মনের জগতে মনোবিজ্ঞান

পরীর প্রেমে – পরীর ভালোবাসার গল্প

পরীর প্রেমে – পরীর ভালোবাসার গল্প: আমি দেখলাম মাঠের পিছনের দিকে একটা জংগল আর তার পাসেই একটা দেয়াল। আমি দেয়াল এ হাত দিতাই হঠাৎ দেয়াল ফাক হয়ে গেল। আর তার মধ্য থেকে একটা সুইচ এর মতো বের হল। আমি সুইচ টা চাপ দিতেই মাঠের দেয়াল ফাক হয়ে একটা সিরির রাস্তা হলো। যা নিচের দিকে চলে গেছে। আমি সেই সিরি দিয়ে নিচে নামলাম। আর যা দেখলাম…


                                  পর্ব ১

আমার চারপাশ থেকে কিছু অদ্ভুত মানুষ আমাকে ঘিরে রয়েছে। কারো ডানা আছে কারো আছে লেজ কারো হাতে আবার অদ্ভুত ধরনের অস্ত্র।

সবাই একসাথে আমার উপরে ঝাপিয়ে পরল। আমি অনেক জোরে একটা চিৎকার দিলাম।
আর ঘুম থেকে লাফিএ উঠলাম।

অহ স্বপ্ন দেখসিলাম। আকটা খারাপ স্বপ্ন। আমার পুরো শরিল ঘামে ভিজে গেসে। আমা এই স্বপ্ন টা কিছুদিন ধরে দেখছি। প্রতিদিন প্রায় একি স্বপ্ন দেখি। আমি কিছুই বুজতে পারি না কেনো দেখি এই স্বপ্ন।

এইসব ভাবতে ভাবতে ঘুম থেকে উঠে আমার রুমের বাহিরে আসলাম। সকালে রোদ আমার গায়ে লাগল।

আমি একটা এতিমখানা তে থাকি। ছোটো বেলা থেকে আমি এখানেই আছি। আমি কে আমি জানি না। কে আমার বাবা মা আমি জানি না।

এতিমখানার প্রধান অনেক ভালো। তার নাম-শরিফ খান। আমাকে অনেক আদর করেন। আমাকে তিনি রবিউল নামে ডাকেন এখন আমার নাম রবিউল। আমাদের এতিমখানার ছেলেমেয়েদের জন্য উনি একটা স্কুল করেছে। আমরা সবাই সেখানে ই পরাশোনা করছি। এখন hons এ এতিমখানা থেকে দূরে একটা কলেজ এ ভরতি হয়েছি। আজ আমার কলেজের প্রথম দিন তাই একটু ভয় ভয় করছে।

যাক, এই সব ভাবতে ভাবতে রেডি হয়ে শরিফ খান এর কাছে গেলাম। আমারা ওনাকে চাচা বলি।

আমিঃ চাচা, কেমন আছেন?

চাচাঃ ভালো, তো আজ তোর কলেজে এ প্রথম দিন তাই না।

আমিঃ জি চাচা। দোয়া করবেন আমার জন্য।

চাচাঃ ঠিকআছে। সাবধানে যাস কেমন।

আমিঃ ok.

এই বলে আমি কলেজে এ চলে আসলাম। কাউকে চিনি না। তাই একজনকে জিগাসা করলাম ক্লাস কোনটা তিনি বলে দিলেন। ক্লাস সুরু হতে আরো৩০ মিনিট আছে তাই কলেজ কেম্পাস এর গাছের নিছে বসে আছি। হঠাৎ

ঠাসস, ঠাসস

আমার গালে ২টা থাপ্পর মারল। আমি তাকিএ দেখলাম একটা মেয়ে রাগি লুকে তাকিএ আছে।

মেয়েঃ আর কোনো দিন কোনো মেয়েকে বিরক্ত যদি করিস তো হাত পা ভেঙে দিব।

এই বলে মেয়েটা চলে গেল। আমি তো হা হয়ে আছি। কি থেকে কি হয়ে গেল কিছুই বুজতে পারতেছি না। আসে পাসের কিছু ছেলে মেয়েও তাকিএ আছে। আমি লজ্জায় নিচে তাকিএ রইলাম। তখনি একটা ছেলে এসে বলল,

ভাই তুমি কি কিছু বলেছা?

আমিঃ না ভাই। আমি আজ প্রথম কলেজে আসলাম। আমি কিছুই বলি নি?

