অদ্ভুত মিলন – স্বামী স্ত্রীর মধুর ভালবাসার গল্প

অদ্ভুত মিলন – স্বামী স্ত্রীর মধুর ভালবাসার গল্প: তাছাড়া আপনি বলেছেন জোর করলে আপনার দেহ পাব কিন্তু মন পাব না। কিন্তু আমি তো আপনার দেহকে ভালোবাসিনি, তাই আপনার মন পাওয়ার জন্য সব রকমের চেষ্টা করেছি।


মূলগল্প

আমি আপনাকে আমার স্বামী হিসাবে মানতে পারব না। কথাটি শুনেই চমকে ওঠি। বাসর ঘরে নতুন বউয়ের মুখে এই রকম কথা শুনলে সবারই চমকে ওঠার কথা। তাই আমি এই কথা শুনে চমকে ওঠব এ আর এমন কি। আগে আমার পরিচয়টা দিয়ে নেই। এতে পাঠকদের বুঝতে সুবিধা হবে। আমি লিমন। বর্তমানে পড়াশোনা শেষ করে একটা প্রাইভেট কম্পানিতে জব করছি। আর যার কথা বললাম ও হচ্ছে আমার সদ্য বিবাহিতা স্তী। নাম হৃদি।

আমাদের দুই পরিবারের সম্মতি ক্রমেই বিয়েটা হয়েছে। যেদিন প্রথম হৃদির ছবিটা প্রথম দেখেছিলাম। তখনই ওর প্রেমে আমি ফিদা হয়ে গিয়েছিলাম। আমার শরীর আর মন বসন্ত বাতাসে দোলা দিয়ে গিয়েছিল।

তাই আর কন্যার মত নেওয়ার কথা ভাবিনি। ভাবার প্রয়োজনও ছিল কারণ সবদিক থেকেই আমি বলিষ্ঠ, দেখতেও সুপুষ কোন দিক থেকে কমতি নেই। সব মিলিয়ে সসুযোগ্য পাত্র। তাই আমাকে অপছন্দ করার কোন মানেই হয় না। এতে অতি তারাতারি বিয়েটা হয়ে যায়। কিন্তু এটা যে বাসর রাতে আমার জন্য কাল হয়ে দাড়াবে কখনো স্বপ্নেও ভাবিনি। বাসর রাতে ওর ঐ রকম কথা শুনে আমি আমি তো অবাক হয়ে গেছি।

হঠাৎ হৃদির কথায় আমার ধ্যান ভেঙ্গে গেল:

  • আমার কাছে ঘেসার চেষ্ঠা করবেন না।
  • আপনি তো আমার স্ত্রী।
  • আমি এই বিয়ে মানি না।
  • কেন?
  • এই বিয়েতে আমার মত ছিল না। আর আমাকে জোর করে বিয়ে দেওয়া হয়েছে।
    -আমাকে পছন্দ হয় নি আপনার? না হলে বলতে পারেন।
  • আসলে আপনি যেটা মনে করছেন সেটা না। আমি একজনকে ভালবাসি। তাকে ছাড়া আর কাউকে ভালোবাসতে পারব না।
  • সে কে। আর কি করেন ওনি।
  • ওর নাম তামিম। ও ছিল আমার ছোট্ট বেলার খেলার সাথী। আমার কৈশরের প্রথম পেম। আমরা একই পাড়ায় থাকতাম। হঠাৎ করে ও হারিয়ে যায়। আমার বিশ্বাস ও ফিরে আসবে। তাই আমার ওপর স্বামীর অধিকার খাটাবেন আর জোর করলে হয়তো এই দেহটা ভোগ করতে পারবের কিন্তু আমার মনটা কখনো পাবেন না
  • ঠিক আছে আমি আপনার উপর জোর করব না মনটাই যদি না পাই তাহলে দেহ দিয়ে কি হবে। আপনি নিশ্চিন্তে শুইয়ে পড়ুন। আমি সোফায় ঘুমাচ্ছি। আর একচি আপনার জন্য আমার মনের দোয়ার সবসময় খোলা।

