ভুতের গল্প

ভাম্পায়ার ও নেকড়ে মানব – ভয়ংকর বাংলা গল্প

ভাম্পায়ার ও নেকড়ে মানব – ভয়ংকর বাংলা গল্প: কিহ হলো আমার শক্তিকে পাওয়ার জন্যই তোহ তুই আমার সাথে ভাম্পায়ার রাজ্যে যাচ্ছিস। তুই ভালো করে জানিষ আমি আর অনুর শক্তি কাল একসাথে হবে। আর আমি জানতে পেরেছি…..


পর্ব ১

অনু পার্টি করে বাসাই ফিরছিলো ইকটু নেশাতে ছিলো। তবে ওতটাও নাহ হাটছিলো রাস্তা দিয়ে তখন অনেক রাত ওদের বাড়িটা জঙ্গলের ভিতরে মানে ওদের বাড়িটা জঙ্গলের ভিতরে একটা গাছের উপরে ওরা সারাক্ষণ থাকে নাহ। মাসে ৪/৫ বার এখানে আসে ওর একটা বান্ধবি আছে।

প্রিয়া দুজনে মিলেই ওই বাড়িতে থাকে। বাড়িটা কিন্তু খুবি সুন্দর করে তৈরি করা। তোহ রাস্তা দিয়ে হেটে জঙ্গলের ভিতর দিয়ে হাটছিলো। মনে হলো সামনের ঝোপটা নেড়ে উঠছে। বিষয়টা দেখার আগ্রহ দেখিয়া সেখানে যাই। পাতার আড়ালে উকি দিতেই একটা হুডি পড়া লোকে একটা নেকড়ের মাংশ খেতে দেখে নেশা করা ছিলো।

সে গিয়ে সেই হুডি পড়া লোকটার সামনে গিয়ে কয়টা ছবি তুলে। আর লোকটাকে একটা চুমু দিয়ে সেখান থেকে এসে পড়ে। কিছু পথ এসে ওর নেশাটা কেটে যাই। ওর মনে পড়ে যাই ইকটু আগে কিহ হয়েছে! ওহ দেয় এক দৌর কিন্তু তার আগেই কেও ওর ঘারের ওপরে বসে ওর শরিলের থেকে অর্ধেক রক্ত শুষে ছেড়ে দেয়।

কিছুদিন পরে..

প্রিয়াঃ অনু তোর জ্ঞেন ফিরেছে?
অনুঃ আমার কিহ হয়েছিল।
প্রিয়াঃ এক স্পতাহ ধরে তুই সেন্সে ছিলি নাহ।
অনুঃ কিহ?

প্রিয়াঃ তুই সেদিন অর্ধ রক্তাতো অবস্থাই তোকে আমি খুজে পাই এর পরে তোকে বাড়িতে আনি তোকে ১০ ব্যেগ রক্ত দিতে হয়েছে ডাক্টার তোহ বলেছিলো তুই হয়তো বাঁচবি নাহ।
অনুঃ তোকে কিছু বলার আছে।
প্রিয়াঃ এখন রেস্ট নেহ খাবার নিয়ে আসছি।
অনুঃ আগে আমার কথাটা শুন।
প্রিয়াঃ ওকে বল কিহ বলবি।

অনুঃ সেদিন যখন আমি পার্টি থেকে বাড়ি ফিরছিলাম সেদিন একটা লোকে দেখতে পাই সে ভংকর ভাবে একটা নেকড়ে খাচ্ছিলো আমি নেশাই ছিলাম তাই আমি ওটার সামনে যাই কয়টা ছবি তুলাম কিস্ করে চলে আসলাম ইকটু দূরে আসতেই আমার নেশা কেটে যাই আমি ভয় পেতে শুরু করি তখন মনে হলো কেও আমার গাড়ের উপরে উড়ে আসলো এরপরে কিহ হলো মনে পড়ছে নাহ।
প্রিয়াঃ হাহাহাহাহাহাহাহাহা।

অনুঃ হাসছিস কেনো।
প্রিয়াঃ দোস্ত তোর এই সময়েও মনে হয় মজা করছিস।
অনুঃ ধুর মজা করছি নাহ।
প্রিয়াঃ অনেক হয়েছে তুই রেস্ট নেহ যাহ।
অনুঃ আসলে এটা কিহ মনের ভুল ছিলো নাকি।
প্রিয়াঃ তোর অভিনয় শেষ হয়ছি তাহলে এই খাবারটা খেয়ে নেহ আন্কেল আন্টি ফোন করেছিলো তারা আসতে চাইছে পরে আমি বলাম আসার দরকার নাই কিহ বল ভালো বলছি নাহ।
অনুঃ ওয়াসরুমে যাবো সাহায্য করতোহ।

প্রিয়াঃ যেতে হবে একা যেতে পারবি নাহ।
অনুঃ ফাজিল কোথাকার।
প্রিয়াঃ ওকে জানু চলো।
পরের দিন অনু প্রিয়া রেডি হয়ে কলেজে যাচ্ছে।
অনুঃ তুই কিহ ড্রোনা কে বলেছিস কলেজে যেতে।
প্রিয়াঃ হুম চল।

অনুঃ গাড়িতে বসে হেড ফোন লাগিয়ে গান শুনছিলো প্রিয়াও পড়ার দিকে মনোযোগী হয়েছিলো ড্রাইবার সামনে ড্রাইব করছিলো অনু গান শুনতে শুনতে সামনের গ্লাসের দিকে তাকাতেই দেখে ড্রাইভারের চোখ রক্ত বর্নের অনু কিছুসময় তাকিয়ে থেকে চিৎকার করে গাড়ি থামাতে বলে।
প্রিয়াঃ কিরে তোর কিহ হলো এভাবে চেচিয়ে উঠলি কেনো?
অনুঃ প্রিয়া ড্রাইভারের চোখ রক্ত বর্নের তাকিয়ে দেখ কিভাবে তাকিয়ে আছে তাকা।
প্রিয়াঃ কোথাই।

ড্রাইবারঃ আপু আপনি কিহ বলেন আমার চোখ রক্ত বর্ন হইবো কেন।
অনুঃ আমি দেখছি কে তুমি?
প্রিয়াঃ ওহ কিছু নাহ আপনি গাড়ি ড্রাইভ করেন।
অনুঃ আমি দেখলাম।

প্রিয়াঃ তুই চুপ কর হাড়ামি বেশি কথা বলিস চুপ করে গান শুন আরেকবার চেচালে তোকে লাথি মেরে গাড়ি থেকে ফেলেদিবো আমাকে পরতে দেহ তোর তোহ পড়ার হয়েছে আমি পড়ছি তোহ কথা বলিস নাহ।
অনুঃ তোকে তোহ?
প্রিয়াঃ অনু।
অনুঃ ওকে ঠাকুমা তুমি পরো আমি গান শুনছি।
ড্রাইভার : গাড়ি চালালো এবং একটা মুচকি হাসি দিলো।
প্রিয়াঃ কিরে ঘুমিয়ে পরেছিস কেন যাবি নাহ।
অনুঃ যাবো নাহ আরেকটু ঘুমাই।

প্রিয়াঃ ব্যেগে থেকে বোতল বের করি পানি দিলো মুখে ডেলে।
অনুঃ কিহ সমস্যা ইকটু ঘুমাতে দেহ।
প্রিয়াঃ সারারাত কিহ চুড়ি করতে গেছিলি নাকি এবার চল ক্লাসে যেতে হবে।
অনুঃ বইন ইকটু কোলে নিয়া যাহ।
প্রিয়াঃ তুই দাড়া রডটা কই।
অনুঃ উঠছি।

প্রিয়াঃ কিরে সব স্টুডেন্ট এখানে ভিড় করে রেখেছো কেনো?
অনুঃ চলতোহ যাইয়া দেখি।
প্রিয়াঃ হেই গাইস্ হোয়াট হেপেন্ড।
ডাইনাঃ এ বিউটিফুল বয় হ্যাজ কাম হিয়ার এন্ড এভরিওয়ান হ্যাজ কাম টু সি হীম।
অনুঃ চলনা দেখে আসি।
প্রিয়াঃ ওকে চল।

অনুঃ হোটস্ হেপেন্ড?
প্রিয়াঃ এনিথিং রং গাইস্।
অনুঃ এই ছেলেটা কেহ রেহ এভাবে ওই ছেলেদের মারছে কেনো।
ডাইনাঃ তোরা এসেছিস দোস্ট জানিষ এই ছেলে গুলো আমাদের কলেজের মেয়েদের সাথে ফ্লোট করছিলো এই ভদ্রলোক তাই এদের পারছে।