ছেলটাঃ ভাই অই মেয়ের অনেক জিদ। আর অনেক রাগি। অর বাবা পুলিশ অফিসার তাই কেউ কিছু বলে না। সাবধানে থেকে।

এই বলে চলে গেল। আমার তো ভয়ে অবস্তা সেস। তাই ক্লাস এ চলে গেলাম। আজ কোনো ক্লাস হল না। সুধু পরিচয়। আমি কলেজ থেকে বাসায় এসে খাওয়া দাওয়া করে বিকালে ঘুরতে বের হলাম। এতিমখানার পাসেই একটা পার্ক। এইখানে গিয়ে মাথা নিচু করে বসে আছি। কারন চারদিকে সুধু কাপল। একটু পরে মনে হল কেউ আমার সামনে দারিয়ে আছে। আমি মাথা উচু করে দেখলাম সকালের সেই মেয়েটা। ভয় এ একটা লাফ দিয়ে দূর সরে এক দৈড় দিয়া বাসায় চলে আসলাম। কারন আমি আর থাপ্পড় খেতে চাই না।

পরের দিন কলেজে গিয়ে আবার বসে আছি। তখনি কালকের মেয়েটা আসল। আমি ভয়ে বল লাম

আমিঃ আপু আমি কিছু করি নি। আমি আর কোনো মেয়ের দিকে তাকাব অ না। আমাকে ছেরে দিন।

মেয়েটাঃ অই এতো কথা বলিস কেন। আর সোন কাল ভুলে তোকে মেরে দিছি। সরি।

আমিঃ ঠিক, আছে আপু আমি যাই।

মেয়েঃ অই তরে আমি যাইতে বলছি।

আমিঃ না আপু। প্লিস আপু আমাকে ছেরে দিন। আমার ভয় করে।

মেয়েটা হেসে দিল। মেয়েটার হাসি অনেক সুন্দর। আমি তাকিএ রইলাম।

মেয়েটাঃ ভয় পাস কেন। আর তর নাম কি?কোন yearএ?

আমিঃ আমি রবিউল। hons 1st year.

আমি মেয়েটার হাত ধরে আমার বুকে রাকলাম। মেয়েটা চমকে উটল।

আমিঃ আপু দেখেন আমার বুক কেমন ধক পক করছে। আমি যাই।

মেয়েটাঃ আমার নাম নিলিমা। তর এক ক্লাস সিনিয়র। আর সোন তোর নাম্বার টা দে তো।

আমিঃ কেন?আপু।

মেয়েঃ নাম্বার দিবি না(রেগে)

আমিঃ ০১৭……..

নিলিমাঃ good.যা এখন।

আমি চলে আসলাম। বাবা এতখন দম বন্ধ হয়ে আসছিল। ক্লাস এ চলে গেলাম। আজ ২ টা ছেলে সাথে পরিচয় হলো। তাদের নাম, রুবেল আর রমজান। আমি ক্লাস করে আমার এতিমখানার রুম এ চলে আসলাম। রাত্রে একটু পরাশোনা করে ঘুমাতে গেলাম।

রাতে আমি স্বপ্ন দেখা সুরু করলাম। কিন্তু আজকের স্বপ্ন পুরাই আলাদা। এতদিন যা দেখেছি তার সাথে কোনো মিল নেই। আজ দেখলাম-আমি আমার বাড়ি থেকে ১ কিলোদূরে একটা মঠএর সামনে দারিএ আছি। আর মঠ হলো। প্রাচিন কালের বানান নো অনেক উচু একটা মন্দির। এখানে রাজা রা পুজা করত।

আমি দেখলাম মাঠের পিছনের দিকে একটা জংগল আর তার পাসেই একটা দেয়াল। আমি দেয়াল এ হাত দিতাই হঠাৎ দেয়াল ফাক হয়ে গেল। আর তার মধ্য থেকে একটা সুইচ এর মতো বের হল। আমি সুইচ টা চাপ দিতেই মাঠের দেয়াল ফাক হয়ে একটা সিরির রাস্তা হলো। যা নিচের দিকে চলে গেছে। আমি সেই সিরি দিয়ে নিচে নামলাম। আর যা দেখলাম…


পর্ব ২

মাঠ এর দেয়ালের ফাক হয়ে যে সিরি হলো তা দিয়ে আমি নিচে নামলাম। ভিতরদিকটা অনেক অন্ধকার কিছু দেখছি না। তাই ফোনের ফ্ল্যাশ জালালাম। ভিতরটা অনেক বড়ো একটা রুম এর মতো আমি আস্তে আস্তে চারপাশ দেখতে ছিলাম। হঠৎা আমি কিছু একটাতে ধাক্কা খেয়ে পরে গেলাম।

আর আমার ঘুম ভেঙে গেলো। আমি উঠে দেখলাম সকাল হয়ে গেছে। তাই তারা তারি উঠে ফ্রেস হয়ে নাস্তা করে কলেজে গেলাম। আবার অই আগের দিনের জায়গায় বসে আছি। তখনি কালকের সেই মেয়ে টা মানে নিলিমা আপু আসল।

নিলিমাঃ কিরে রবিউল কেমন আছিস?