এই বলে সোফায় ঘুমাতে গেলাম। আমার ভাবতেও কষ্ট হচ্ছে হৃদির কথা শুনে, কোনদিন চিন্তাও করিনি যে বাসর ঘরে বউয়ের মুখে এই রকম কথা শুনতে হবে। কিন্তু কথায় আছে না ভাগ্যের লিখন না করা যায় খন্ডন। হয়তো আমার ভাগ্যেও এমনটাই লিখা ছিল। কিন্তু কি করব আমিও যে ওকে প্রথম দেখাতেই ভালো বেসে ফেলেছি, তাই ভালবাসার খাতিরে সবকিছু সহ্য করছি।

এই সব ভাবতে ভাবতেই ঘুমিয়ে গেলাম। এরপর অনেক টা দিন চলে যায়। কিন্তু আমার আর হৃদির সম্পর্কটা আর আট দশটা দম্পত্তির মতো স্বাবাভিক হয় নি। আলাদা ফ্লাটে থাকি বলে কেও টেরও পায় নি বিষয়টা। দুই জন দুজনের মতো আছি। আমাকে খুব সকালে ঘুম থেকে ওঠতে হয়। ঘুম থেকে ওঠে নামাজ পরে নাস্তা বানাই। এরপর ফ্রেস হয়ে নাস্তা খেয়ে অফিসে চলে যাই। যাওয়া আগে হৃদির জন্য নাস্তা দিয়ে আসি।

ও কখনো নাস্তা খায় খায় আবার কখনো খায় না, কখনো আবার নিজে বানিয়ে খায়, কিন্তৃ আমার জন্য কখনো নাস্তা বানায় না। রাতেও আমার নিজের নাস্তা বানিয়ে খেতে হয়। প্রথম প্রথম এসব অসহ্য লাগলেও অভ্যাস হয়ে যায়। . আজ আমাদের প্রথম বিবাহ বার্ষিকি। তাই অফিস থেকে ফিরার সময় একটা কেক, একটা শাড়ী আর কয়েকটা গোলাপ কিনলাম হৃদির জন্য। কারণ স্বামী স্তীর সম্পর্ক না থাকলেও আমার বিশ্বাস ও এই দিন টির কথা ঠিকই মনে রাখবে। কিন্তু কই বাসায় পৌছে দেখি হৃদি ঘুমিয়ে পড়েছে। হৃদির এই আচারণ আমাকে হতাশ করে ফেললো।

আমি কি এতটাই খারাপ। যে আমাকে এতটা এভোয়েট করতে হবে আর কথা তো বলেই না বললে চলে, বললেও খুব কম। যাকে এতটা ভালবাসি যার জন্য এতো কিছু করি সে আমাকে ভালোইবাসে না। এভাবে বেচে থাকার কি কোন মানে হয়। নিজেকে মাঝে মাঝে জীবন্ত লাশের মতো মনে হয়। কি করব হৃদিকে ছাড়তেও পারছি না, কি করে ছাড়বো তাকে যে আমি অনেক ভালোবাসি।

তাকে ছাড়া আমি একটা দিনও কল্পনা করতে পারি না। এরই মধ্যে হঠাৎ একদিন অসুস্থ বোধ করায় অফিস থেকে চলে আসি। এসেই বিছানায় শুয়ে পরলাম। হৃদি তখন আমাকে তাড়াতাড়ি বাসায় দেখে একটু অবাকই হয়েছিল। কারণ আমি সচারাচর এত তাড়াতাড়ি অফিস থেকে বাসায় ফিরি না। এর পর ঘুমের দেশে তলিয়ে যাই। হৃদি আর রাতে খেতে ডাকেনি। রাতে আমার জ্বর বাড়লো।