প্রিয়াঃ ওকে এখানে দাড়িয়ে থাকার মতো কিছু নাই।
অনুঃ প্রিয়া মনে হচ্ছে ক্লাস হবে নাহ চল আমরা ক্যেন্টিনে যাই।
ডাইনাঃ আমার খুদা লেগেছে চল খেয়ে আসি ক্যেন্টিনে।
প্রিয়াঃ ওকে।
অনুঃ ওডার্র কর।
ডাইনাঃ কিহ ওডার্র দিবো বল।
প্রিয়াঃ চাইনিজ ওডার কর।
অনুঃ আমি বার্গার খাবো।
ডাইনাঃ কোল্ড কফি।
ওয়েটারঃ ওকে ম্যাম।

অনুঃ পেটা কেমন বেথ্যা করছে রেহ প্রিয়া।
প্রিয়াঃ হঠাৎ বেথ্যা করছে কেনো?
অনুঃ জানি নাহ।
ডাইনাঃ তোর মিনিস্টেশন হয়েছে নাকি।
প্রিয়াঃ রাইট এটাই হবে।
অনুঃ কয়দিন আগে হয়েছে এখন কেন বেথ্যা করছে কে যানে।
প্রিয়াঃ মেডিসিন খেয়েছিলি।

অনুঃ এইরেহ এটাই তোহ মনে নাই।
প্রিয়াঃ তোকে তোহ আমি বই হাতে নিয়েই দৌড়।
অনুঃ আমি আর এমন করবো নাহ মাপ কর।
ডাইনাঃ তোরা কিহ থামবি আমি দৌড়াতে পারছি নাহ আর।
প্রিয়াঃ হাতির ছোট বাচ্চা আর কতো দৌড়াবি।
অনুঃ দৌড়াতে দৌড়াতে ঠাস করে পরে গেলো একটা ছেলের উপরে সরি ভাই।
সাহেরিয়া : হু দা হেলার ইউ মেন?
অনুঃ সরি আসলে দেখি নিহ।

সাহেরিয়া : এডবার্ট তুই ঠিক আছিস।
এডবার্টঃ ইয়েস আই এম ফাইন হু আর ইউ?
অনুঃ ডোন্ট মাইন্ড আই এম এক্সপ্রেমলি সরি ।
এডবার্টঃ যেহ হাত তুলে চড় দিতে যাবে।
প্রিয়াঃ হেই মিস্টার ওকে চড় দিচ্ছেন কেনো?

এডবার্টঃ আপনার বান্ধবিকে সাবধানে থাকতে বলুন পরবর্তিতে যদি ওনাকে আমি সামনে দেখি তোহ ওখানেই শেষ করে দিবো।

অনুঃ আপনাকে ভয় পাই নাহ আমি সরি বলার পরেও আমাকে চড় মারার জন্য হাত তুলা এর প্রতিশোধ আমি নিবোই।
এডবার্টঃ রিয়েলি লিটিল গার্ল্স।
অনুঃ পা মধ্যে একটা পাড়া মেরে সেখান থেকে ডাইনা প্রিয়াকে নিয়ে ক্যেন্টিনে বসে খাবার খেতে লাগলো।
প্রিয়াঃ কিরে তুই এরকম ফুলে আছিস কেনো?
অনুঃ খাবার খাচ্ছেই?
প্রিয়াঃ পানি খাহ।

অনুঃ আমাকে চড় মারতে চাইছিলো এগুলা কে আমাকে জানতে হবে।
ডাইনাঃ তার জন্য আমাদের লাইব্রিতে যেতে হবে শুনেছি ওই ছেলে দুটো এই ভার্সিটির নিউ স্টুডেন্ট তবে যতদুর শুনেছি তাদের একটা বাংলো আছে তবে সেটা কোথাই সেটা কেও বলতে পারবে নাহ আগে চল দেখে আসি।

প্রিয়াঃ আমি যাবো নাহ সাহারিয়া ছেলেটার চেহাড়াটা কেমন ভংকর মনে হলো। কিভাবে অদ্ধভুত ভাবে তাকিয়ে ছিলো।
অনুঃ তুই যাবি নাকি যাবি নাহ কোনটা।
প্রিয়াঃ তোর জন্যই যাইতে হবো চল পরে তুই কিছু করে বসলে আন্কেল আন্টি আমাকে পেটাবে।
অনু : ডাইনা দেখ তোর বিএফ।

ডাইনাঃ তোরা যাহ আমি ঘুরতে যাবো ওর সাথে।
প্রিয়াঃ তুই কিহ যাবি।
অনুঃ ওইতো বসে আছে পাসের টেবিলে বসি তার আগে একটা বুকস্ নিয়ে নেই।
প্রিয়াঃ অনু আমার নাহ কেমন ভয় করছে।
অনুঃ কিসের ভয়।

প্রিয়াঃ ছেলে গুলা কেমন যানি সান্গ্লাস পরে আছে ঘরের ভিতরে।
অনুঃ আমি আগে জানতাম ভিতু এখন তুই যেহ চুহা বের হবি জানতাম নাহ।
এডবার্টঃ অনু কথা শুনে কড়া চোখে তাকিয়ে আছে মনে হচ্ছে এখনি ধংশ করে ফেলবে চোখ দিয়ে।
সাহারিয়াঃ এভাবে তাকিয়ে থাকিস নাহ মেয়েটা ভয় পাবে।

এডভার্টঃ মেয়েটাকে এখনি আমার পাশে থেকে সড়া ওর অস্তিত্ব আমি সৌইয্য করতে পারছি নাহ আমার খুব রাগ হচ্ছে আমি ওকে শেষ করে দিবো।
সাহারিয়াঃ রাগটাকে কন্ট্রোল করো নাহ হলে তুমি তুমার হাড়িয়ে যাওয়া সব শক্তি ফিরে পাবে নাহ।
অনুঃ কিরে কিহ দেখিস।

প্রিয়াঃ অনু তুই আমার সাথে চল এখনি।
অনুঃ কোথাই যাচ্ছি।
প্রিয়াঃ ড্রাইভার গাড়ি চালাও।
অনুঃ কোথাই যাবো।
প্রিয়াঃ কিছু জানার আছে।

অনুঃ প্রিয়ার সাথে একটা পুরনো বাংলাই গেলো যেখানে অনেক ধরনের বই রাখা আছে।
প্রিয়াঃ অনেক খুজে ভাম্পায়ারদের বই খুজে পেলো।
অনুঃ এটা কিহ বই।
প্রিয়াঃ অনু তোর হাতটা এটার ভিতরে রাখ।
অনুঃ কেনো রাখবো।

প্রিয়াঃ আগে রাখ।
অনুঃ হাত রাখার সাথে সাথেই ছিটকে দেওয়ালের ওই পারে পরে গেলো।
প্রিয়াঃ অনু আমাকে মাপ করে দিস তবে তোর সেফ্টির জন্য এটা আমাকে করতেই হলো সে তোকে খোজে পেয়ে গেছে বহু যুগের হিংসা ফিরে এসেছে।

অনুঃ আমি এটা কোথাই এলাম প্রিয়া দরজাটা খুল প্রিয়া।
প্রিয়াঃ আমাকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এটা অনুর বাবাকে জানাতেই হবে এটা বলে সে খান থেকে বের হয়ে যাই।
অনুঃ কিসের মধ্যে ফেসে গেলাম এখন কেমনটা লাগে দেখি এখানে কেও আছে কিহ নাহ।
প্রিয়াঃ একি তুমরা এখানে।
এডবার্ডঃ কোথাই লুকিয়ে রেখেছিস ওকে?
প্রিয়াঃ আমি বলবো নাহ।
এডবার্ডঃ মরতে যদি নাহ চাস বলে দেহ?
প্রিয়াঃ আমি বলবো নাহ।

সাহারিয়াঃ নেকড়ে রূপে এসে প্রিয়ার উপরে আক্রমন করে।
প্রিয়াঃ পারবি নাহ আমাকে মারতে কারন আমার তোহ দেহ নেই।
এডবার্ডঃ তোকে মারতে নই পারি তোকে বন্ধি করতে তোহ পারবো সাহেরিয়া সাহি বোলটা দাও সেটার তরল ওর উপরে ছড়িয়ে এবার দেখবো কিভাবে ওন নাহ বলে থাকে।
অনুঃ এই রুমটা এতো অন্ধকার কেনো কেহ যানে অনু হাটার সময় হোচট খেয়ে একটা কিছুর উপরে পড়লো।

প্রিয়াঃ অনু তুমি এসেছো?
অনুঃ প্রিয়া কন্ঠ নাহ আহ এটা কিহ আহ কেও হেল্প করো একদম আমার কাছে আসবে নাহ আহ। প্রিয়ার বডি অনুর বডিটা কফিন থেকে উঠে হেটে হেটে অনুর আত্তাহর দিকে আসছিলো।
প্রিয়া : অনু আমাকে বাচাঁ আমাকে নিয়ে যাচ্ছে।
অনুঃ কিহ হচ্ছে আহ বলে নিচে পড়ে গেলো?
প্রিয়াঃ অনু এই অনু উঠ আর কতো ঘুমাবি অনু তোর জ্বর উঠলো কিভাবে?
অনুঃ প্রিয়া আমি ভংকর স্বপ্ন দেখেছি।

