স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক

ভালবাসার প্রাপ্তি – স্বামী স্ত্রীর মধুর মিলন

ভালবাসার প্রাপ্তি – স্বামী স্ত্রীর মধুর মিলন: মাথা টা ওর হাতের উপরে দিয়ে নিচু করে করে রেখেছি। হটাৎ কে যেন কানে কামড় দিল। আমি মাথা তুলে তাকিয়ে দেখি বউ টা মিটিমিটি হাসছে।


পর্ব ১

শীতের সকাল।
খুব আরামে ঘুমিয়ে আছি।

আসলে আজকে শীতের সকালে কেন জানি শীত টা বেশি মনে হচ্ছে।
ওয়েদার টা এখন একটু বেশি বেয়াদব হয়ে গেছে। নামতে নামতে অনেক নিচেই নেমে যায়।
তবে কেন জানি শীতের হিমহিম সকালে ঘুম টা জাগিয়ে আছে।

তবে সবার মত এমন শান্তিতে আমার ঘুমিয়ে থাকার সৌভাগ্য আমার কপালে লিখা নেই।
কারন আমার যে একটা শাঁকচুন্নি বউ আছে।
এইটাই হচ্ছে আমার ঘুমের চির শত্রু।
আজকেও ব্যতিক্রম হল না।

যখন আমি ঘুমের দেশে ভেসে বেড়াচ্ছি।
ঠিক তখনি,

রিদিঃ এই উঠো।
এই রিদ উঠো অনেক সকাল হয়ে গেছে।
আর ঘুমাতে হবে না।
(আমার বউয়ের নাম হচ্ছে রিদি।

আর আমার নাম তো জানেনই। সাইফুল ইসলাম। তবে সবাই আমাকে তামিম বলেই ডাকে)
এমন ভাবেই বউ টা ডেকে চলেছে।
তবে আমি আজকে পণ করেছি যতই ডাকুক না কেন আমি ঘুম থেকে উঠব না। আজকে আমি ঘুমাতেই থাকব।
বেশ কিছু সময় বউ ডেকে থেমে গেল।

আর বিছানা থেকে উঠে চলে গেল।
আমি তো একটা বিশ্বজয়ী হাসি দিয়ে আবারো ঘুমের দেশে সুখের ভেলায় ভাসতে থাকলাম।
একটু পর আবারো বউ টা কম্বলের নিচে চলে এল।

তবুও আমি সেই দিকে মন না দিয়ে ঘুমের দেশে মনযোগী হলাম।
তবে হটাৎ মনে হল আমি যেন এন্টার্কটিকা মহাদেশে অবস্থান করছি।
শরিরে ঠান্ডা অনুভব করছি।

এমন মনে হওয়ার কারন আমার ফাজিল বউ টা হাত পা ভিজিয়ে এসে আমার শরিরের সাথে লাগিয়ে রেখেছে।
আমিঃ এই এই কি করছো?
রিদিঃ হিহিহিহিহিহিহি ঘুম কি এখনো আছে?

আমিঃ ঘুমাতে দাও বাবু প্লিজ।
রিদিঃ হ্যা তাই তো আমি উঠে গিয়ে একা একা রান্না করব আর উনি মরার মত পরে ঘুমাবে।
আমিঃ রান্না করতে কি আমাকে লাগে?
রিদিঃ হ্যা লাগে উঠো।

আমিঃ যাও তুমি আমি আজকে ঘুমাই।
সারা রাত দুষ্টামি করছো ঘুমাতে দাও নাই।
এখন তো একটু ঘুমাতে দাও।

রিদিঃ বেশ করেছি। উঠো এখন।
এখনো ঘুমাতে হবে না।
উঠবে কি না?
আমিঃ না যাও তো ঘুমাতে দাও।
বলেই কম্বলের গা জড়িয়ে ভাল ভাবে শুয়ে থাকলাম।
আর বউ টা গাল ফুলিয়ে চলে গেল।

