মিষ্টি প্রেমের গল্প

সিনিয়র প্রেম – ডাক্তার মাইয়া যখন বউ – পর্ব ২ | Senior Bou

সিনিয়র প্রেম ২

সিনিয়র প্রেম – ডাক্তার মাইয়া যখন বউ – পর্ব ২: হিমু আপু আমার উপর কেমন সিনিয়রগিরি চালাচ্ছে আর আমাকে নিয়ে মজা করছে তাতো দেখলেনই গত পর্বে। কি জানি আরো কত কি আছে কপালে! এমন ভয়ানক সব কাজ করে যে আমাকে শেষমেষ জ্ঞান হারাতে হল। দেখি এরপর কি হয়? আজ হিমুর একদিন তো আমার একদিন।

নাঝেহাল অবস্থা আমার

এরপর আমি বিছানা থেকে উঠতে চেষ্টা করলাম কিন্তু পারলামনা। শরীরটা আমার কেমন যেন দুর্বল অনুভব করলাম! তাই আর বিছানা থেকে না উঠে শুয়েই থাকলাম। শুয়ে থাকতে থাকতে ঘুমিয়ে পড়েছি বুঝতে পারিনি। আম্মুর ডাকে ঘুম ভাঙলো আমার।

আম্মুঃ আরমান, এই আরমান আর কত ঘুমাবি? এবার ওঠ।
আরমানঃ আ মা ঝামেলা করোনা। ঘুমুতে দাও।

আম্মুঃ পুরাদিন ঘুমিয়েছিস। আর কত ঘুমাবি এবার ওঠ।
আরমানঃ আচ্ছা উঠছি।

আম্মুঃ শোন।
আরমানঃ আবার কি হলো?

আম্মুঃ ঘুম থেকে উঠে হিমুর কাছে যাবি।
আরমানঃ ওকে তো কাছে পেলে।

আম্মুঃ চুপকর। মেয়েটা সকাল থেকে এখনো খায়নি।
আরমানঃ খায়নি কেন?

আম্মুঃ আমি কি জানি। তুই যা ওর থেকেই শোন গিয়ে।
আরমানঃ আচ্ছা।

বিছানা থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে হিমুর বাড়ির দিকে গেলাম। ওর বাসায় যেতে,

হিমুর ছোট ভাইঃ আরে আরমান ভাইয়া কেমন আছেন এখন?
আরমানঃ আমি তো ভালোই আছি। তোমার কি খবর?

হিমুর ছোট ভাইঃ আমার খবর ভালো। আপুর খবর খারাপ।
আরমানঃ তোমার আপুর কি হয়েছে?

হিমুর ছোট ভাইঃ কাল রাতে আপনাকে ভয় দেখানোর পর থেকে এখন পর্যন্ত খায়নি। শুধু কান্না করছে।
আরমানঃ তোমার আপু কোথায়?

হিমুর ছোট ভাইঃ আপুর রুমে

হিমুর কান্না

আমি হিমুর রুমের দিকে গেলাম। রুমে ঢুকে দেখি পুরা ঘর এলোমেলো। আর হিমু জানালার ধারে বসে আছে। আমি হিমুর কাধে হাত রাখতেই চমকে উঠে পিছনে তাকায় হিমু।

আরমানঃ সিনিয়র আপু আপনি নাকি কাল থেকে খাননি?
হিমুঃ কোন কথা নাই। কান্না শুরু।

আরমানঃ আবার কি হলো এখন আবার কান্না করছেন কেন?
হিমুঃ আমার জন্যই তোমার আজ এমন হলো। আমি বুঝতে পারিনি তুমি এত ভীতু।

আরমানঃ ঐ আমাকে ভীতু বলবেন না আমি মেলা সাহসী।
হিমুঃ ওরে আমার সাহসী রে যে ভয়ে জ্ঞান হারায়… (বলেই হাসতে লেগেছে হিমু)