প্রিয়াঃ তখন যে তুই লাইব্রিতে বসে সেন্স হাড়ালি কিহ হয়েছিলো তোর কিহ স্বপ্ন দেখলি।
অনুঃ আচ্ছা প্রিয়া তুই কিহ ভাম্পায়ার কিংবা নেকড়ে এই সম্পর্কে কোন গল্প পড়েছিস। ওগুলো কিহ আছে।
প্রিয়াঃ তোর মাথা গেছে এসব গল্প শুধু বই হয় এগুলো গল্প ছাড়া কিছু নাহ।
অনুঃ গল্প এটা যদি সত্যিই হয়।

প্রিয়াঃ তুই জুস্ খাহ আমি টিভি ওন করছি?
অনুঃ প্রিয়া আরেক গ্লাস এনে দেহ?
প্রিয়াঃ আমি আর পারবো নাহ পুরা ৫০ টাহ গ্লাস জুস খাওয়াইছি।
অনুঃ পানির তিপাশাটা মিটলো নাহ।
প্রিয়াঃ তুই নিশ্চই পাগল হয়ে গেছিস।
অনুঃ পানির তেষ্টা মিঠছেই নাহ।

প্রিয়াঃ আমি শুনেছি ভাম্পায়ার রাহ নাকি পানি খেলে তেষ্টা মিটে নাহ তুই তোহ ভাম্পায়ার হয়ে যাস নিহ।
অনুঃ এটা কিহ বলিস আমি কিন্তু কানবো এখন।
প্রিয়াঃ হাহাহাহাহাহা মজা করলাম।
অনুঃ তবে রেহ।

প্রিয়াঃ এই দাড়া নিউজে কিহ দেখাচ্ছে।
অনুঃ হাজার বছর আগের দুইটা মমি পাওয়া গিয়েছে গবেষকরাহ সেটা নিয়েই গবেষনা করবে আরো যানা গেছে সামনে পূর্নিমাই এরা জিবন্ত হয়ে যাবে এবং যাদের কামড় দিবে তারা ওদের মতো হয়ে যাবে অনু প্রিয়া দিকে তাকিয়ে দেও একটা হাসি।
প্রিয়াঃ টিভি নিউজার নাহ।।

অনুঃ যাই বলিস মমি গুলো কিন্তু সুন্দর দেখতে।
প্রিয়াঃ মমির কথাই মনে পরলো আজকে আন্কেল আন্টি আসবে এই বাড়িতে।
অনুঃ ভালোই তোহ।
প্রিয়াঃ সারা ঘড় পরিষ্কার করতে হবে সাহায্য করবি ইকটু।
অনুঃ ওকে করবো চল।
প্রিয়াঃ এই নেহ ঝাড়ু।


পর্ব ২

অনুঃ মার ঝাড়ু মার ঝাড়ু মেরে ঝেটিয়ে বিদাই কর। আই এম ডিসকো ডেন্সার ঝাড়ু দিয়ে সাড়াই গাড়ির পান্চার আমিযে ডিসকো ডেন্সার।

প্রিয়াঃ অনু তুই থামবি এভাবে চিৎকার করছিস কেনো জঙ্গলের সব পশুপাখি এসে আমাদের মারবে।
অনুঃ প্রিয়া পশুপাখির তোহ হাত পা নাই।

প্রিয়াঃ সিং আছে যেটা দিয়ে তোকে গুতাবে।
অনুঃ নাহ আমি আর চিৎকার করে গান গামু নাহ।।
প্রিয়াঃ হুম যাহ এগুলো স্টোর রুমে ফেল আস ঠিক আছে।
অনুঃ ওকে।

প্রিয়াঃ সব ঠিক করে ফ্রেশ হতে গেলো।
অনুঃ স্টোর রুমে সব রেখে যেহ পিছনে ঘুড়বে দাড়াম করে দরজাটা বন্ধ হয়ে গেলো অনু দরজার কাছে গিয়া দরজা ধাক্কাতে লাগলো প্রিয়া মজা করবি নাহ তুই ভালো করেই জানিষ আমি অন্ধকারে ভয় পাই দরজাটা খুল প্রিয়া।

প্রিয়াঃ এই অনুটা আবার কই গেলো তখনি একটা মেসেজ এলো অনু ইকটু বাহিরে গেছে তাই প্রিয়া সেটা মনে করেই অনুকে খুজে নিহ।
অনুঃ প্রিয়া দরজাটা খুল আমার খুব ভয় করছে এখানে ভংকর শব্দ আসছে ভেসে।
এডভার্টঃ এবার বুঝবে অন্ধকারের থাকতে কেমন লাগে।
অনুঃ তেলাপুকা, টিকটিকি আহ।

এডভার্টঃ কাজ হয়ে গেছে সাহারিয়া দরজাটা খুলে দাও এবং চলো এখান থেকে ওরা সাথে সাথে একজন পাখি এবং একজন ছোট প্রানি রূপ ধারন করলো।
প্রিয়াঃ আমার একটা জিনিষ অনুকে স্টোর রুমে রেখে আসতে দিয়েছিলাম যাই ওটা নিয়ে আসি একি অনু কিরে তুই এখানে পড়ে আছিস কেনো।

অনুঃ প্রিয়া আমার সাথে এমন মজা কেনো করলি তুই জানিষ নাহ অন্ধকারে আমি ভয় পাই।
প্রিয়াঃ আমি তোহ স্টোর রুমের কাছেই আসি নাহ আমি কিহ করলাম।
অনুঃ জানিষ কেহ যেনো দরজা বন্ধ করে দিছিলো আমার সারাশরিলে কেও তেলাপুকা টিকটিকি ছেড়ে দিছিল।

প্রিয়াঃ কিহ।
অনুঃ এই দেখ এখানে কামড়িয়েছে ।
প্রিয়াঃ কিছুই দেখতে পেলো নাহ কই।
অনুঃ আমার সারাসড়িলে দেখ।
প্রিয়াঃ মজা করা বন্ধ কর।
অনুঃ কয়টা বাজে।
প্রিয়াঃ অনেক রাত হয়েছে আন্কেল আন্টিও এসে গেছে তারা ডাইনিং রুমে আছে চল ফ্রেস হয়ে ডাইনিং আয়।

অনুঃ কি যে হচ্ছে।
প্রিয়াঃ কিরে আয়।
প্রিয়ার ডেডঃ হ্যেলো লিটিল প্রিন্সেস।
প্রিয়াঃ ডেড তুমরা কখন এলে।
অনু ডেডঃ কেন তুমরা দুজন একা থাকো তুমাদের দেখতে আমরা এসে গেছি আজকে থেকে আমরা সবাই এক সাথে থাকবো প্রিয়া খাবার পরে ইকটু দেখা করো আমাদের সাথে।
অনুঃ হ্যালো ডেড হ্য্যলো মম আন্টি আন্কেল আপনারা কখন আসলেন।
প্রিয়ার ডেডঃ এইতো মামুনি মাএ আসলাম।
অনুঃ আন্কেল আমার চকলেট এনেছো।

প্রিয়াঃ শুরু হলো চকলেট আমার কাছে আছে তুই পাবি নাহ।
অনুঃ তুই দিবি নাকি বল।
প্রিয়াঃ খাবার শেষ কর পরে দিবো।
অনুঃ সাচ্ দিবি তোহ।
প্রিয়াঃ দিবো আগে খাবার কম্প্লিট কর।
অনু মম : দেখেছেন আপু আমরা নাহ থাকলেও আমাদের চিন্তা নাই মায়ের মতো শাসন খিয়াল রাখার জন্য প্রিয়া আছেই।

প্রিয়া মম : মটেও নাহ আমাদের অনু মা ওকে দেখে রাখবে সারাজিবন বুঝলেন ওরা তোহ এই জন্মের বন্ধু নাহ হাজার জন্মের বলে থেমে যাই সবার খাওয়া বন্ধ করে তার দিকে তাকাই।
অনুঃ কিহ ব্যেপার তুমরা ওভাবে তাকিয়ে আছো কেনো আন্টির দিকে।
প্রিয়াঃ কিছু নাহ তোর খাওয়া শেষ নাহ চল ঘুমাতে হবে পড়াশুনা তোহ করেই রেখেছিস।
অনুঃ আমার তোহ মনেই নাই একটা কাজ করতে হবে তুমরা বসো কাল কথা হবে।
প্রিয়াঃ তুই।