আমিঃ জি ভালো। আপনি?

নিলিমাঃ হম। ভালো। আছা তোর বাসা কোথায়?

আমিঃ আরে অই সামনে জেই এতিমখানা টা আছে না অইটাই আমার বাসা।

নিলিমাঃ মানে?

আমিঃ মানে আমি এতিমখানা তে থাকি আমার মা বাবা কেউ নেই।

নিলিমাঃ সরি। আসলে বুজতে পারি নি.

আমিঃ ঠিক আছে।

নিলিমাঃ আছা চল আজ ঘুরতে যাবো।

আমিঃ কেনো?আমি কেন?

নিলিমাঃ আমি বলছি তাই যাবি।

আমিঃ আমি জেতে পারব না।

নিলিমাঃ কি বললি?

আমিঃ কিছু না।

নিলিমাঃ চল।

এর পর আমি আর নিলিমা রিক্সা তে উঠলাম। রিক্সা তে আমি চেপে বসলাম যাতে নিলিমা আপুর গায়ে না লাগি।

নিলিমাঃ অই এতো চেপে বসেছিস কেন?এদিকে আয়।

আমিঃ না। আমি ঠিক আছি।

নিলিমাঃ অই তরে আমি কি বলছি।

আমি আর কিছু না বলে চেপে বসলাম। আসলে অনেক রাগি আপু। না জানি কখন আবার থাপ্পর মেরে দেয়। আমারা অনেক ঘোড়া ঘুরি করলাম। এবং অনেক কিছু খেলাম। এর পর আমি বাসায় আসলাম। বাসায় এসে রাতের স্বপ্নের কথা ভাবতে লাগলাম। কেনো দেখলাম আমি অই স্বপ্ন। আমি কিছুই বুজতেছি না।

অনেক চিন্তা করে দেখলাম স্বপ্নের দেখা অই জায়গায় যাবো। সেখানে গেলেই সব কিছু বুজতে পারব। এর পর আমি বিকালে অই স্বপ্নে দেখা মঠএর উদ্দেশে রওনা দিলাম। আমি চিনি অই মঠটা কোথায়। তাই বেসি সমসসা হলো না। মঠে জেয়ে আমি স্বপ্নের মতো সব কিছু পেলাম। আর অই সিরি ও দেখতে পেলেম। আমার একটু ভয় হচ্চে নিচে নামতে। তার পরও নামলাম। মোবাইল এর আলো জালিএ আমি সামনে র দিকে গেলাম।

স্বপ্নের মতো ঠিক আকটা ধাক্কা খেলাম আর পরে গেলাম। দেখলাম একটা লোহার পুরান বক্স। আমি সেই বক্স টা মিথিলাম এবং সিরি দিয়ে উপরে আসলাম। দেখলাম বক্স টা তালা মারা। আর রাতও হয়ে আস্তেছে। তাই বক্স টা নিয়ে বাসায় আসলাম। আর খাটের নিছে লুকিএ রাকলাম। রাতের খাবার খেয়ে ঘুমাতে গেলাম। এর মদ্ধে আমার ফোন এ অচেনা নাম্বার থেকে একটা কল আসল।

আমিঃ আসস্লামুয়ালাইকুম

একটা মেয়েঃ অল্লাইকুসসালাম। কি রে কি করিস?

আমিঃ কে আপনি আর আমার নাম্বার পেলেন কই?
আর আমাকে তুই করে বলছেন কেন?

নিলিমাঃ আমি নিলিমা।

আমিঃ অহ আপু আপনি। চিনতে পারি নি।

নিলিমাঃ হম। খাইছস?

আমিঃ হা। আপনি?

নিলিমাঃ হা। তুই কাল কলেজে আসবে একটু তারা তারি.।

আমিঃ কেন আপু?

নিলিমাঃ আমি বলছি তাই। আর এতো প্রশ্ন করিস কেন?