আমি তার হাসিটা এক ধ্যানে দেখছি। ওর হাসিটা অনেক সুন্দর। আর কান্না মিশ্রিত হাসিটা আরো বেশি সুন্দর। যে কোনো ছেলের হৃদস্পন্দন থমকে যাবে। ভাবনার দেশে তার পৃথিবী জয় করা হয়ে যাবে কয়েক সেকেন্ডে।

হিমুঃ ঐ হ্যালো এক ধ্যানে তাকিয়ে কি ভাবছো?
আরমানঃ হকচকিয়ে। কিছুনা। আপনার হাসিটা অনেক সুন্দর।

হিমুঃ কেন, আমি সুন্দর না?
আরমানঃ না, আপনি পেত্নির মতো দেখতে। বলেই দৌড় দিলাম। হিমু আমার পিছেপিছে দৌড়াতে লাগলো আমাকে ধরতে। কিন্তু আমাকে ধরা এত সহজ নয়। আমি দৌড়ে বাড়ি চলে এসেছি। রুমে ঢুকে হাফ নিচ্ছি। এমন সময় আম্মুর ডাক।

আম্মুঃ আরমান এদিকে আয়।

আম্মুর আবার কি হলো। আম্মুর কাছে গিয়ে দেখি হিমু আম্মুর কাছে।

আম্মুঃ তুই হিমুকে কি বলেছিস?
আরমানঃ কই, কিছু বলিনি তো।

হিমুঃ মিথ্যা বলছে, আন্টি।
আরমানঃ আমি মিথ্যা বলিনা।

আম্মুঃ তুই চুপকর। সত্যবাদি উঠে আসছে।
আরমানঃ মা একটা মেয়ের সামনে এভাবে বললে ইজ্জত থাকবে আমার?

আম্মুঃ ওরে আমার ইজ্জতদার রে।
আরমানঃ হুহু

হিমুঃ আন্টি আমার খুব খুদা লাগছে খেতে দিন।
আম্মুঃ আচ্ছা মা, তুমি দাড়াও আমি খাবার নিয়ে আসি।

বলে আম্মু খাবার আন্তে গেল।

ঝগড়াটে ভালবাসা

এই সুযোগে,

হিমুঃ তোমার আজ খবর আছে, আরমান সাহেব।
আরমানঃ কি খবর?
হিমুঃ সময় হলেই দেখতে পাবে।

আম্মু খবার নিয়ে চলে এসেছে।

আম্মুঃ এই নাও মা তোমার খাবার।
হিমুঃ আন্টি আরমান আমাকে পেত্নি বলছে। চিকনা চামেলি বলেছে। আর বলেছে ঝড়ে নাকি আমি উড়ে যাব। তাই শাস্তি হিসেবে এখন ও আমাকে খাওয়াই দিবে।

আরমানঃ অ্যা। শখ কত! বললেই হলো।
হিমুঃ না হলে আমি আজও খাবনা কিন্তু।

আম্মুঃ আরমান তুই হিমুকে খাওয়াই দে। মেয়েটা কাল থেকে না খেয়ে আছে।
আরমানঃ পারবনা।

আম্মুঃ তাহলে আজ থেকে তোর খাবার বন্ধ।
আরমানঃ এটা কেমন বিচার মা?

আম্মুঃ হ্যা। যদি কথা না শুনিস তাহলে খাওয়া বন্ধ।
আরমানঃ ঠিক আছে, খাইয়ে দিচ্ছি।

আমি হিমুকে খাওয়াই দিচ্ছি আর ও চেয়ারি বসে ৩২ পাটি দাত বের করে হাসছে আর খাচ্ছে। আমার তো গা জ্বলে যাচ্ছে। মনে হচ্ছে তুলে এক আছাড় দেই কিন্তু কিছু বলতে পারছিনা। কিছু বললে আমার খাবার বন্ধ হয়ে যাবে।

আরমানঃ উহু। হাতে কামড় দিলেন কেন?
হিমুঃ ইচ্ছা করে দিছি নাকি এমনিতে লেগে গেছে।

আরমানঃ আপনি ইচ্ছা করেই দিছেন।
হিমুঃ ইচ্ছা করে দিলে তুমি কি করবে শুনি?