অনুর ডেড : কোথাই গেলো।
প্রিয়াঃ আন্কেল ওহ কাটুন দেখতে গেলো রাতে কার্টুন দেখে আর আমাকে কার্টুনের মতো ভয় দেখাতে আসে।
প্রিয়ার ডেডঃ হাহাহাহাহাহা তোরা পারিস।

অনু ডেডঃ তুমাদের যে জন্য ডেকেছি তুমাদের মনে আছে নিশ্চই সামনে পূর্নিমার কথা তুমাদের তার আগেই তুমাদের দেহের ভিতরে প্রবেশ করতে হবে তাহ নাহ হলে ভংকর বিপদ নেমে আসতে পারে।
প্রিয়াঃ কিন্তু এটা কিভাবে সম্ভব এখনো অনুর কিছু মনে পড়ছে নাহ।
প্রিয়ার ডেডঃ আমি জাদু শক্তি ধারা জানতে পেরেছি তারা এই শহড়ে এখানেই আছে তাদের থেকে তুমাদের সাবধানে থাকতে হবে।
প্রিয়াঃ আমরা তাদের কিভাবে চিনবো।

অনু ডেডঃ ওদের চোখে নিল এবং রক্ত বর্ন দেখা যাবে।
প্রিয়াঃ কিন্তু এরকম কাওকে এখন দেখি নিহ তবে সেদিন অনু এটা বলছিলো।
অনু ডেডঃ বিষয়টা ভেবে দেখতে হবে।

প্রিয়াঃ কিন্তু আঙ্কেল ওর তোহ ২৮ বছর হয়ে গেছে এখনো মনে কেনো পড়ছে নাহ।
অনু ডেডঃ ওর ২৯ তম জন্মদিনে ওকে সব মনে কড়াতে হবে তুমরা কালকের জন্য সকল প্রস্তুতি নাও আর প্রিয়া তুমার উপরে আরেকটা দায়িত্ব আছে অনু এই শক্তির সাথে পরিচিত নয়ই যখন ওর ভিতরে শক্তি জাগ্রতো হবে তখন ওহ ওনেক হিংস্রো হয়ে যাবে তখন ওকে সামলানোর দায়িত্ব তুমার হিতে হবে তুমি পারবে তুমার শক্তি ধারা ওকে বশে আনতে তবে এই লকেটা ওকে পড়িয়ে দিতে হবে তুমাকে নাহ হলে তুমার উপরে হিংস্রো আক্রমন হতে পারে ওর একটা বিশেষ শক্তি থাকবে যেটা ধারা ওহ আরো হিংস্রো হয়ে যাবে তুমার শড়িলের গন্ধ পেলে তুমাকে আক্রোমন করবে তুমি এটা
পড়ে নাও যাতে তুমার ক্ষতি করতে নাহ পারে।

প্রিয়াঃ এই বিষয়টা নিয়ে ভাবেন নাহহ আপনি।
অনুঃ প্রিয়া কই তুই।।
প্রিয়াঃ আমি আসছি এখনি।
অনুঃ যাই কফি হাতে নিয়ে বেলকোনিতে দাড়িয়ে আছে কফি খাচ্ছে জঙ্গলের দূরে আলো জ্বলছে ওহ মনে করে কেও হয়তো পথ হাড়িয়ে ফেলেছে তাই ওহ ঘর থেকে বের হয়ে সেখানে যাওয়ার জন্য বের হয়।
একটা নেকড়ে তখন তার আসল রূপ ধারন করছিলো।

অনুঃ এই প্রানিটা এই ছেলেটার উপর কেনো আক্রোমন করছে।
নেকড়ে : এডভার্ট তুই রেডি আছিস তোহ।
এডভার্টঃ তুই আক্রমন কর।

অনুঃ মেরে ফেলবে ছেলেটাকে কিহ করি এখন এইতো হাতের টর্চটা ওদিকে ধরি হয়তো জন্তুটা পালিয়ে যাবে।
নেকড়ে : তখন ছেড়ে অদৃশ্য হয়ে গেলো।
অনুঃ একি আপনি এখানে এতো রাতে জঙ্গলে কিহ করছেন আপনার অবস্থাতো সুবিধার নাহ উঠতে পারবেন তোহ আমার বাড়ি সামনেই চলুন।
এডভার্টঃ নিয়ে চলো আমাকে তুমি আমাকে নিয়ে যাচ্ছো এখন আমি নিহ চাইলে তুমি তুমার দেহতে ফিরতে পারবে নাহ।

অনুঃ প্রিয়া, ডেড, আন্কেল তুমরা কোথাই?
প্রিয়াঃ এডভার্ট এই অবস্থায় কেনো?
অনুঃ একটা জন্তু আক্রোমন করেছিলো আমি দেখে নিয়ে আসলাম চল ওনাকে ভিতরে নিয়ে বেন্ডিজ করে দেই।

প্রিয়াঃ ওকে কোথাই রাখবি এখানে তোহ রুম ৪ টা।
অনুঃ আমাদের একটা রুম খালি করে দেহ তুই ওর কাছে থাক আমি মেডিসিন নিয়ে আসছি।
প্রিয়াঃ অনু শুন তুই বস আমি যাচ্ছি তুই খুজো হয়তো পাবি নাহ।
অনুঃ ওকে।

এডভার্টঃ মন তোহ চাচ্ছে এখনি তোর আত্তাহকে বন্ধি করে ফেলি?
অনুঃ আপনি কিহ কিছু বলছেন?
এডভার্টঃ খুবি বেথ্যা করছে ইকটু পানি খাওয়াতে পারবেন।
অনুঃ হ্যা আমি নিয়ে আসছি।
এডভার্টঃ পানি তোহ একটা বাহানা আমি তোদের সেই বই টাহ খুজবো।
প্রিয়াঃ আপনি কোথাই যাচ্ছেন।
এডভার্টঃ ওয়াসরুমে যাবো তোহ তাই।
প্রিয়াঃ ওহ ঠিক আছে।
অনুঃ কিরে কোথাই গেলো।

প্রিয়াঃ অনু সড়ে যাহ।
অনুঃ প্রিয়া তুই ঠিক আছিস।
প্রিয়াঃ ফ্যেন্টা কিভাবে পরলো।
এডভার্টঃ সিট এখনো পারলাম নাহ।
সাহারিয়াঃ আমাকে শুনতে পারছিস এডভার্ট তুই কিহ কাজটা করতে পেরেছিস।
এডভার্টঃ আমি পারি নিহ প্রথমে এই প্রিয়াকে শেষ করতে হবে।
সাহারিয়াঃ যা করার কাল করতে হবে নাহ হলে ওরা ওদের দেহে প্রবেশ করে ফেলে ওদের মারতে পারবো নাহ আমরা।

এডভার্টঃ আমি দেখছি কিহ করা যাই।
অনুঃ কিরে ওয়াসরুমে গেলো এখনো আসে নাহ কেন দরজা নক করতে যাই।
এডভার্টঃ দরজাটা এমন নরম আর শক্ত কেনো রেহ।
প্রিয়াঃ হাড়ামি সামনে তাকা।
এডভার্টঃ ওহ সরি সরি।
প্রিয়াঃ আপনি এভাবে এসেছেন কেনো।
এডভার্টঃ আসলে আমার গোছল দিতে মন চাইলো।
প্রিয়াঃ আপনার মেডিসিন।

অনুঃ আপনি থাকুন আমরা আসছি।
এডভার্টঃ সাহারিয়া একটা প্লেন করছি?
সাহারিয়াঃ কিহ বলিস এটা সম্ভব নাহ।
এডভার্টঃ সম্ভব তুই কালকে থেকেই প্রিয়াকে বসে আনতে শুরু কর ওকে দিয়েই অনুকে মারতে হবে।
সাহারিয়াঃ কিন্তু প্রিয়ার শক্তির কাছে আমার শক্তি দাড়াবে নাহ।
এডভার্টঃ তোর মনে আছে তোহ আমাদের একটা বিশেষ শক্তি আছে আমরা ওদের বশে করতে পারবো।
সাহারিয়াঃ আমি আসছি।

এডভার্টঃ তুই তোর আসল রূপে আসিস নাহ কারন তোর শরিলের গন্ধ প্রিয়া টের পেয়ে যাবে।
সাহারিয়াঃ তুই বাহিড়ে থাক আমি সেখানেই।
এডভার্টঃ ওদের সাথে দেখা করা যাবে নাহ।
সাহারিয়াঃ মনে হচ্ছে কেও আসছে।


পর্ব ৩

প্রিয়াঃ অনু তোর কিহ কিছু হয়েছে।
অনুঃ এডভার্ট কে দেখার পরে থেকেই নাহ ওকে ভালোলাগতে শুরু করেছে।
প্রিয়াঃ মজা করিস কেন।
অনুঃ নাহ সত্যিই।
প্রিয়াঃ এটা সম্ভব নাহ।
অনুঃ কেনো সম্ভব নাহ।
প্রিয়াঃ এমনি।
অনুঃ ঘুমিয়ে পর।