আমিঃ ঠিক আছে। এখন ঘুমাব। বায়

নিলিমাঃ আছা। বায়।

আমি ভাবলাম এই নিলিমা আপু আমাকে নিজের মতো কেনো চালাতে চাইছে?দূর ছোট ভাই মনে করে হবে। এইসব ভাবতে ভাবতে ঘুমিএ পরলাম। গভির রাতে একটা বিকট শব্দ হলো। আমার ঘুম ভেঙে গেল। বুজলাম না কিসের শব্দ।

হঠাৎ খেয়াল করলাম আমার খাটের নিছ থেকে আলো বের হচ্ছে। আমি জুকে দেখলাম সেই বক্স টা থেকে আলো বের হচ্ছে। আমি বক্সটা বের করলাম আর জেই বক্সের তালা তে হাত দিলাম। আমার মনে হলো আমার শরিল এ কারেন্ট শক লাগল। আমি হাত সরিএ মিথিলাম। আর দেখলাম তালাটা কট করে খুলে গেল। বক্সের ভিতরে দেখলাম একটা ডায়রী। তার পাশে একটা কাচের ছোটো বক্স। যেটা থেকে আলো বের হচ্ছে।

আমি ডায়রীর উপরে লেখা দেখলাম “”বাণ “”। আমি ডায়রী নিয়ে পরা সুরু করলাম ১ম পেজ -রাজা হিমরাজ এর বান। যা পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিসালী অস্ত্র। এই বাণ জার কাছে থাকবে সে হবে পৃথিবীর অভাবনিও কিছু রাজ্যর রাজা। সেই বাণ পেতে হলে শক্তি দরকার জা আছে কাচের বক্স এর অই ছোটো বড়ির মদ্ধে। সেই বড়ি খেতে হবে। তার ফলে পানিতে শাস নিতে পারা যাবে। পানিকে কন্ট্রোল করা যাবে। পানির প্অধরা দের ডাকা যাবে। সেই বড়ি খাবে সে যে এই বই প্রথম পাবে।

আমিই খাবো সেই বড়ি। যাক, কাচের বক্স টা হাতে মিথিলাম আর খুললাম। খোলার পরে একটা তিব্র আলো আসল। আমি চোখ বন্ধ করলাম। একটু পরে চোখ খুলে একটা বড়ি দেখলাম। আমি সেই বড়ি টা মুখে দিতেই কেমন যেনো করে উঠলো। আমার পুরা শরিল হাওয়া তে ভাসতে লাগল। আমার শরিল বেথা করতে লাগল। অনেক বেথা করতে লাগল। আমি চিৎকার দিয়ে অজ্ঞান হয়ে গেলাম।
হঠৎা……


পর্ব ৩

হঠৎা আমার চোখে আলো পরল। আমি জেগে গেলেম দেখলাম সকাল হয়ে গেছে। আর আমার শরিল দিয়ে সবুজ রঙ এর আলো বের হচ্ছে। একটু পরে সব ঠিক হয়ে গেল। আমি নিজের ভিতরে অন্নরকমের একটা শক্তি বোধ করলাম। মনে হলো আমি শক্তিশালী। আমার পাসেই ডায়রী টা পেলাম। আমি ডায়রীর ২য় পেজ খুল্লাম-“কি অবাক হচ্ছ তাই না। তোমার মদ্ধে এখন পানি কন্ট্রোল করার শক্তি আছে। যাক বাদ দিলাম। এই ডায়রী টা জাদুর তোমার যখন যা লাগবে ঠিক তত খানি পরতে পারবা। এর বেসি না। “”

আমি পেজ উলটালাম কিন্তু খালি পেজ দূর বুজলাম না। যাক, এই সব বাদ দিয়ে ফ্রেস হয়ে কলেজ এ গেলাম। রুবেল আর রমজান দারিএ আছে।

আমিঃ কিরে দোস্ত। কেমন আছিস।

রুবেলঃ ভাল। তুই?

আমিঃ হা। ভালো।

নিলিমা পিছন থেকে ডাক দিল।

আমিঃ জি আপু বলেন

নিলিমাঃ শোন কলেজে কোনো মেয়ের সাথে কথা বলবে না। আমি যা বলব তাই সুনবি। নাহলে জেলে ভরে দেব। জানিস আমার বাবা এই খানের অছি।

আমিঃ ঠিক আছে আপু। আপনি যা বলবেন তাই হবে। (ভয় পেয়ে)

নিলিমাঃ চল ঘুরতে যাই।

আমিঃ ক্লাস?