আরমানঃ আর খাওয়াই দিবনা।
হিমুঃ আন্টিইইই

আরমানঃ আম্মুকে ডাকতে হবেনা আমি খাওয়াই দিচ্ছি।
হিমুঃ গুড বয়।

খাওয়া শেষ করে। আম্মুর সাথে কি সব হাবিজাবি কথা বলে হিমু বাসায় যাচ্ছে। আর যাবার সময় বলে গেল,

হিমুঃ ছোট। এটা মাত্র শুরু। বহত কুস বাকি হে।

বলে মুখ দিয়ে ভেংচি কেটে চলে গেলো।

অভিমানী ভালবাসা

আর আমি আমার রুমে চলে এলাম। মেয়েটা আমার ইজ্জত পাংচার করে দিল? শেষমেশ আমি একটা মেয়েকে খাওয়াই দিলাম? না এটা হয়না এর প্রতিশোধ আমি নিবই নিবো। দেখে নেব আমি হিমুকে। আমাকে চিনেনা আমি কি জিনিস। একবার খালি সুযোগ আসুক হাতে। আমি কথাগুলো ভাবছি আর আম্মুর ডাক,

আম্মুঃ আরমান এদিকে আয়।
আরমানঃ কি হয়েছে মা?

আম্মুঃ আজ কলেজে যাবিনা?
আরমানঃ দেখছোনা, আমি কত অসুস্থ? তাহলে কি করে যাবো?

আম্মুঃ খালি বাহানা খোজা তোর। একটা বাহানা পেলেই হলো তাহলেই কলেজ অফ।
আরমানঃ সত্যি বলছি তো আজ আর যাবনা কাল থেকে যাবো।

আম্মুঃ আচ্ছা, ঠিক আছে। এক কাজ কর।
আরমানঃ কি কাজ?

আম্মুঃ হিমুর গাড়িতে সমস্যা হয়েছে ওকে কলেজে নামিয়ে দিয়ে আয়।
আরমানঃ আমি কি জন্য ওকে নিয়ে যাব?

আম্মুঃ এলাকাতে অনেক বখাটে আছে জানিস তো। মেয়েটা একা একা যেতে ভয় করছে।
আরমানঃ তো আমি কি করবো?

আম্মুঃ তুই নিয়ে যাবি।
আরমানঃ আমি পারবনা।

বলেই ঘরের দিকে যাচ্ছিলাম তখন দেখি হিমু৷ দরজার কাছে দাড়িয়ে ছিল। সেখান থেকে চলে গেল।

আজকে আমি ঠিক প্রতিশোধ নিয়ে নিয়েছি। আমার সাথে মাস্তানি? আজকে যাও বাবা, দেখো, রাস্তা কি জিনিস?

রুমে এসে ঘুমিয়ে পড়ি। বিকালের দিকে পাড়ায় খেলতে বের হয়েছি। অনেকদিন পরে আবার খেলাধুলা করবো। বন্ধুদের সাথে অনেকক্ষণ আড্ডা দিলাম। আম্মুর ফোন পেয়ে বাসায় গেলাম। কি একটা জরুরী দরকার আছে বললো? বাসায় এসে দেখি আমার বাড়িতে নতুন আঙ্কেল আন্টি তার ছোট ছেলে। মানে হিমুর বাবা মা আর ভাই।

মনের মানুষকে নিরন্তর খোঁজা

আমি একটু থেমে বললাম- কি হয়েছে আম্মু?