প্রিয়াঃ কালকে অনু শক্তি প্রকাশ পাবে কিন্তু তার আগে যদি কেও ওর আত্তাহকে বসে করে নেই নাহ এই লকেটা আমার থেকে ওর প্রয়োজন লকেটা ওকে পড়িয়ে দিলো।
এডভার্টঃ কাজ শুরু হয়ে গেছে তুই তোর শক্তি দিয়ে প্রিয়াকে ডেকে আন এখানে।
সাহারিয়াঃ প্রিয়া আমার কাছে আসো আমি ডাকছি।
প্রিয়াঃ উঠে বসে দরজা খুলে বের হয়।
অনুঃ এতো রাতে প্রিয়া কোথাই যাচ্ছে।

সাহারিয়াঃ প্রিয়া তাড়াতাড়ি আসো।
অনুঃ প্রিয়া প্রিয়া দাড়া কোথাই যাচ্ছিস।
সাহারিয়াঃ প্রিয়া তুমি অনুকে মারতে থাকো।
অনুঃ প্রিয়া তুই এভাবে এগিয়ে আসছিস কেনো।
প্রিয়াঃ চাকুটা নিয়ে অনুর পেটে ডুকিয়ে দিলো।

অনুঃ প্রিয়া এটা কিহ করলি এটা বলে ওর হাতটা বাড়িয়ে দিলো প্রিয়ার হাতে লাগতেই প্রিয়ার ওপর থেকে জাদু চলে গেলো প্রিয়া নিচে পড়ে গেলো।
সাহারিয়াঃ দূরে পরে গেলো।
এডভার্টঃ কিহ হয়েছে তোর।
সাহারিয়াঃ অনু প্রিয়াকে বেচিয়ে দিলো।
এডভার্টঃ এই অনুটাকে মেরে ফেলতে হবে যেকোন ভাবে।
সাহারিয়াঃ অন্য প্লেন করতে হবে।

অনুঃ প্রিয়া আহ প্রিয়া উঠ প্রিয়াকে কোলে তুলে রুমে নিয়ে গেলো মম ডেড আন্কেল আন্টি।
প্রিয়ার ডেডঃ কিহ হয়েছে মামুনি।
অনুঃ সে পড়ে গেলো নিচে।
প্রিয়ার ডেডঃ কিহ হয়েছে তুমার।
অনুঃ আঙ্কেল আমাকে নিয়ে ভাবেন নাহ আগে প্রিয়াকে দেখুন ওহ ঠিক আছে কিহ নাহ। অনু পরে গেলো ফ্লোরে।

প্রিয়ার ডেডঃ অনু দাদা আপনি প্রিয়াকে দেখুন আমি অনু মা কে দেখছি দেখে মনে হচ্ছে নেকড়েদের বিষাক্ত লালা যুক্ত কিছু দিয়ে ওকে আঘাত করেছে আমি আমার সব শক্তি দিয়ে অনুর পেটের ক্ষত টাহ ঠিক করছি কিন্তু প্রিয়ার সেন্স ফিরাটা খুবি দরকার তাহ নাহ হলে অনুর শরিলে প্রানসন্চর করা সম্ভব নাহ।
অনু ডেডঃ নিজের ভাম্পায়ার শক্তিকে আহব্বান করলো সেটা আকাশ থেকে একটা বৃষ্টির ফোটা পরলো প্রিয়ার ওপরে প্রিয়ার সেন্স ফিরে আসলো।

প্রিয়াঃ আহ আমি এখানে কিহ হয়েছে আন্কেল আপনার মুখটা এমন দেখাচ্ছে কেনো।
অনু ডেডঃ মা বলেই কাদঁতে থাকে।
প্রিয়াঃ কিহ হয়েছে আঙ্কেল।

অনু ডেডঃ রাতের সব ঘটনা বলো।
প্রিয়াঃ অনু এই ওঠ নাহ অনু একবার তাকা আমার দিকে আপনারা ইকটু বাহিরে যান আমি আমার শক্তি দিয়ে ওকে যাগ্রোতোহ করছি।
প্রিয়ার মম : অনুকে তোর শক্তির অর্ধেক দিতে হবে।
প্রিয়াঃ কিছু হবে নাহ এতে।
প্রিয়ার মম : আমরা বাহিড়ে যাচ্ছি।

প্রিয়াঃ আমি আহব্বান করছি নেকড়ে শক্তিকে আমার সামনে হাজির হও আমার প্রান শক্তির অর্ধেক অনুকে দাও সাথে সাথে একটা আলো জ্বলতে থাকে ওর ভিতরের তিনটা নেকড়ে আত্তাহ বের হয়ে অনুর শরিলে প্রবেশ করে অনু হাওয়াই ভাসতে থাকে নেকড়ে আত্তাহ গুলো ওর রগের ভিতর দিয়ে ডুকে ওর মাথাই গিয়ে ওর সৃতিকে যাগ্রোত করে ওর সে সব চোখের সামনে ভেসে ওঠে সেটা ১৬ শো বছর আগে ঘটেছে।

১৬৫০ সাল আগের কথা…

ভাম্পায়ার রাজ্যে এবং নেকড়ে রাজ্যে, তখন শএুতার সম্পর্ক। সেই রাজ্যের রাজা ছিলো এডলার্ড তার একমাএ ভাই ছিলো ওডবার্র, একবার এডলার্ড এবং ওডবার্র দুজন জঙ্গলে শিকার করতে বের হয়েছিলো। ওরা ভাম্পায়ার ছিলো খুবি দ্রুতো পানি ওর প্রানিদের রক্ত খেয়ে সেই প্রানিটাকে ফেলে আসতো তাদের মধ্যে এডলার্ড খুবি ভংকরি এবং অত্যাচারি রাজা ছিলেন তিনি তার বৌ কে মেরে ফেলেছিলেন তার কথা নাহ শুনাই তার একটা মাএ ছেলে ছিলো যার নাম এডভার্ট।

ছেলেকে সে প্রচুর ভালোবাসতো। একদিন এডভার্ট ছোট ভাই ওডলার্র একাই গভির জঙ্গলে শিকাড় করতে যাই সেদিন কোন শিকার নাহ পেয়ে ফিরে আসার সময় দেখতে পাই একটা নেকড়ে চেষ্টা করছে একটা মেয়েকে বাচাঁনোর। ওডলার্র প্রচন্ড দয়াশালী ছিলো সে নেকরে টাকে সড়িয়ে মেয়েটাকে উদ্ধার করে তখন নেকড়েটা মানুষ রূপে ফিরে আসে।

ওডলার্র আপনারা কারা এই গভির জঙ্গলে কিহ করছেন। নেকড়েটি পরিচয় দিলো আমি ডোরানা নেকড়ে রাজ্যের রাজকুমার এহ হচ্ছে আমার বোন ডাইয়ানা আমার ভাই ডাইয়ানাকে মারার জন্য এখানে ফেলে গেছে। আপনাকে ধন্যবাদ ওকে বাচাঁনোর জন্য তবে আপনাকে চিনতে পারলাম নাহ আপনি কেহ এই ভয়ানক জঙ্গলে। আমার পরিচয় আমি ভাম্পায়ার রাজ্যের রাজা এডর্লাডের ছোট ভাই ওডলার্র আমি এখানে শিকারে এসেছিলাম শিকার নাহ পেয়ে ফেরত চলে যাচ্ছিলাম তখনি আপনাদের চিৎকার শুনে এখানে আসি। আপনি আমাদের মেরে ফেলবেন নাহ তোহ।

ওডলার্র নিশ্চিন্তে থাকুর আমি মাংশাসি প্রানি নই আমি জানতাম আপনারা নেকড়ে তবুও সাহায্য করেছি আমি কিহ আপনাদের বন্ধু হতে পারি। ডোরানা ধন্যবাদ আপনার মতো একজন কেহ বন্ধু হিসাবে পাওয়াটা অনেক ভাইগ্যের ব্যেপার আমি চাই আপনি আমার বোনকে বিয়ে করুন। ওডলার্র ঠিক আছে আমি ওনাকে বিয়ে করবো কিন্তু তার আগে তাকে আমি একটা জিনিষ দিবো যেটা ওনাকে পরে থাকতে হবে ওনার শরিলের গন্ধ আমার ভাই পেলে ওকে মেরে ফেলতে পারে। ডোরানা তার শক্তিকে আহব্বান করে একটা লকেট ওকে পড়িয়ে দিলো ডোরানাকে বিদাই জানিয়ে ডাইয়ানা কে নিয়ে রাজ্যের উদ্দেশ্যে রৌনা দিলো।