ভাবছেন হাত পা ভিজিয়ে এনে আমার শরিরে লাগিয়ে না দিলে শরিরে পানি ঢেলে দিলেই তো ভাল হত।
আরে ভাই আগে এই কাজ করে সে নিজেই বিপদে পরে গেছিল।
আমার শরিরের সাথে সাথে কম্বল বিছানা ভিজে গেছিল। আর সারা দিন রোদ না থাকায় তা শুকায় নাই।
রাতে ঘুমাতে গিয়ে সে কি অবস্থা।

পরে তো রাত ১১ টায় আমাকে দিয়ে অন্য একটা কম্বল আনিয়ে নিয়েছিল।
উফফফফ আপনাদের এত কিছু বলতে গিয়ে ভুলেই গেছিলাম বউ টা আমার অভিমান করেছে।
এখন আমাকে উঠতেই হবে না হলে।


পর্ব ২

উফফফফ আপনাদের এত কিছু বলতে গিয়ে ভুলেই গেছিলাম বউ টা আমার অভিমান করেছে।
এখন আমাকে উঠতেই হবে না হলে,
কি থেকে কি রান্না করবে।

না সে খাবে না আমি খেতে পারব।
দ্রুত বিছানা থেকে উঠে শীতের পোষাক গায়ে জড়িয়ে দ্রুত কিচেনের দিকে দৌড় দিলাম।
(২ জন একটা ফ্লাটে থাকি। )

কিচেনের সামনে গিয়ে দেখি যা ভেবেছিলাম তাই।
বউ টা গাল ফুলিয়ে কি থেকে কি রান্না করছে নিজেও হয়ত বলতে পারবে না। কারন তার মন এখন অন্য দিকে।
আমি চুপিচুপি গিয়ে বউ কে পিছে থেকে জড়িয়ে ধরলাম।
আর বউ টা ভয়ে কেপে উঠল।

রিদিঃ এই ছাড়ো আমাকে।
আমিঃ আমার বউ কে আমি জড়িয়ে ধরেছি তোমার কি?
রিদিঃ আমি কারো বউ না।
আমিঃ এহহহ বললেই হল নাকি?

এক লক্ষ এক টাকা দেন মোহর দিয়ে বিয়ে করেছি আর বলে আমি কারো বউ না।
রিদিঃ এই যাও তো আমাকে বিরক্ত করো না।
আমি বউয়ের কথায় কান দিয়ে বউয়ের মাতাল করা চুলের মাঝে নাক ডুনিয়ে সুভাস নিতে থাকলাম।
রিদিঃ এই দুষ্টুমি করলে কিন্তু ভাল হবে না।

আমিঃ তা হলে একটা ইয়ে দাও।
রিদিঃ সারা রাত নাকি ঘুমাতে দেই নাই?
যাও এখন গিয়ে ঘুমাও।

আমিঃ উহুম আমি আমার বউ কে জড়িয়ে ধরে রাখব।
রিদিঃ তো চুপ করে দাঁড়িয়ে থাকো।
আমিঃ ইয়াহ বেবি।

বউ এখন ভাল ভাবে রান্নায় মন দিল।
আর আমি আমার বউ কে জড়িয়ে আদর দিতে থাকলাম।
এমনটা প্রতিদিনই হয়ে আসছে।

আর তা কে রান্না করার সময়ে প্রতিদিন পিছে থেকে জড়িয়ে ধরে তার রান্নার কাজে সাহায্য করতে হবে এইটা তার ১ম রাত মানে বাসর রাতেই বলে নেয়া।
তার জন্যই একটু আগে বলছিল আমি কি একা একা রান্না করব নাকি?
মানে আমাকেও তার সাথে থাকতে হবে।

রান্না প্রায় শেষের দিকে।
রিদিঃ যাও দ্রুত গোসল করে রেডি হয়ে খাবার টেবিলে আসো।
আমিঃ আর একটু থাকি।

রিদিঃ এই যেতে বলছি না।
পরে অফিসে যেতে দেরি হলে বসের কাছে ঝাড়ি খেয়ে মন খারাপ করে থাকবে।
আমিঃ তা হলে একটা মিষ্টি দাও।

বলতেই ঠোটে এক চিলতে মিষ্টি ঠোটের ছোয়া পেলাম।
রিদি জানে যত সময় সে না দিবে তত সময় আমি যাব না।
মিষ্টি দেয়া শেষ হতেই ঝাড়ি দিয়ে পাঠিয়ে দিল।