এক চড়। তাও ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশে যতজোরে ঝড় হয়েছিল তার থেকে দ্বিগুণ জোরে। মনে হচ্ছে গালটা অবস হয়ে গেছে।

আরমানঃ বলবে তো কি হয়েছে? না বলেই মারতে শুরু করলে।
আম্মুঃ তোকে কত করে বললাম মেয়েটাকে তার কলেজে নিয়ে যা সময় ভালো না। মেয়েটা নতুন কিছু চিনেনা। এখনো বাড়িতে আসেনি।

আরমানঃ বন্ধুদের সাথে হয়তো আড্ডা দিচ্ছে একটু পরে হয়তো চলে আসবে।
হিমুর মাঃ ওর আজকে দুপুরেই চলে আসার কথা ছিল। কিন্তু এখনো আসেনি।

আরমানঃ আরেকটু দেখেন চলে আসবে।
হিমুর মাঃ বিকাল থেকে ফোন সুইচ অফ বলছে। তুমি একটু যাওনা বাবা।

আরমানঃ আচ্ছা আন্টি, আমি দেখছি।

বাড়ি থেকে বের হয়ে কয়েকজন বন্ধুকে ফোন দিলাম। তাদের সবকিছু খুলে বললাম। ওরাও আমার সাথে যেতে রাজি হলো। হিমুর বন্ধু বান্ধবদের বাসার ঠিকানা জোগার করে তাদের বাসায় গেলাম। কারো বাসায় নেই।

বাসায় ফোন করলাম কিন্তু এখনো আসেনি মেয়েটা। রাত ৯টা বাজে।

এখন একটু চিন্তা হতে লাগলো। যদি আমি আসতাম তাহলে এমন হতোনা।

হিমুর যেসব রেস্টুরেন্টে যায় তা তার বন্ধুদের থেকে শুনে সেখানেও খোজ করলাম কোথাও নেই হিমু। রাত ১০টা বেজে গেছে।

পাগলের মত শহরের অলিগলি খুজে বেড়াচ্ছি কোথাও পাচ্ছিনা। কোথায় গেল কিছু বুঝতে পারছিনা। মাথাতা কেমন ভারি হয়ে আসছে। আমার দোষ। আমার কথা গুলো হশুনে ফেলেছিল। আর তখন একাই কলেজে যায়। আমি কেন এমনটা করলাম! আমি যদি এমনটা না করতাম তাহলে এসব কিছু হতোনা।

শহরের সব জায়গা খোজা শেষ। কি করব আমি এখন? বাসায়ও যেতে পারছিনা। সবাই আমার অপেক্ষাতেই আছে। আমার মাথাটা ঠিকভাবে কাজ করছেনা। আমি জীবনে এত চিন্তিত হয়নি আজ যতটুকু হয়েছি। হৃদস্পন্দন শতগুন বেড়ে গেছে।

আরমানের বন্ধুরাঃ দোস্ত, সব জায়গায় তো খুজলাম কোথাও পেলাম না। এখন কি করবো?
আরমানঃ আমি নিজেও জানিনা।

আরমানের বন্ধুরাঃ চল পুলিশের কাছে কমপ্লেইন করে বাসায় যাই।
আরমানঃ আজকে আমি বাসায় যেতে পারবনা। আমার জন্য সব হয়েছে। আমিই দায়ি। বলে মাটিতে বসে পড়লাম।

হারিয়ে যাওয়া ভালোবাসা

আরমানের বন্ধুরা আরমানের এরকম ক্লান্ত অবস্থা দেখে বলল- এভাবে ভেঙে পড়িসনা। দেখিস আমরা হিমুকে ঠিকি খুঁজে পাবো।

আমার চোখ দিয়ে তখন টুপটুপ করে পানি পড়ছে। নিজেকে কেমন ঘৃনা হচ্ছে? কেন আমি এলামনা?

আরমানের বন্ধুরাঃ শান্ত হো দোস্ত। রিদয় শাকিল পুলিশের কাছে যাক। আর আমি আর তুই টিপু ভাই এর কাছে যাই।
আরমানঃ টিপুর কাছে কেন?