যখন এই কথাটা এডলার্ড জানতে পারলো তার ভাই বিয়ে করেছে তখন সে এটা মানতে পারলো নাহ। তবে সে মনে মনে ফন্দি করতে লাগলো তার ভাই এবং ভাইয়ের বৌকে কিভাবে হত্যা করা যাই। তখনি ভবিষ্যৎ বানি হলো তার ছোট ভাইয়ের মেয়ে যখন ১৮ বছর হবে তখনি ওর শক্তি দ্বিগুন হয়ে যাবে তখন যদি এডভার্ট হাতে মেয়েটাকে মেরে ফেলা যাই তবে সব শক্তির উওর আধিকারি এডভার্ট হবে মূর্খ রাজা সেটা ভেবেই বসে থাকলেন কিন্তু সে জানে নাহ তার এই কথাটা আরেকজন শুনে ফেলেছে।

এদিকে ডোরানা বিয়ে করেছে তার একটি কন্যা শন্তান আছে যার নাম প্রিয়া। নেকড়ে দের মধ্যে সব থেকে শক্তিশালি সে তার শক্তির কাছে কোন নেকড়ে কাবুতে থাকবে নাহ কিন্তু তার একটি দুর্বলতা ছিলো যেটা হলো ভাম্পায়ার রাজকুমারি অনু। প্রিয়া অনুকে নিজের বোনের থেকে বেশি ভালোবাসতো এই কথাটি কিভাবে যেনো নেকড়ে রাজ্যের রাজা ডোমান জানতে পারে। যিনি ছিলেন প্রিয়ার কাকা। প্রিয়ার কাকা এরকটা ছেলে ছিলো যার নাম শাহারিয়া সব মেয়েদের নিয়ে সে নোংরামো করতো কিন্তু প্রিয়ার সাথে কথা বলতে গেলেই সে অন্যরকম হয়ে যেতো।

শাহারিয়াঃ মদ খেয়ে প্রিয়ার রুমে যাই?
প্রিয়াঃ তখন গোছল করে আয়নার সামনে দাড়িয়ে ছিলো।
শাহারিয়াঃ পিছন থেকে প্রিয়াকে জড়িয়ে ধরে।
প্রিয়াঃ তার জাদু ধারা শাহারিয়াকে দূরে ফেলে দেই।

শাহারিয়াঃ ধাক্কা খেয়ে নিচে পড়ে যাই অনেকটা আঘাত লাগে সে সেখানে পড়ে থাকে।
প্রিয়াঃ অনেখন তাকিয়ে যখন শাহারিয়াকে নড়তে দেখে নাহ সে তখন সে শাহারিয়ার কাছে যাই লখো করে শাহারিয়ার মাথাই কিছু কাচ লেগে আছে।
শাহারিয়াঃ হাতটা দিয়ে প্রিয়ার গলা চেপে ধরে বিছানাই ধরে রাখে কিহ ভেবেছিস মরে যাবো নাহ এতো সহজে মরবো নাহ এখন তোহ তোকে ভোগ করা বাকি আছে।
প্রিয়াঃ ওর হাত দিয়ে ধাক্কা দিয়ে শাহারিয়াকে জাদু ধারা আটকে দেই।
শাহারিয়াঃ ছাড় আমাকে আমি চিৎকার করবো।

প্রিয়াঃ তুই হয়তো ভুলে গেছিস আমি নেকড়ে রাজকুমারী তোকে আমি চাইলে এখনি শেষ করে দিতে পারি তুই এই রাজার ছেলে দেখে মারছি নাহ আরেকবার যদি আসি তবে তকে এখানে মেরে ফেলবো যাহ।
শাহারিয়াঃ কাজটা তুই ভালো করলি নাহ।
প্রিয়াঃ দরজাটা আটকে দিলো।
শাহারিয়াঃ এর প্রতিশোধ আমি নিবোই।
এডভার্টঃ অনু এই অনু কোথাই তুই।
অনুঃ জ্বি ভাইয়া ডেকেছিলে আমাকে।

এডভার্টঃ চুলের মুঠি ধরে বলে তোকে কতোবার বলেছি আমাকে ভাইয়া বলে ডাকবি নাহ তুই আমার দাসি দাসির মতো আমাকে রাজকুমার বলে ডাকবি।
অনুঃ আহ ভাইয়া লাগছে।
এডভার্ডঃ কিহ বলি আবার বল?
অনুঃ রাজকুমার আমাকে ছেড়েদিন।
এডভার্টঃ যাহ ছেড়ে দিলাম ধাক্কা দিয়ে।

অনুঃ রাজকুমার আপনি কেনো ডেকেছেন আমাকে।
এডভার্টঃ আমার মাথাটা প্রচুর যন্ত্রনা করছে তুই আমার মাথাটা টিপে দেহ।
অনুঃ মাথাটা টিপে দেই।

এডভার্টঃ অনুর উপরে ঝাপিয়ে পরে অনুর সাথে জোড় করে শারিরিক সম্পর্ক করে অনু কে রুম থেকে বের করে দেই।
অনুঃ ওর নিজের রুমে এসে কাদতেঁ থাকে এটা প্রতিদিনের রুটিন এরকম অত্যাচার প্রতিদিন ওর ওপরে করে এডভার্ট নড়খাদকদের মতো প্রতিদিন কোথাও নাহ কোথাও এভাবে কামড়ে দেই এতে অনুর কিছু নাহ হলেও ব্যেথ্যা করে।
ওডলার্রঃ মা তুই ঠিক আছিস।
অনুঃ চোখের পানি মুছে ওর বাবাকে জড়িয়ে ধরে।

ডাইয়েনাঃ আমার মেয়েটাকে আর কতো কষ্ট সৌইয্যো করতে হবে বলতে পারো প্রতিদিন ওর সাথে তুমার ভাইয়ের ছেলে ছিহ বলতে ঘৃনা লাগছে চলো আমরা এখান থেকে চলে যাবো আমার এই কষ্ট আর দেখতে পারছি নাহ তিলে তিলে আমার মেয়েটাকে মেরে খুবলে খাচ্ছে।

অনুঃ তুমরা কেদোঁ নাহ এগুলো ভুলেও প্রিয়াকে বলো নাহ এডভার্ড ভাইয়া খারাপ নাহ আমি তোহ দেখি যখন ওনি আমার সাথে খারাপ করার চেষ্টা করে তখন ওনি নিজের বসে থাকে নাহ ওনার চোখ দিয়ে পানি পরে তুমরা ওনাকে খারাপ ভেবো নাহ।

এডভার্টঃ নিচে পড়ে যাই কেও ওকে বশ করেছিলো তার আগে ওর যাহ হয়েছে কিছুই মনে নেই ওহ অনুর কাছে যাওয়ার জন্য পা বাড়াই।
রাজ্যের মন্ত্রী : মহারাজ আপনাকে ডেকেছেন জুবরাজ।
এডভার্টঃ যাও আসছি।


পর্ব ৪

এডলার্ডঃ কেমন আছো রাজকুমার।
এডভার্টঃ আমি ভালো আছি আমাকে ডেকেছিলে।
এডলার্ডঃ তুমার কিহ মনে আছে সামনে পূর্নিমাই তুমাকে অনুকে মেরে ফেলতে হবে।
এডভার্টঃ বাবা এসব কিহ বলছো তুমাকে আগেও বলেছি এখনো বলছি আমি অনুকে ভালোবাসি আমি কেনো ওকে মারতে যাবো আমি পারবো নাহ আর তুমি যদি ওকে মারতে আসো তবে তুমাকে আমি ছাড়বো নাহ।
এডলার্ডঃ তুমি এটা ভুল করছো।
এডভার্টঃ অনু অনু কিহ করিস তুই।

অনুঃ কিছু নাহ ভাইয়া স
এডভার্টঃ আমার দিকে তাকা তোর জন্য একটা জিনিষ এনেছি।
অনুঃ ভাইয়া আমার এসব লাগবে নাহ তুমি ইকটু যাবে আমি রেডি হতাম।
এডভার্টঃ জড়িয়ে ধরলো আমি কোথাই জাবো হুম তোর ১৮ বছর হলে আমি তোকে বিয়ে করবো বুঝলি।
অনুঃ ভাইয়া ছাড়ো আমাকে আমি তুমাকে ভালোবাসি নাহ বিয়ে করার প্রশ্ন কোথা থেকে আসে।
এডভার্ডঃ উম্মাহ আমি জানি তুই আমাকে অনেক ভালোবাসিস।

অনুঃ আমার সাথে সব সময় এমন কেনো করো ভাইয়া জোড় জবর দোস্তি কিহ চাও তুমি তুমার শারিরিক চাহিদা এতো বেশি কেনো তুমি প্রতিদিন আমার সাথে ছিহ এসব করার পরে তুমি কেনো আসো আমার কাছে আমার তোহ সব নিয়েই নিয়েছো তবে কিসের আসাই আমার কাছে আসো মেরে ফেলতে চাও আমাকে।
এডভার্টঃ অনু তুই এভাবো কাদছিঁস কেনো কিহ হয়েছে তোর আমাকে বল।

