বাঁচার উপায় খুঁজছি। কিন্তু কার সাথে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো? আমার তো কেউ নেই। হঠাৎ বড় ভাবীর কথা মনে পড়লো। বড় ভাবী অত্যন্ত জ্ঞানী মহিলা। আমার মায়ের পরে বড় ভাবীকেই সবচেয়ে বেশি শ্রদ্ধা করি। ভাবীর রুমে গেলাম। ভাবী বললেন, কয়েকদিন ধরে একটা কথা বলবো কিন্তু বলা হয়নি। যেহেতু তুমি এসেছো কথাটা বলেই ফেলি। আমার মনের মধ্যে সাহসের সঞ্চার হল। অন্তত একজন মানুষ তো আমার পক্ষে আছে।

ভাবী বললেন, তুমি যা ভাবো তা ভুল। আমি বললাম, একটু স্পষ্ট করে বলেন তো ভাবী। তারপর ভাবী এমনভাবে স্পষ্ট করে বললেন, আমার আর বুঝতে বাকি নেই। কী অশ্লীল কথা! এসব কথা ভাবীর মুখ থেকে উচ্চারিত হতে পারে তা কোনদিন কল্পনাও করিনি।

আমার সব আশা শেষ। মায়ের মত ভাবী যদি আপন দেবরকে পাপের পথে ঠেলে দেয় তাহলে অন্যদের আর দোষ দিয়ে লাভ কী?

জীবনের প্রতি আমার আর কোনো মায়া নেই। আজই আমার জীবনের শেষ দিন। এ জীবন আমি রাখবো না। মায়ের কাছে এসব কথা বলা উচিত কি না ভাবছি। মা এসব সহ্য করতে পারবে না। এসব তাকে না জানানোই ভাল হবে। এরচেয়ে আমি আমার মত করে পৃথিবী থেকে চলে যাব। যে পৃথিবীতে নিজের কাছের লোকেরা পাপের দিকে ঠেলে দেয় সে পৃথিবীতে আমি আর থাকতে চাই না।

গভীর রাতে দড়ি নিয়ে একটা আমগাছের নিচে দাঁড়ালাম। অন্ধকারের মধ্যে গাছে উঠলাম। দড়িটাকে শক্তকরে গাছের সাথে বাঁধলাম। এবার দড়িটাকে গলার সাথে বেঁধে গাছ থেকে লাফ দিব। হঠাৎ গাছের নিচে কে যেন এসেছে। টর্চের আলো এসে আমার চোখে পড়লো। গাছের নিচে আমার বড় ভাই। আমাকে নিচে নামতে বললো। বড় ভাইয়ের আদেশ আমি কোনদিন ফেলতে পারিনি। আজও পারলাম না।

নিচে নামার পর বড়ভাই আমাকে জড়িয়ে ধরে কান্না করে দিল। বড় ভাই বলল, যে যন্ত্রণা তুই দুই মাস ধরে ভোগ করিস, তা আমি পাঁচ বছর ধরে ভোগ করছি। আমি সব শুনেছি। সবাই মিলে আমাদের দুই ভাইয়ের চরিত্র কলঙ্কিত করতে চায়। ভাইয়ের কথা শুনে আমি কান্নায় ভেঙে পড়লাম। আমাদের দুই ভাইয়ের এই কান্না দেখে হয়তো শয়তানদেরও মন গলে যাবে। কিন্তু আমাদের বউদের মন গলবে কিনা, কে জানে?

লেখা – মহসিন আহমেদ

সমাপ্ত

(পাঠক আপনাদের ভালোলাগার উদ্দেশ্যেই প্রতিনিয়ত আমাদের লেখা। আপনাদের একটি শেয়ার আমাদের লেখার স্পৃহা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। আমাদের এই পর্বের “চরিত্র – জীবনের কিছু অজানা সত্য কথা” গল্পটি আপনাদের কেমন লাগলো তা কমেন্ট করে অবশ্যই জানাবেন। পরবর্তী গল্প পড়ার আমন্ত্রণ জানালাম। ধন্যবাদ।)

আরো পড়ূন – স্মৃতির পাতা – কিছু চিরন্তন সত্য কথা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
error: Content is protected !!