আমিও ভদ্র ছেলের মত ওয়াস রুমে ঢুকে গেলাম।
উদ্দেশ্য পানির সাথে যুদ্ধ।

পানির সাথে বেশ কিছুক্ষন যুদ্ধ করে জয়ী হয়ে ওয়াস রুম থেকে বের হয়ে এলাম।
দ্রুত রেডি হয়ে খাবার টেবিলে যেতেই দেখি বউ সব রেডি করে রেখেছে।
আমিঃ তোমার প্লেটে খাবার কোথায়?
রিদিঃ এই আজকেও বলতে হবে?

আমিঃ না বেবি।
(আমাদের ২ জনের এক প্লেটে খাওয়া হয়)
আমি চেয়ার নিয়ে বউয়ের পাশে বসে গেলাম।
বউ আমাকে আর আমি বউ কে খাইয়ে দিলাম।

মেয়েটা আমার সাথে সকালে না খেলে সকালে না খেয়েই থাকবে।
খাওয়া শেষ করে অফিসের জন্য বের হবো।
বউ টা দরজার সামনে দাঁড়িয়ে গেল।
আমি বুঝেছি তার কি চাই।

আমি তার কপালে ভালবাসার পরস দিয়ে দিলাম।
সাথে তার মিষ্টি ঠোটের ছোয়া ও নিয়ে নিলাম।
১ম টা তার জন্য আর ২য় টা আমার জন্য। । তারপর…


পর্ব ৩

১ম টা তার জন্য আর ২য় টা আমার জন্য। । তারপর,
অফিসের জন্য বের হয়ে গেলাম।
এখন পাগলি টা বাসায় একাই থাকবে।

অফিসে সঠিক সময়েই পৌছে গেলাম।
পৌছে বউ কে ফোন দিয়ে জানিয়ে দিলাম।
তারপর নিজের কাজ করায় ব্যস্ত হয়ে গেলাম।
দুপুরে বসের থেকে ছুটি চেয়ে নিলাম।

অফিস থেকে বের হয়ে রাস্তা থেকে একটা নীল গোলাপ সাথে কিছু চকোলেট আর বিরিয়ানি নিয়ে নিলাম।
বাসার দরজায় দাঁড়িয়ে কলিং বেল দিয়ে দাঁড়িয়ে আছি।
দরজা খুলে বউ আমাকে দেখে তো অবাক।

কারন বউ কে না জানিয়ে বাসায় এসেছি।
আগে আসলেও তা কে জানিয়ে দিতাম।
আজকে একটু সারপ্রাইজ দিলাম।

তার হাতে ফুল আর চকোলেট দিতেই সে যেন বাচ্চাদের মত খুশিতে আত্বহারা হয়ে গেল।
আর সেই খুশিতে আমাকে শক্ত করে জড়িয়ে নিল তার বাহুডোরে।
দুপুরে ২ জন বিরিয়ানি খেয়ে নিলাম।

খাওয়া শেষে আমি রুমে গিয়ে বিছানায় গা এলিয়ে দিলাম।
তার কিছু সময় পর বউ এসে আমার পাশে শুয়ে গেল।
আমিঃ এই বাবু রেডি হয়ে নাও।

(বউ কথা টা শুনে অবাক হয়ে আমার বুকের উপরে মাথা রেখে আমার দিকে তাকিয়ে বলল)
রিদিঃ কেন কোথায় যাব আমরা এখন?
আমিঃ আগে রেডি হয়ে নাও তারপর দেখবে।

আমার কথা শুনে বউ আর কথা না বাড়িয়ে রেডি হতে গেল।
একটু পর আমিও রেডি হয়ে নিলাম।
বউ নীল শাড়ি আর আমি নীল পাঞ্জাবি।

২ জনে একটা রিক্সা নিয়ে বেড়িয়ে গেলাম। অজানা উদ্দেশ্যে।
বউ আমার বাহুডোরে নিজেকে জড়িয়ে রেখেছে।
এই শীতল ঠান্ডাময় ব্যস্ত শহরে প্রিয় মানুষের সাথে রিক্সাতে ঘুরতে বের হওয়া।
মুহুর্ত টা মোটেও খারাপ হবে না।