জ্বরের ঘোরে রাতে গুঙ্গাতে লাগলাস। কিন্তু হৃদি এর মধ্যে একবার ও আমার কাছে আসে নি। হয়তো ঘুমিয়ে আছে। তাই আমিও ওকে ডাকলাম না। কি হবে ডেকে শুধু শুধু ওর কাচা ঘুমটা ভাঙ্গাবো কেন। সকালের দিকে জ্বর কমলো কিন্তু একি শরীরে একটুকোও শক্তি নেই, রাতে খাইনি তাই ক্ষুদার জ্বালায় পেট চু চু করছে। রান্না ঘরে গিয়ে দেখি রান্না করা কোন খাবার নেই যে তা খাব। তাই বাধ্য হয়ে রান্নাটা করতে হচ্ছে।

রান্না করছি আর ভাবছি আমার আর হৃদির যদি স্বাভাবিক স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক থাকতো তবে তখন অসুস্থ শরীর নিয়ে আমাকে এভাবে রান্না করতে হতো? বউই আমাকে খাইয়ে দিত না। কিন্তু কি কপাল আমার। এমন সময় হাতে গরম কিছুর স্পর্শ অনুভব করতেই চিৎকার কে উঠলাম। দেখি হৃদি দৌড়ে আসছে। ইতি মধ্যে হাতে ফোসখা পরে গেছে।

  • কি হইছে।
  • না কিছু হয় নি হাতে সামান্ন আচ লেগেছে।
  • ও আমি ভাবলাম কিছু হইছে কি না।

এই বলে হৃদি চলে গেল। ও শুধু আমার মুখের মিথ্যে কথাটাই বিশ্বাস করল কিন্তু একবারও হাতটা ধরে দেখল না। হাতে প্রচন্ড জ্বালা পোড়া করছে, এর ছেয়ে বেশী যন্ত্রণা করছে এই হৃদয়ে। আমার প্রতি হৃদির এই অবহেলা আমি আর সহ্য করতে পারছি না। এই বুক চিড়ে হৃদয়টা বের করে যদি হৃদিকে দেখাতে পারতাম তাহলে হয়তো বুজাতে পারতো যে আমি ওকে ঠিক কতটা ভালোবাসি।

আমার বিশ্বাস ও হয়তো একদিন আমাকে ভালো বাসবে। আর যদি আমাকে ভালো নাও বাসে তবুও আমি ওকে ভালবেসে যাবো। কয়েক মাস পর, প্রতি দিনের ন্যায় আজকে আফিসে বসে মেইল চেক করছি।

এমন সময় ফোনটা বেজে ওঠল। আমি ফোনটা হাতে নিয়ে অবাক হয়ে তাকিয়ে রইলাম ফোনের স্কিনের দিকে। অবাক হওয়ারই কথা। কারণ নাম্বার টা ছিল হৃদির। বিয়ের গত দের বছরে ও কখোনো আমাকে ফোন তো দেয়ই নি বরং আমি ফোন দিলেও বিরক্ত হতো। রাগ করত তাই প্রথম প্রথম ফোন দিলেও পরে আর দেই নি।

কিন্তু আজকে হৃদির ফোন দেওয়া কারণ আমার মাথায় ডুকতেছিলনা, ও কোন বিপদে পড়েছে কিনা, এসব ভাবসি। এমন ফোনটা কেটে গেল। এখন আমি ফোন করব কি না দ্বিধা দন্ডের মাঝে পড়ে গেলাম। এমন সময় ফোনটা আবার বেজে ওঠল।

আমি এখন কিছু না ভেবে জটপট রিসিভ কের ফেললাম:

  • হ্যালো।
  • হুম !
  • কি জন্য ফোন করেছিলেন।
  • আজকে একটু তারাতাড়ি আসতে পারবেন।
  • কেন?
  • আপনার সাথে জরুরী কিছু কথা আছে, যা খুবই গুরুত্ব পুর্ণ।
  • আমার সাথে গুরুত্ব পূর্ণ
  • কথা, হাসালেন আমায়।
  • আমি সিরিয়াস ভাবে বলছি।
  • তো, কি শুনতে পারি সেই গুরুত্ব পুর্ণ কথা?
  • কথাটা তামিমকে নিয়ে। আমার মনে হয় আমি আমার তামিমকে পেয়ে গেছি। আর তাড়াতাড়ি আসেন। বলেই কেটে দিল। আমি তো তামিমের নাম শুনেই বুকটা কেপে ওঠল। হৃদি কি তামিমের খোজ পেয়ে গেছে।