আরমানের বন্ধুরাঃ কোথাও তো খুজে পেলামনা। যদি হিমু কিডন্যাপ হয় তাহলে টিপু ভাই এর কাছে জানতে পারবো। এই শহরে যত কিডন্যাপ হয় সব তার জানা থাকে।
আরমানঃ ঠিক আছে, চল।

ওরা দুজন পুলিশের কাছে গেল। আর আমরা টিপু ভাই এর কাছে যাচ্ছিলাম। রাস্তায় বাইকের তেল ফুরিয়ে যায়। তেল ভরতে পাম্পে যাই। তারপর তেল ভরি। তারপর টিপুর কাছে যাই। এতরাতে দেখা করতে চাচ্ছিলনা। তাও অনেক বলে কয়ে দেখা করলাম। টিপু ভাইকে সব খুলে বললাম। তারপর টিপু ভাই ওর লোকদের কাছে ফোন করলো। তারপর বললো

টিপু ভাইঃ আমার লোকেরা আজকে কোন মেয়েকে তুলেনি!
আরমানঃ তাহলে উপায়?

টিপু ভাইঃ শহরে একটা নতুন গ্যাং এসেছে। যারা ডাক্তারি পড়া মেয়েদের কিডন্যাপ করে তাদের আফ্রিকাতে পার করে দিচ্ছে। আর এদের দিয়ে চিকিৎসার কাজ করানো হয়। আর আমার লোকরা বললো তারা আজ তিনটা মেয়েকে তুলেছে। এখন তাদের মধ্যে থাকলেও থাকতে পারে।

আমার পায়ের নিচের মাটি মনে হচ্ছে সরে যাচ্ছে। আমার বাক শক্তি ভাবনা শক্তি কিছু কাজ করছেনা। নড়তে পারছিনা।

টিপু ভাইঃ তোমরা দেরি না করে বেড়িয়ে পড়। তোমাদের হাতে আজকের রাতটাই আছে। আজ রাতে মনে হয়না তারা শহর ছেড়ে বের হবে। তাই যত তাড়াতাড়ি পারো বেড়িয়ে পড়ো।

আমরা টিপু ভাই এর কাছ থেকে বিদায় নিয়ে বেড়িয়ে পড়েছি। কোন কথা বলতে পারছিনা। রাস্তার এক পাশে দাড়িয়ে আছি। পাশে একটা ছোট দোকান আছে। এক কাপ চা খাচ্ছি আর ভাবছি কোথায় যাব আর কি করবো? কিছু মাথায় আসছেনা। হাতে সময় এক রাত।

রহস্যময় নিখোঁজ

হঠাৎ একটা মাইক্রো এসে থামলো তারাও চা খাচ্ছে। তাদের একটা কথায় আমার ধ্যান ভেঙে গেল। তাদের কথা এমন ছিল,

ভাই মাল তিনটা কিন্তু দেখতে হেব্বি।

হ ঠিকি কইছোস। মেলা মাল পাওয়া যাবে।

ভাই আমারনা ঐ চিকন করে মেয়েটাকে হেবি লাগছে।

তো কি হয়েছে?

আপনি যদি অনুমতি দিতেন তাহলে আজ রাত?

আচ্ছা ঠিক আছে রাতে তোর ঐটা।

আপনার পায়ের ধুলা দিন, ওস্তাদ।

তাদের চা খাওয়া শেষে চলে যাচ্ছিল। বিষয়টা আমার কেমন জানি খটকা লাগলো? টিপু ভাই বললো তিনটা মেয়েকে তুলেছে। এরা বলছে তিনটা। চিকন মেয়েকে পছন্দ? রাতে সে তার।

হিসাব মিলে গেছে হিমুও চিকন। এরাই ঐ কিডন্যাপার। হিমুর কিছু করার আগে তাকে উদ্ধার করতে হবে। আমরা দুজন তাদের মাইক্রোকে ফলো করছি। চলবে…

পরের পর্ব- সিনিয়র প্রেম – ডাক্তার মাইয়া যখন বউ – পর্ব ৩

Related posts

পালিয়ে বিয়ে – কাজি সাহেব যখন শশুর | Romantic Love Story

valobasargolpo

মিষ্টি প্রেমের গল্প – পর্ব ১৫ | স্যারের সাথে প্রেম | Love Story Bangla

valobasargolpo

2 comments

Md Nasim Ud-din May 6, 2020 at 5:06 am

good

Reply
valobasargolpo May 6, 2020 at 9:10 am

tnx

Reply

Leave a Comment

error: Content is protected !!