অনুঃ ধরবে নাহ আমাকে ভাইয়া তুমি আমার সাথে অনেক খারাপ করেছো চলে যাও আমার সামনে থেকে।
এডভার্টঃ অনু আমার কথা একবার।
অনুঃ তুমি বের হয়ে যাও।
এডভার্টঃ মনের ভিতরে কষ্ট নিয়ে সেখান থেকে যেই বের হতে হবে তার কিহ যেনো হলো সে অনুর চুলের মুঠি ধরে দেওয়ালের দিকে ছুড়ে মারলো।
অনুঃ আহ কিহ করছো।

এডভার্টঃ তোকে আজ মেরেই ফেলবো তুই আমার গায়ে হাত দিয়েছিস তোর এই হাতটা আমি ভেঙ্গে গুড়িয়ে ফেলবো এটা বলে ওহ অনুর হাতটা এমন জুড়ে টান দেই ওর হাত খুলে পড়ে যাই।

অনুঃ ওনেক জুড়েই চিৎকার করে উঠে মনে হচ্ছে ওর প্রানটাকে টেনে ছিড়ে ফেলেছে।
এডভার্ডঃ সেন্স হাড়িয়ে নিচে পরে যাই এদিকে অনু কাতড়াতে থাকে এবং ভাঙ্গা হাতটা নিয়ে একটা কাচেঁর বোতলের উপরে পরে যাই।
প্রিয়াঃ অনু।

ডোরানাঃ কিরে মা এভাবে চিৎকার করে উঠলি কেনো।
প্রিয়াঃ বাবা মনে হচ্ছে অনুর কিছুর হয়েছে আমার ডান হাতে খুব জন্ত্রনা করছে বাবা তুমি এখনি এডলার্র আন্কেলকে খবর পাঠাও আমি ভাম্পায়ার রাজ্যে যাবো অনুকে দেখতে।
ডোরানাঃ আমি এখনি মাইন্ড কানেকশন করে খবর পাঠাচ্ছি।

প্রিয়াঃ রেডি হচ্ছিলো রাজকুমারিদের মতোই দেখা যাচ্ছে ওকে ওহ যখনি রথে উঠবে সেই তখনি ওর।
শাহারিয়াঃ কোথাই যাচ্ছিস তুই?
প্রিয়াঃ তোকে বলার প্রয়োজন মনে করছি নাহ আমার সামনে থেকে সর বলছি।
ডোমান : প্রিয়া আমি শুনলাম তুমি ভাম্পায়ার রাজ্যে যাচ্ছো।

প্রিয়াঃ আপনি ভুল শুনেছেন আমি জঙ্গলে শিকার করতে যাচ্ছি।
ডোমান : যদি তাই হয় তবে রাজকুমার শাহারিয়াকে তুমার সাথে নিয়ে যাও ওর ভাম্পায়ার রাজ্যে একটা দরকার আছে।

প্রিয়াঃ আমাকে ক্ষমা করবের রাজা কিন্তু আপনার এই নোংরা রাজকুমারকে আমি নিয়ে যেতে চাই নাহ।
শাহারিয়াঃ আমি তোর সাথেই যাবো তোকে আমার কোলে বসিয়ে নিয়ে যাবো।
প্রিয়াঃ আমাকে ছাড় তাহ নাহ হলে তোকে মারতে আমি বাধ্য হবো।

শাহারিয়াঃ চালাও গাড়ি আমরা ভাম্পায়ার রাজ্যে যাবো সেখানে প্রিন্স এডভার্ড আমাদের জন্য বসে আছে।
প্রিয়াঃ পায়ে থেকে ছুড়িটা বের করে যেহ শাহারিয়ার বুকে ভিতরে বিধ্য করবে তখনি দেখে মায়াবি ভাবে তাকিয়ে শাহারিয়া প্রিয়াকে দেখছে মনে হচ্ছে ওর ভিতরেই হাড়িয় যাবে।

শাহারিয়াঃ প্রিয়া জানিষ এতোদিন এতো মেয়ে দেখেছি। কিন্তু তোর মতো মেয়ে দেখি নিহ সব মেয়েরা আমাকে দেখে ভয় পাই। আমি শুধু ওদের এক রাতের জন্য ভোগ করি তারপরে ফিরেও তাকাই নাহ। কিন্তু তোর কাছে আসলে আমার যেনো কিহ হয়। আমি অন্যরকম হয়ে যাই মনে হয় তোর মাঝে হাড়িয়ে যাই। তোকে আকড়ে ধরতে চাই। তুই আমার হয়ে যাহ। আমি কথা দিচ্ছি আমি তোকে ছাড়া আর কাওকে ছুবো নাহ।

প্রিয়াঃ গলার কাছে ছুড়িটা নিয়ে বলো আমাকে ছেড়ে দেহ তাহ নাহ হলে তোকে মেরে ফেলবো।
শাহারিয়াঃ ছেড়েদিবো এক শর্তে তুই আমার কোলেই বসে থাকবি উঠবি নাহ।
প্রিয়াঃ ওকে ছাড়।

শাহারিয়াঃ গলায় এটা পরে নেহ এতে করে ওরা আমাদের শরিলের গন্ধ নিতে পারবে নাহ।
প্রিয়াঃ চোখ বন্ধ করে শাহারিয়ার বুকে মাথা দিয়ে শুয়ে রয়েছে।
শাহারিয়াঃ অনেক মেয়ের সাথে রাত কাটিয়েছি কিন্তু তোর পাশে থাকলে আমার নেশাটা লাগে নাহ কেনো বল তোহ।

প্রিয়াঃ আমার দিকে তাকিয়ে থাকিস নাহ কিছু করার চিন্তা কররিস নাহ করার।
শাহারিয়াঃ তোকে ঘুমালে একদম পরিদের মতো লাগে।
প্রিয়াঃ তোকে কতোবার বলেছি তোর ওই মুখ দেখাবি নাহ আমার সামনে কেনো আসিস আমার কাছে।
শাহারিয়াঃ আমি তোর জন্য সব করতে পারি।

প্রিয়াঃ তাহলে এই ছুড়িটা ধর আর আমাকে মেরে ফেল আমার জন্য যখন তুই সব করতে পারিস।
শাহারিয়াঃ এটা আমি পারবো নাহ।

প্রিয়াঃ যদি তুই আমাকে মেরে ফেলতে পারিস তাহলে ভাবো তুই পরিবর্তন হয়ে গেছিস।
শাহারিয়াঃ এটা কিহ বলছিস।

প্রিয়াঃ কিহ হলো আমার শক্তিকে পাওয়ার জন্যই তোহ তুই আমার সাথে ভাম্পায়ার রাজ্যে যাচ্ছিস। তুই ভালো করে জানিষ আমি আর অনুর শক্তি কাল একসাথে হবে। আর আমি জানতে পেরেছি সেদিন আমাকে আর অনুকে মেরে ফেলার চেষ্টা করা হবে সেদিনি যুদ্ধ হবে ভাম্পায়ার রাজ্যের সাথে নেকড়ে মানব রাজ্যের আমাদের মারার জন্য ভাম্পায়ার নেকড়ে রাজ্যেরি কেও হবে নেটা তুই আমাকে এখনি মেরে ফেল নাহ হলে তোকে মারতে আমার ইকটু কষ্ট হবে নাহ।

শাহারিয়াঃ তুই চাস আমি তোর জিবন থেকে সড়ে যাই আমি চলে যাবে এটা বলে শাহারিয়া ছুড়িটা নিয়ে ওর পেটে ভিতরে দিতে যাবে।

প্রিয়াঃ চাকুটা কেড়ে নিয়ে ফেলে দেই জড়িয়ে ধরে শাহারিয়াকে।

শাহারিয়াঃ আমি আর তোকে কখনো কষ্ট দিবো নাহ। ওরা এরপরে ভাম্পায়ার রাজ্যে পৌঁছে যাই সব ভালো হচ্ছিলো। অনুর ১৮ বছর হয়ে গেছে ঠিক সেদিনি ভাম্পায়ার রাজ্যের উপরে নেকড়ে আক্রোমন করে। প্রিয়া অনু অনেক চেষ্টা করে সেটা থামানুর জন্য। কিন্তু সেইটা ছিলো ওদের শেষ দিন ভাম্পায়ার রাজ্যের মন্ত্রি এবং নেকড়ে রাজের মন্ত্রি এক হয়ে ভাম্পায়ার রাজ্যের এবং নেকরে রাজ্যের রাজাদের মেরে ফেলে এবং বশ করে এডভার্ড, শাহারিয়াকে তারা অনু এবং প্রিয়ার পেটা জোড়ে আঘাত করে এবং নিচে ফেলে দেই সেখানেই প্রিয়া এবং অনুর মৃত্যু হয়। কিন্তু ওদের আত্তাহ ওদের শরিল থেকে বের হয়ে একটা ছোট্রো বাচ্চার শরিলে আস্রোয় নেই।