তাহলে তো ও তামিমের কাছে চলে যাবে। যাওয়াই স্বাভাবিক যার জন্য এত কাল ধরে কষ্ট করে অপেক্ষা করেছে তার কাছে যাবে না তো কার কাছে যাবে। কিন্তু আমার এত দিনেরভালোবাসার কি কোন মূল্য নেই ওর কাছে। কি করব যাকে ভাল বাসি তার কথাতো শুনতেই হবে। তাই বসের কাছ থেকে হাফ বেলা ছুটি নিয়ে বাসার উদ্দেশ্যে রওনা হলাম। বাসার যত কাছাকাছে পৌছাচ্ছি মনের মধ্যে তত দুশ্চিন্তা দানা বাধছে।

আজকেই হয়তো হৃদি তামিমের সাথে দুর কোন অজানার উদ্দেশ্যে রওনা দেবে। হয়তোবা এর পর থেকে হৃদিকে আর দেখতে পাবনা। এই সব ভাবতে ভাবতে বাসায় পৌছে গেলাম। পৌছে দেখি ইভা দারুন ভাবে সেজে সোফার উপর বসে আছে। বিয়ের পর আজই প্রথম ওকে সাজতে দেখলাম, খুব মায়াবী লাগছে ওকে। কিন্তু তা সত্যেও আমার কেন জানি বুকের মাঝে চিনচিন ব্যাথা অনুভব করছি।

কারণ আমি জানি হৃদি তামিমের কাছে যাওয়ার জন্যই এত সাজগোজ করেছে। হৃদি আমাকে দেখেই দৌড়ে এল এবং ডান হাতে কি যেন দেখলো। এর পর জড়িয়ে ধরল আমায়। আমি তো কিছুই বুঝতে বুঝতে পারছি না।

কি থেকে কি হচ্ছে। আমি ছাড়ানোর চেষ্টা করছি কিন্তু হৃদি কিছুতেই ছাড়তে চাইছে না। এতে মেজাঝ হয়ে গেল খারাপ হয়ে, খামোখা এত মিথ্যা দরদ দেখানোর মানে কি, তাই আমি আমি জোর করে ছাড়াতে চাইলাম কিন্তু ছাড়ল না এর পর জোর করে ছাড়িয়েই ঠাস। ও গালে হাত দিয়ে দাড়িয়ে রইল।