চলে গেলাম লেকের ধারে।
লেকের পাশ ঘেসে ২ জন হাত ধরে হাটতে থাকলাম।
ঘুরার মাঝে আমাদের ২ জন ফুসকা আইসক্রিম আর চকোলেট খাওয়া বাদ গেল না।

আমি আগে তেমন পছন্দ করতাম না এই গুলা। তবে বউয়ের সাথে ঘুরতে বের হলেই সে আমাকে জোর করে খাইয়ে দিত।
সেই থেকে আস্তে আস্তে অভ্যাস হয়ে গেছে।

ঘুরা শেষে ২ জন শপিং মলে চলে গেলাম।
কিছু পোষাক কিনে নিলাম।
শুধু নিজেদের জন্য না।

আমার বাবা মা আর রিদির মা বাবার জন্য কিছু কেনা হল। ।
(তারা গ্রামের বাড়িতে থাকে। রিদিদের গ্রাম থেকে আমাদের গ্রাম ১৫ কি.মি দূরে। )
শপিং শেষে রেষ্টুরেন্ট থেকে ডিনার শেষ করলাম।

ডিনার শেষে বাসায় চলে এলাম।
আজকে বউ টা আমার খুব খুশি।

আসলে বেশ অনেক দিন এমন সময় বের করা হচ্ছিল না।
শুক্রবারে কোন না কোন অনুষ্টান রয়েই যায় গত কয়েক সপ্তাহ। ।
বাসায় এসে ফ্রেস হয়ে ২ জন বিছানার মাঝে চলে গেলাম।

রিদিঃ এই শুনছো?
আমার বুকের উপরে মাথা দিয়ে কথা টা বলল।
আমিঃ হুম বলো শুনছি।
রিদিঃ আমার না…

আমিঃ হুম তোমার কি?
রিদিঃ আমার বাবু লাগবে।
আমিঃ(অবাক হয়ে)

সত্যি বলছো?
রিদিঃ(মাথা নাড়িয়ে হ্যা সুচক উত্তর দিল)
আমিঃ তা হলে ভেবে দেখতে হয়।
রিদিঃ ভেবে দেখার কি আছে?

আমি বাসায় একা একা থাকি।
একটা গুলুমুলু হলে কত্ত ভাল হয়।
আমরা আজকেই বাবু আনতে যাই চলো।
আমিঃ আজকেই?

সত্যি সত্যি?
রিদিঃ তুমি কি আমার বেয়াই যে তোমার সাথে মজা করবো? (রেগে)


পর্ব ৪ (অন্তিম)

রিদিঃ তুমি কি আমার বেয়াই যে তোমার সাথে মজা করবো? (রেগে)
আমিঃ বাবুটা রাগ করো না।
আসো আমরা আজকেই বাবু আনতে যাব।
রিদিঃ যাহ দুষ্টু এই ভাবে বলো কেন?

(লজ্জায় লাল হয়ে আমার বুকে মুখ লুকালো)
আমিও বাহুডোরে আলিঙ্গন করে নিলাম আমার বউ কে।
২জনে হারিয়ে গেলাম বাবু খুজতে।

আমার বউটার তো বাবু চাই।
কিছু দিন পর বউয়ের মাঝে আমাদের নতুন ভালবাসার আগমন ঘটে।
আমিও কেয়ার বাড়িয়ে দেই বউয়ের দিকে।
বাসায় কাজের লোক রেখে দেই।

বাবা মা কে নিয়ে আসি।
রিদির বাবা মা মাঝে মাঝে আসে।
দেখতে দেখতে কেটে গেল দশ টি মাস।
ওটির সামনে দাঁড়িয়ে আছি সবাই।

আমি আমার বাবা মা।
রিদির বাবা মা।
রিদির ভাই আর বোনেরা(রাফিয়া অধরা মাইশা ইরা) সবাই ওর থেকে ছোট।
আমার আদরের শালিকা গুলা।

