স্বামী স্ত্রীর ভালোবাসার গল্প

চাখোর জামাই – টক মিষ্টি ভালোবাসা

বউ আমাকে খুব ভালোবাসে।ভালোবাসার নমুনা পাই তার হাতে করা চায়ে।অসাধারণ চা বানায় বউ।একজন চা খোরের বউ এমনি হওয়া উচিত।আমিও সেরকমি বউ পেলাম।বাসর রাতে বউ জিজ্ঞেস করেছিলো,
-“আচ্ছা আপনি সবচেয়ে বেশি কি ভালোবাসেন” আমিও উত্তর দিয়েছি,
~”চা আর গোল্ডলিফ”
বউ কয়েক মুহুর্ত ‘থ’ মেরেছিলো।ভেবে ছিলাম বউকি টাস্কি খেলো নাকি। কিছুক্ষণ জীম মেরে থাকার পর বলল,
-“খুব ভালো তো”।
বউ প্রায়সময় তার ফেসবুক ফ্রেন্ডদের সাথে চ্যাট করা সহ কলেও কথা বলে।আমি বারণ করায় বউ বলে ‘ওরা আমার বন্ধু।আর বন্ধুদের সাথে তো কথা বলাই যায়।’আমি পরে আর কিছু বলিনি।
একদিন অফিস ছুটির দিনে বিছানায় আধো শুয়ে,আধো বসে আছি।বউ বোধহয় কারো সাথে মেসেন্জারে চ্যাট করছে।আমার সাথেও কথা বলছে না।নিরামিষ নিরামিষা লাগছে।বোর বোর লাগছে। তাই বউকে বললাম,
-“বউ আমার না কিছুই ভালো লাগছে না।কি করি বলোতো!”

বউ মোবাইল টা বিছানাই রেখে রুম থেকে বের হয়ে গেলো।আমার আগ্রহ জমলো বউ কার সাথে চ্যাট করে দেখার।আর বউয়ের টাইপিং ও মাশাআল্লাহ বেশ চালু। বউয়ের আইডিতে ডুকে আমি যায়পরানা অবাক হলাম। ছেলে-মেয়ের আইডি।বেশিই ছেলেদের। লিস্টের উপরের আইডিতে ডুকলাম। চ্যাট গুলো বেশির ভাগই এক। ‘চা বানাচ্ছি চা বানাচ্ছি ‘।আর কেমন আছেন এসব ই। ছেলেটা মেসেজ দিল ” চা বানানো কি শেষ? আপনার জামাই এত চা খায় কেনো?তাহলে আপনার জীবন তো চা বানাতে বানাতেই শেষ।” (আরো হাবিযাবি টেক্সট) বউয়ের হয়ে আমি রিপ্লাই করলাম।” আমার জামাই গোল্ডলিফ সিগারেট ও খায় চায়ের সাথে।”ছেলেটা আবার টেক্সট করলো ‘বলেন কি! আপনি সিগারেট খোরের বউ? সিগারেট আবার চা।আপনি এতো ভালো একটা মেয়ে এমন নেশা খোর কে বিয়ে করলেন কেনো? নিশ্চয় আপনার বাবা-মা জোর করে এমন নেশা খোরের সাথে বিয়ে দিয়েছে।