এডভার্ডঃ আমি অনুকে।
ভাম্পার রাজ্যের মন্ত্রি : রাজকুমার আপনি ভেঙ্গে পরবেন নাহ আপনি যানেন আপনার মাকে মেরে ফেলেছিলো আপনার চাচা আপনার বাবা কে অনু মেরে সিংহাসনে বসতে চেয়েছিলো।
এডভার্ডঃ কিহ অনু এতটা খারাপ ওকে আমরা ঘৃনা করি।
শাহারিয়াঃ আমিও ঘৃনা করি।

এভাবেই শুরু হয়।

১৬৫০ বছর পরে অনু এবং প্রিয়ার কে বড়ে করে তুলে ওদের বাবা মা তবে সেদিন যে মমি গুলো পাওয়া গেছে সেগুলো ভাম্পায়ার রাজ্য এবং নেকড়ে রাজ্যের মন্ত্রি তারা পূর্নিমাই জেগে উঠবে তার আগেই অনু প্রিয়াকে সেভ জাইগাই রেখে আসতে হবে এডভার্ড শাহারিয়াকে বশ থেকে ফিরেয়ে আনতে হবে কিন্তু সেটা এই দুইদিনের মধ্যে করতে হবে তাহ নাহ হলে ওরা মমের পুতুলে পরিনতো হবে আর মমি গুলো জাগ্রোত হয়ে যাবে।


পর্ব ৫ (অন্তিম)

প্রিয়াঃ এখনি এডভার্ডকে খুজতে হবে।
অনুঃ কেমন যেনো লাগছে আমার।
প্রিয়ার ডেডঃ অনুর শক্তি জাগ্রোত হওয়ে করেছে।
প্রিয়াঃ আমি এখনি দেখছি।
অনু : ঘড়ের সব জিনিষ ভেঙ্গে ফেলছে।
প্রিয়াঃঅনু থাম।

অনুঃ হিংস্রো হয়ে উঠছে।
প্রিয়াঃ শক্তি দিয়ে চেষ্টা করছে।
অনুঃ বাহিড় থেকে চলে যাই।
প্রিয়াঃ আমি পারলাম নাহ ওকে এডভার্ড পারে থামাতে কিন্তু এখন এডভার্ড ওর শএু হয়ে দাড়িয়ে আছে যেকোন উপায়ে অনুকে থামাতে হবে।

অনুঃ প্রচুর হিংস্রো হয়ে যাচ্ছে সামনে যেটা পাচ্ছে সেটাকে মেরে ফেলছে।
এডভার্ডঃ শাহারিয়া ওহ এদিকেই আসছে আজকেই ওকে শেষ করে দিতে হবে তুই তোর শক্তিকে আহব্বান কর।

শাহারিয়াঃ ওর সমস্তো শক্তিকে আহব্বান করে সেই শক্তি দিয়ে একটা তলোয়ার তৈরি করে সেটা যখনি অনুর দিকে ছুড়ে দেই তখনি প্রিয়া সামনে চলে আসে এবং ছুড়িটা প্রিয়ার পেটে লেগে যাই।
অনুঃ প্রিয়া এটা তুই কিহ করলি আমাকে বাচাঁতে গিয়ে।
প্রিয়াঃ অনু তুই এখান থেকে পালা নাহ হলে ওরা তোকে মেরে ফেলবে আমাদের মধ্যে কাওকে একজন বেচেঁ থাকতে হবে।
অনুঃ আমি তোকে ছাড়া কোথাও যাবো নাহ।

প্রিয়াঃ তোকে আমার কসম তুই যাহ।
অনুঃআমি একা যাবো নাহ আমি তোকে নিয়েই যাবো এটা বলে প্রিয়াকে নিয়ে ওহ উধাও হয়ে যাই।
শাহারিয়াঃ ওকে মারতে পারলাম নাহ।
এডভার্ডঃ কিহ এখন কিহ হবে?

শাহারিয়াঃ প্রথমে আমি ওদের খুজে বের করবো।
এডভার্ডঃ আমি জানি ওর কোথাই যেতে পারে।
এদিকে পূর্নিমা রাত চলে এসেছে প্রিয়ার রক্ত দিয়ে নেকড়েদের মন্ত্রিকে এবং অনুর রক্ত দিয়ে ভাম্পায়ার মন্ত্রিকে জাগ্রতো করে শাহারিয়া এবং এডভার্ড নেকড়ে মানব জাগ্রতো হয়ে প্রিয়াকে তার রুমে নিয়ে যাই প্রিয়াকে যখন ছুতে যাবে তখনি শাহারিয়া তার শক্তি দিয়ে প্রিয়াকে দূরে নিয়ে আসে হ্যা অনু সেই বইয়ম গুলো ভেঙ্গে ফেলেছে যেখানে এডভার্ড এবং শাহারিয়ার আত্তাহ বন্ধি ছিলো।

শাহারিয়াঃ প্রিয়া তুমি ঠিক আছো।
প্রিয়াঃ হ্যা আমি ঠিক আছি।
শাহারিয়াঃ তোর শাহস কিহ করে হয় একে ছুয়ার।
নেকড়ে মানবঃ ওকে তোহ আমি মেরেই ফেলবো ওর শক্তি আমার লাগবে।
শাহারিয়াঃ প্রিয়া তুমার শক্তি আমার শক্তি এক করতে হবে এটা বলে ওরা দুজন একজনে পরিনতো হলো এবং এক থাবাই নেকড়ে মানবের হার্ট নিয়ে সেটা আগুনের মধ্যে ছুড়ে ফেলো সাথে সাথে নেকড়ে আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেলো।

এডভার্ডঃ তোকে আজকে আমি মেরেই ফেলবো এটা বলে এহ হিংস্রো হয়ে ভাম্পায়ার মন্এি ঘাড়ে চেপে ধরলো অনু তার হিংস্রো রূপ নিয়ে দুই ডুম করে ফেলো।
অনুঃ এবার আমাদের যেতে হবে।
এডভার্ডঃ তুমরা কোথাই যাবে।

অনুঃ আমাদের যাওয়ার সময় হয়ে গেছে এখানে আমার কোন কাজ ছিলো এখন আমাদের চলে যেতে হবে।
এডভার্ডঃ অনু সামনে বসে কাদতেঁ থাকে যেয়ে নাহ আমাকে ছেড়ে আমি ভুল করেছি।
প্রিয়াঃ তুমরা ভুল করেছো।
অনুঃ প্রিয়া চল এখান থেকে।

ডোরানাঃ প্রিয়া অনু আমরা যদি তুমাদের একটা কথা বলি তুমরা কিহ সেটা রাখবে।
প্রিয়াঃ হুম বলো।
অনুঃ কি।

ডোরানাঃ তুমি আর প্রিয়া দুজনেই এডভার্ড শাহারিয়াকে মাপ করে দাও ওদের সাথে বিয়ে করে সুখি হও।
এডভার্ডঃ আন্কেল ধন্যবাদ আমরা চলে যাচ্ছি।

অনুঃ এখন কোথাই যাচ্ছো তুমরা তুমাদের উপরে আগের জন্মের প্রতিশোধ নিতে হবে নাহ।
এডভার্ডঃ আমি রাজি।

এরপরে ওনেক ধুম ধাম করে ওদের বিয়ে হয়ে গেলো এবং ওরা ওদের রাজ্যের ভাড় নিলো। সেদিনের পরে থেকে ভাম্পায়ার ওহ নেকড়ে মানবের সাথে শএু টা বন্ধ হয়ে বন্ধুত্ব শুরু হলো। এভাবেই কাটছিলো ওদের দিন। এখন আর ভয় নেই।

লেখা – মেঘা ইসলাম (হিজাব কুইন)

সমাপ্ত

(পাঠক আপনাদের ভালোলাগার উদ্দেশ্যেই প্রতিনিয়ত আমাদের লেখা। আপনাদের একটি শেয়ার আমাদের লেখার স্পৃহা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। আমাদের এই পর্বের “ভাম্পায়ার ও নেকড়ে মানব – ভয়ংকর বাংলা গল্প” গল্পটি আপনাদের কেমন লাগলো তা কমেন্ট করে অবশ্যই জানাবেন। পরবর্তী গল্প পড়ার আমন্ত্রণ জানালাম। ধন্যবাদ।)

আরো পড়ূন – ঊর্ণাজাল – Notun romantic love story in Bengali

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
error: Content is protected !!