শীতের রেশ আছে বেশ কিছুটা।
তবুও আমি ঘেমেই চলেছি।
এই ১ম সময় রিদি কে হারিয়ে ফেলার ভয় নিজের মাঝে জেগে বসেছে।

অনেক সময় দেখেছি জন্মের সময়ে বাচ্চা গুলার মা কে হারিয়ে ফেলে।
আমি তো তেমন টা চাই না।
বা কেউ তো চায় না।
তবুও হয়ে যায়।

আল্লাহ আমার সাথে এমন টা না করেন।
এমন টা ভাবতে ভাবতেই কেটে যাচ্ছে আমার সময়। ।
বেশ অনেক সময় পর ওটি থেকে ডাক্টার বেড়িয়ে এল।
ডাক্তার:- অভিনন্দন আপনার টুইন বাবু হয়েছে।

তবে বাচ্চার মায়েদের জ্ঞান ফিরতে একটু লেট হবে।
উনাকে এখনি কেবিনে শিফট করে দেয়া হবে।
কথা টা শুনতেই তো সবাই খুব খুশি।

আমি আল্লাহর কাছে অনেক বেশি শুকুরিয়া আদায় করলাম।
আর শালিকা গুলা তো খুশিতে নাচতে শুরু করে দিয়েছে।
কিছু সময়ের মধ্যে রিদি কেকে কেবিনে দেয়া হল।
আর আমিও বউয়ের কাছে চলে গেলাম।

সবাই তো বাবুদের নিয়ে ব্যস্ত হয়ে গেছে।
একটা মেয়ে একটা ছেলে।
তবে আমি ব্যস্ত আছি কখন আমার বউয়ের জ্ঞান ফিরে আমাকে কাছে ডাকবে।
আমি ওর কেবিনের পাশে বসে আছি।

মাথা টা ওর হাতের উপরে দিয়ে নিচু করে করে রেখেছি। হটাৎ কে যেন কানে কামড় দিল। আমি মাথা তুলে তাকিয়ে দেখি বউ টা মিটিমিটি হাসছে।

আজকে ওর হাসিতে যেন মুক্তা ঝড়ছে।
একজন মায়ের বিশুদ্ধ হাসি সত্যি অসাধারণ।
আমিও হেসে দিলাম।

তারপর আমাদের ২ জনের কাছে বাবুদের দেয়া হল।
রিদিঃ এই যে আমার রোদ বাবু টা। (ছেলে)
আমিঃ এই যে আমার বৃষ্টি মামনি টা। (মেয়ে)

রাফিয়া/ অধরা / ইরা / মাইশাঃ ওয়াও নাম ২ টা কিন্তু খুব সুন্দর হয়েছে।
আর জিজু & আপু এই গুলুমুলু ২ টা হচ্ছে তোমাদের ভালবাসার প্রাপ্তি।
কথা টা শুনে ২ জনে মুসকি হেসে দিলাম।

আর বাবু ২ টা কে ভালবাসার পরস এক ২ জনে এক সাথেই বললাম।
আমাদের ভালবাসার প্রাপ্তি।
বাবাঃ এই এই সবাই আগে মিষ্টি খাও।

সরি আসতে একটু লেট হয়ে গেল।
রাস্তায় যে জ্যাম হসপিটালের সবাই কে মিষ্টি খাওয়ানো হল।
আর বাকি টা সবাই নিজ দায়িত্তে খেয়ে নিবেন।

লেখক – সাইফুল ইসলাম

সমাপ্ত

(পাঠক আপনাদের ভালোলাগার উদ্দেশ্যেই প্রতিনিয়ত আমাদের লেখা। আপনাদের একটি শেয়ার আমাদের লেখার স্পৃহা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। আমাদের এই পর্বের “ভালবাসার প্রাপ্তি – স্বামী স্ত্রীর মধুর মিলন” গল্পটি আপনাদের কেমন লাগলো তা কমেন্ট করে অবশ্যই জানাবেন। পরবর্তী গল্প পড়ার আমন্ত্রণ জানালাম। ধন্যবাদ।)

আরো পড়ূন – ভাইয়ের শালী যখন আমার বউ – True love story in bengali language

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
error: Content is protected !!