আসলে এখন ভালো মেয়েদের খারাপ ছেলেদের সাথেই বিয়ে হয়।’ বেটার এমন টেক্সট দেখে মাথাটা কিরিং করে উঠলো। বলে কি বেটা। আমি নেশা খোর । আমি কয়েকটা বাজে টেক্সট করতেই বেটা বউরে ব্লক দিলো।শান্তি লাগছে ব্যাপক। আমার আর বেটার টেক্সট গুলো ডিলেট করে মোবাইল টা আগের মতো বিছানায় রেখে দিলাম। বউ সিগারেটের প্যাকটা আমার দিকে ডিলা মেরে চায়ের কাপটা টেবিলে রাখলো।আমি সিগারেট জ্বালিয়ে কয়েকটা টান দিয়ে চা’য়ে চুমুক দিলাম।আহ! কি শান্তি।প্রথমে সিগারেট টান দেই পরে চায়ে চুমুক অসাধারণ ফিল। মনে মনে হেঁসে আমি খুন।চ্যাট কর এখন। এসব চিন্তা করছি।বউ বলল, “এই দেখো ছেলেটা আমায় হুদাই ব্লক করলো কেনো?”
আমি ক্ষাণিক চুপ থেকে সিগারেটে একটা টান দিয় বললাম, “কে জানি।তুমিও ব্লক করে দাও” বউ কথা মতো কাজ করলো।মিশন একটা সাক্সেস।
রাত আনুমানিক ২:৩০ টা। শ্রুতিকে (বউয়ের নাম) কেমন যানি লাগছে।বউ তাৎক্ষনিক চা আর সিগারেট এনে দিলো। অবাক হলাম। এত তারাতারি, কেমনে কি! বিস্ময় চাওনি দিয়ে বউকে বললাম, “
যটপট কি ভাবে চা বানিয়ে আনলা?”
বউ বলল, “আমি আমার জামাইকে হাঁডে হাঁড়ে চিনি। সে কখন কি করে, কখন কি লাগে সব জানা আছে আমার।এ ও জানি রাতে সে চা খায়।তাই আগে থেকেই ফ্লাক্সে চা করে রেখেছি”
না বউকে যতটা বোকা ভেবেছি ততটা বোকা নয়।
বউকে যদি রাতে,দিনে,দুপুরে,সকালে যদি বলি ভালো লাগছে না।তখনি চা সিগারেট রেডি। আর সাপ্তাহে ২/১ দিন বা মাসে ৩/৪ দিন খুব ভালো করে স্পেশাল চা বানায় আমার পকেট খালি করার জন্য।
শ্বশুর বাড়িতে গেলে বউ আমাকে নিয়ে দু’দিন এর থেকে বেশি থাকে না।ওখানে আবার চা-সিগারেট খাওয়ার পবলেম। শ্বশুর-শাশুরি কি না কি মনে করে। গত কয়েক দিন ধরে শাশুরি বলছে ওনাদের ঐখানে যাওয়ার জন্য। তো চাপে পড়ে গেলাম।গিয়ে দেখি এলাহী কান্ড।সজিব (একমাত্র শালীর জামাই) আছে।আমার খুশি আর কে আটকায়।দু’জনে মিলে চা-সিগারেট খাবো বলে বাইরে যাবো তখনি শ্বশুরের ডাক। ভালো ছেলের মতো গেলাম। ওনি বললো ওনার সাথে বাজারে যেতে হবে।সজিবও আমি দু’জনেই শ্বশুরের ছাত্র।যদিও সজিব আমার ২ব্যাচ জুনিয়র। কিন্তু খুব ফী। মাইকা চিপায় পরে গেলাম।আর কোনো রাস্তা নাই। শ্বশুর বললো ওনি নাকি চা খাবে।

আর আমরাও খাবো।খুশি হলাম। চায়ের দোকানি কে আমি অঙ্গ-ভঙ্গিমা করে বুঝাচ্ছি ওনি যেনো আমাদের সিগারেট না দেয়। সিগারেট টানি জানলে শ্বশুর আমাদের খবর করে ছাড়বে।আগে থেকেই যে ভয় পাই শ্বশুর কে। আর দোকানি বেটা ক্যাশ থেকে উঠে এসে আমাকে আর সজিবকে সিগারেট সাধছে। এই চায়ের দোকানে বেশ কয়েকবার আশায় বেটা আমাদের ভালো করেই চিনে।আমরা বলার আগেই সিগারেটের প্যাক থেকে সিগিরেট বের করে দেয়।সালা মোহাব্বত দেখায়।রাগ হচ্ছি বেটার উপর খুব। আমরা শ্বশুরের দিকে তাকালাম।সুবিধার মনে হচ্ছে না।ঝড় আসার পূর্বাবাস।দোকানির সিগারেট ঢিলা মেরে দু’জনেই নিরাপদ দূরত্বে আবস্থান করে একটা টং দোকানে বসে সিগারেট জ্বালিয়ে চায়ে চুমুক দিলাম। এখন খুব ভালো লাগছে। সজিব কে বললাম ‘শ্বশুর কান্ডটা দেখলো খবর আছে নিশ্চিত।চলো এখন একটু সিনেমা হলে সিনেমা দেখে চিল করি।’ সজিব সহমত পোষণ করলো।