এর কিছুক্ষণ পর মুচকি হাসি দিয়ে বলতে শুরু করল –

  • আপনি এত বোকা কেন?
  • মানে।
  • আপনি আমাকে এত ভালোবাসেন, কিন্তু কখনো নিজের ভালোবাসার উপর জোর খাটান নি কেন।
  • আপনিতো তামিমকে ভালোবাসেন। তাছাড়া আপনি বলেছেন জোর করলে আপনার দেহ পাব কিন্তু মন পাব না। কিন্তু আমি তো আপনার দেহকে ভালোবাসিনি, তাই আপনার মন পাওয়ার জন্য সব রকমের চেষ্টা করেছি।
  • তাহলে একটু আগে আমাকে মারলেন, কেন?
  • আপনি আমাকে জড়িয়ে ধরলেন তাই?
  • আমি তো অন্য কাউকে জড়িয়ে ধরিনি, আমি আমার ভালোবাসার মানুষকে জড়িয়ে ধরেছি।
  • কে আপনার ভালোবাসার মানুষ?
  • যাকে জড়িয়ে ধরে ছিলাম সেই।
  • তাহলে তামিম। আর তখন যে বললেন আপনি তামিম কে খুজে পেয়েছেন সেটা।
  • সেইটা পরে বলছি আগে দেখতো এইগুলো কার ছবি? (গলা থেকে একটা লকেট আর ড্রয়ার থেকে আমার একটা পুরোনো দিনের ছবি বের করে দেখিয়ে বলল)
  • আরে এইটা তো আমার ছবি, লকেটের ভিতরে আমার মতো দেখতে কার যেন ছবি আর একটা মেয়ের ছবি।
  • আরে বুদ্ধু এইটা তোমার মতো দেখতে না ঔটা তুমিই। আর তুমি হচ্ছ আমার সেই হারিয়ে যাওয়া তামিম।
  • কি বলছেন এসব, এইটা কি করে সম্ভব।
  • ব্যাপারটা মিরাকল হলেও সত্য।
  • তা কি করে বুঝলেন যে আমি আপনার হারিয়ে যাওয়া তামিম।
  • আমি আজকে একটা দরকারে আলমারির ড্রয়ার খুলি। এরপর সেখানে তুমার ছবি পাই। তুমার ঐ ছবি দেখে আমার চোখ তখন চরকগাছ। তখন তোমার মায়ের ঔখানে গিয়ে ছবিটার সম্পর্কে জানতে চাই। কারণ হবিটা যে তামিমের। এরপর তোমার মা জানালেন ছবিটা তোমার। আর এও জানায় যে তোমাকে ওনারা প্রায় ১২ বছর আগে অজ্ঞান অবস্থায় কুড়িয়ে পেয়েছিল। জ্ঞান ফিরার পর তুমি তুমার পূর্ব স্চৃতি ভুলে গিয়েছিলে। এরপর তারা তোমাকে লিমন নাম দিয়ে তাদের সন্তানের মতো মানুষ করেছেন।

এইটা শুনার পর তুমার প্রতি আমার সন্দেহ প্রবল হয়। তাই তোমাকে ফোন দিয়ে তারাতারি আসতে বলি, আর তুমি আসার সাথে সাথেই তুমার ডান হাতের কনিষ্ঠা আঙ্গুল চিলক চেক করি এবং আবশেষে আমার সন্দেহ সত্যি হয়।

  • আমি আমার পূর্বের স্মৃতি সম্পর্কে কিছুই জানি না, আর জানলেও মনে নেই। তবু এখন আপনি কি পারবেন আমাকে ভালো বাসতে।
  • আমি তো শুধু তোমাকে ভালোবাসি।
  • সে তো তামিমকে বাসেন, আমাকে তো বাসেন না।
  • তুমি আর তামিমের মাঝে পার্থক্য কি?

-ঐ তামিমের জন্য আমি আজ প্রায় ২বছর যাবৎ আমার স্ত্রীর ভালোবাসা থেকে বন্ঞ্চিত।

  • তাই নাকি!
  • হুম।
  • তাহলে তো তুমিও তো আমাকে ভালোবাসো না।
  • কিভাবে?
  • ভালোবাসলে তো আর আপনি করে বলতে না।
  • আর বলব না। এখন বল ভালবাসি।
  • ভালবাসি।
  • কাকে?

-আমার পাগলটাকে।

  • আমি না তামিম।
  • দুই জন কেই
  • আমাকে ভালোবাসলে তামিমকে বাসতে পারবে না।
  • আচ্ছা এখন যতদিন বেচে থাকব শুধু তোমাকেই ভালোবাসব।
  • আমিও ভীষণ ভালোবাসি তোমায়।

আজ থেকে যেন আমার হৃদির জীবনে এক নব দিগন্তের সূচনা হল।

লেখা – Lim-On Khan (দি গ্যাংস্টার)

সমাপ্ত

(পাঠক আপনাদের ভালোলাগার উদ্দেশ্যেই প্রতিনিয়ত আমাদের লেখা। আপনাদের একটি শেয়ার আমাদের লেখার স্পৃহা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। আমাদের এই পর্বের “”গল্পটি আপনাদের কেমন লাগলো তা কমেন্ট করে অবশ্যই জানাবেন। পরবর্তী গল্প পড়ার আমন্ত্রণ জানালাম। ধন্যবাদ।)

আরো পড়ূন – বাসর রাতের রোমান্টিক দৃশ্য – আর একটু করোনা প্লিজ

Leave a Reply

Your email address will not be published.