সিনেমা দেখতে দেখতে বোর হয়ে যাচ্ছি। সাথে সিগারেট ও টানছি। আমার আবার চা ছাড়া সিগারেট জমে না। বউ কল দিয়েছে অলরেডি ৪বার।সাথে মেসেজ ও।শালীও কল দিচ্ছে সজিব কে। আমার মোবাইলে মেসেজের ‘টোন ‘শব্দ হলো। আর কে বউ মেসেজ করেছে “কল না ধরলে খবর আছে কিন্তু” সাথে সাথে আমি কল দিলাম।নগতে রিসিভ। “এই সালা তুই এখন কোন চিপায় বইসা আছিস” নাম্বার টা চেক দিলাম।নাহ! সেভ করা নাম্বার ই তো। বউতো কখনো আমাকে তুই শব্দটাই বলে নি।অপরিচিত লাগছে। কষ্টে বুকটা হাহাকার করছে। মরতেও ইচ্ছা নাই।এখনো বাবা ডাক শুনতে পাইনি। ” কি হলো কথা বলিস না কেনো?” আমি মিনমিন গলায় বললাম, “তুমি এভাবে তুই তুকারি করছো কেনো?”
-“তাহলে কি করবো। তুই সিগারেট খাস ভালো কথা।কিন্তু বাবার সামনে খেলি কেনো?”
-“বউ শোন আমার পরিচিত দোকানে যাওয়ার পরে দোকানার বেটা আমি বলার আগেই সিগারেট সাধছে।আর সিগারেট তো টানিই নাই।তোমার বাবার চেহারার দেখেই সেখান থেকে দৌড়ে চলে আসি। “
-“আসছে আমার সেলেব্রিটি জামাই।সবাই চিনে আমার অকর্মা জামাইকে।সব আজাইরা কাজে সব সময় আগে থাকে।বাবা বলেছে ‘যদি বাঁচতে চায় তাহলে ঘন্টা খানেকের মাঝে যেনো আমার সামনে আসে।’ তারাতারি আসো।” বলে কল কেটে দিলো।

রাস্তায় বের হওয়ার পর কোনো গাড়ি চোখে পড়ছে না।সমস্যা একটা কাজের সময় কিছুই সামনে পাওয়া যায় না। এক রকম দৌড়ে দৌড়ে শ্বশুর বাড়িতে আসলাম।
শ্বশুর আগের আমলের রাজাদের মতো মুখ গম্ভির করে সোফায় বসে আছে। দেখেই আমার গলা শুকিয়ে যাওয়ার অবস্থা। সজিব তো মাথা ডুলছে। যেনো পিনিক করে এসেছে।আমার হাসিও পাচ্ছে। আবার খারাপ ও লাগছে।শ্বশুর বাড়ির সবাই এখানে জমায়েত হয়েছে।শ্বশুর চোয়াল শক্ত করে কঠিন গলায় বলল, ” বেয়াদবেরা শ্বশুর আবার স্যার এর সামনে সিগারেট কিনিস। সাহস কত হয়েছে আজকে দেখবো।”
আমরা দু’জনেই থরথর করে কাপছে।কে জানে কি করে। বউ আমার দিকে ভয়ার্ত দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। ” এখন দু’জনেই ৩০ টা করে কান ধরে উটবস করবি।” শ্বশুর বলার সাথে সাথেই দু’জন লজ্জার মাথা খেয়ে উটবস শুরু করলাম।যদি একটু কাহিনী করতাম তাহলে শাস্তি ডাবল।এটা শ্বশুরের নিয়ম।

দৌড়ে এসে আবার উটবস করে পা’টা ব্যাথা করছে। বউকে বললাম, “কেমন যানি লাগছে ” মিনিট দশেক পরে চা আর সিগারেট এনে দিলো।চা-সিগারেট খাওয়ার পর একটু ভালো লাগছে।
অফিসে বসে আছি। লাঞ্চ করতে যাবো।শুনতে পেলাম আরিফ ভাই(কলিগ) আরেক কলিগ কে বলছে একটা কাজ করে দেওয়ার জন্য।ওনি বাসায় যাবেন দরকারে। আর কাজটা করে দিলে ১০০/= ও দিবে। আমি ভাইকে কাছে ডেকে চুপিসারে বললাম, ” ভাই আমারে দুইকাপ চা খাওয়াবেন।আমি কাজটা করে দিবো। ভাইতো খুব খুশি। লাঞ্চের পরে আধা ঘন্টা আর ছুটির পরে ঘন্টা ক্ষাণেক কাজ করে ফাইল শেষ করেছি, মাত্র দুইটা চায়ের জন্য। সিঁড়ি দিয়ে নামছি নিচে বসের সাথে দেখা।ওনি নাকি কিছু কাজ করাতে দেরি হলো।আমাকে দেরির কারণ জিজ্ঞেস করাতে পুরো বললাম।বস বলল, “বলেন কি! সামান্য দুইটা চায়ের জন্য কাজটা করলেন। আপনাকে তো দেখছি চা খায়িয়ে সব কিছু করানো যাবে।”

লজ্জা মাখানো একটা হাঁসি দিলাম মাথা নিচু করে।
কয়েকটা বৃহস্পতিবার পর বস আমাকে তার কেবিনে ডেকে বললো, ” রাকিব সাহেব একটা কথা বলি মন দিয়ে শুনবেন।”
আমি মাথা নাড়লাম।
“আমার বাগানে মালীটা নাকি আর আমার ওখানে কাজ করবে না।কালকে তো বন্ধ। আমি আর তুমি মিলে কালকে বাগানটা সাফ করতে চাই।বিনিময়ে যতক্ষণ কাজ করবে তত ৩০মিনিট আন্তর পর পর চা খাওয়াবো।বিশ্বাস করতে পারো।” আমি বললাম, “না বস প্রতি ঘন্টায় আমাকে ১পিস গোল্ডলিফ সিগারেট আর লাল চা লাগবে।তাহলেই রাজী।”
“তাহলে সেই কথাই থাক”(শ্বশুর)

শুক্রবার অফিস ছুটির দিন খুব ইনিয়ে-বিনিয়ে বউরে মেনেজ করে অফিসে কাজের কথা বলে বের হয়েছি। সারাদিন খুব ভালো কেটেছে।কিন্তু শরীর একটু ঝপসা দুর্বল আরকি।
একের পর এককরে করে ৩ দিন মানে ৩ সাপ্তাহ গিয়েছি। বউ এখন আমাকে সন্ধেহ শুরু করেছে। ৪র্থ দিনে ডিটেকটিভ এর মতো পিছনে পিছনে গেলো।
বিকেলে বাসায় ফিরছি ক্লান্ত শরীরে তাজা মন নিয়ে।বউ এই তাজা আগুনে পানি ঢেলে দিল।এত গুলো প্রশ্ন ছুড়ে দিলো আমার দিকে।এসব জানলো কেমনে! নিশ্চয় কোনো কলিগ হয়তো বলেছে।
“বাসায় কি তকে চা না খায়িয়ে রাখি? সিগারেট ও খেতে দেই।যখন বলিস তখন দেই। তাহলে বাড়িছেড়ে তর বসের বাড়িতে গেলি কেনো? নাকি বসের সুন্দরি বোন আছে বলে। কোনটা?
থ বনে গেলাম।সিচুয়েশন খারাপ। কি করি।-আইডিয়া-

“কে বললো এমন কথা।বস তো বললো আমি কাজ করে দিলে আমাকে প্রমোশন করে দিবে।তাই তো কাজ করতে গেলাম। বাড়তি আয়ের দরকার আছে না।”
“তা কথা গুলো নিচের তাকিয়ে বলছিস কেনো? আমার চোখের দিকে তাকিয়ে বল।” বউ বিরবির করে আমাকে গালী দিচ্ছে। সব স্পষ্ট শুনতে পেলাম না। বউকে এক রকম জোর করে ধরে নিয়ে মার্কেটিং করিয়ে দিলাম।সব শান্তি।
একদিন বউ আর আমি মিলে সিলেটে বেড়াতে গেলাম।বউ প্রকৃতি খুব পছন্দ করে।সেই থেকেই যাওয়া। বউ কে বললাম, ” চলো এখনি চা বাগান থেকে ঘুরে আসি।” বউ রাজী। একটা চায়ের দোকানে বসে চা অর্ডার দিলাম।৭রং চা।দেখতেই ভালো লাগে। বউকে আমার কাপ থেকে এক চুমুক দিলাম।” সেই তো চা।অসাধারণ তো চা” আরো কত প্রসংশা শুরু করলো তার শেষ নেই।

আজ আমি বউয়ের চা খাওয়া দেখছি। একের পর একটা চা খেয়েই যাচ্ছে।চা আবার অত গরম না।কুসুম গরম। বউ হেলে ডুলে পরছে।মাতালের মতো।বুঝতেছিনা বউ কি আমার মতো শুরু করলো! আমার চা খেলে ঘুমে ধরে। বউয়ের একি দশা। সন্ধা ৬টায় ঘুমিয়ে রাত ১টায় ঘুম ভাঙলো বউয়ের।আমি তখন বারান্দায় বসে নিস্তব্ধ -নিস্তেজ পরিবেশ উপভোগ করছি।সাথে চাঁদ,কোলাহল মুক্ত সব কিছু।ঝিঝি পোকার ডাক।আরো কতকি।বউ এসে আমার পায়ের উপর বসলো। শান্ত গলায় বললো, “তুমি কি এখন চা খাবা? “
“আমি তো চা খাচ্ছিই।” শ্রুতি সিগারেটের প্যাক থেকে একটা সিগারেট বের করে আমার ঠোটে রাখলো।লাইটার টা দিয়ে বার বার চেষ্টা করছে আগুন দেওয়ার জন্য।বাতাসের কারণে সম্ভব হয়ে উঠছে না।বাদ্ধ হয়ে আমি নিজে সিগারেট ধরালাম।বউ খপ করে আমার ঠোট থেকে সিগারেট নিয়ে টান দিলো।বউয়ের তো কাশাঁর কথা।কশেঁ না কেনো? “আমি আগে ৩বার সিগিরেট টেনেছি বান্ধবীদের
সাথে।তাই কাশিঁ না।আমার টান দেয়া কি হচ্ছে না”” আরে কি বলো খুব হচ্ছে।” বলে সিগারেট কেরে নিলাম। আর দেয়া যাবে না।নয়তো পিনিক ধরবে।
গতকাল রাতে রমজান মাসের তারাবি পড়লাম। আজকে রোজা রেখেছি।ফজরের নামাজ পরে হালকা ঘুম দিয়ে উঠলাম।বউ আয়নার সামনে চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়াচ্ছে।বললাম, “বউ কেমন যানি লাগছে কি করি বলো তো।” বউ আমার দিকে ঘুরে চুল আঁচড়ানো বাদ দিয়ে আমার দিকে এগিয়ে গলা চাপ দিয়ে ধরে বললো, ” রোজা রাখেছিস মনে নাই?চামার কোথাকার। “
” ওহ হ্যা রোজা তো রেখেছি”
” রমজান মাসে তর রুটিং ডেইলি ২টা সিগারেট, ৪টা চা।এর বাইরে বেশি কিছু পেলেই খবর আছে। সব গুলো রোজা রাখতে হবে বুঝছো জামাই?”
একজন চা-সিগারেট খোরের পক্ষে কি এই রুটিং মানা পসিবল!!!

চাখোর জামাই
লেখাঃ-R.Md Rakib

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
error: Content is protected !!