নিলিমাঃ রাখ তোর ক্লাস। চল।

আমি ভয়্র চলতে থাকলাম। আর ভাবলাম আমার সাথে এইরকম করে কা?
দূর। এতো পেরা ভালো লাগে না। আমরা ঘুরতে গেলাম।

এর পর কিছু দিন কেটে গেল। আমাকে এখন পুরা পেরা দেয় নিলিমা আপু। দূর জীবনটা নরক করে দিছে।

সব জায়গায় তার কথা মতো চলবে। কি খাবো। কি পরব সব তার কথা মত হবে।
একদিন কলেজ এ জেয়ে বসে আছি। নিলিমা এখন আসে নি।

একটা মেয়ে এসে আমার পাসে বসল আর পরিচয় হতে চাইল। আমিও পরিচিত হলাম। হঠৎা কোথা থেকে জানি নিলিমা আপু এসে আমাকে ১টা আর অই মেয়েটাকে ১ টা থাপ্পর মারল।
আর আমাকে টেনে কলেজ থেকে বের করে আনল।

নিলিমাঃ অই তোকে কোনো মেয়ের সাথে কথা বলতে বারন করলাম না। তার পরও। তুই কেন কথা বলছস?

আমিঃ (রেগে গেলাম)অই আপনার সমসসা কি?আমার সাথে এইরকম কেন করেন?

নিলিমাঃ কারন আমি তোকে ভালবাসি। তাই অন্ন কারও সাথে দেখলে আমার খারাপ লাগে।

আমিঃ (অবাক হয়ে গেলাম)আপনি আমাকে?

নিলিমাঃ হা তোকে।

আমিঃ দেখুন আমি আপনাকে ভালো বাসি না। আপনার এই অত্তাচার আমি আর নিতে পারতেছি না। আমাকে মুক্তি দিন। আর কলেজে অনেক ছেলে আছে তাদের ভালবাসেন। আমাকে আর পেরা দিবেন না।

নিলিমাঃ আমি তোমাকে সত্যি ভালবাসি। প্লিজ আমাকে ফিরেয়ে দিও না। আমি তোমাকে ছাড়া থাকতে পারব না।

আমিঃ রাখেন আপনার ভালবাসা। আজকের পর আর আমার সামনে আসবেন না।

নিলিমাঃ ঠিক আছে। তুমি ভাল থেক। আমি আর আসব না। তবে আমি তোমাকে ভালবেসে যাব।

এই বলে কান্না করতে করতে নিলিমা আপু চলে গেল। দূর গেলেকি। আকটা পেরা। বিদায় হল ভাল হল। আমি বাসায় আসলাম।

এইভাবে আমার দিন চলতে থাকল। অই দিনের পর নিলিমা আপু আর কলেজে আসে নি। প্রথম ৩.৪ দিন ভালই কটলেও এর পর মনে হল আমি কি জেন একটা মিস করছি। হা নিলিমা আপুর সেই শাসন গুলা মিস করছি। আমার অবস্তা অনেক খারাপ হতে লাগল। কিছু খেতে পারি না। সুধু নিলিমা র কথা মনে পরে।

কল দিলাম অর নাম্বার এ কিন্তু বন্ধ দেখাছে। তাই ভাবলাম অদের বাসায় যাব। কেনও না আমি নিলিমাকে অনেক ভালবেসেফেলেছি। অই দিন রাতে নিলিমা দের বাসর ঠিকনা নিয়ে চলে গেলেম অদের বাসায়। গাছ বেয়ে উঠলাম আর প্রথম রুম এই দেখলাম একজন সুয়ে আছে। তার স্যালাইন চলছে। আর চেহারা অনেক সুকিএ গেছে।

আমি দেখে দুই চোখ দিয়ে পানি চলে আসল। আসলে নিলিমা সুয়ে আছে। আমার কষ্টে বুকটা ফেটে যাচ্চে। আমি সারা রাত দরে রেলিং এ বসে নিলিমা কে দেখলাম। ফজর এর সময় দেখলাম নিলিমা উঠে নামাজ পরল আর মুনাজাত ধরল-হে আল্লাহ তুমি রবিউল কে ভালো রেখো।

আমি কি বলব। ভাবতে পারছি না আমাকে এতো ভালবাসে তাও এতিম জানার পর। আমি কান্ন করতে থাকলাম। নিলিমা নামাজ সেস করে রেলিং এর দিকে তাকাতেই আমকে দেখে দৈাড়ে আসে আর জরিএ ধরে বলে

নিলিমঃ তুমি এসেছ।

আমিঃ হা। আমি এসেছি।

নিলিমাঃ কত দিন আর স্বপ্নে আসবে। একটু পরেই ঘুম ভেঙে যাবে আর দেখব তুমি নাই। আমি না তোমাকে অনেক ভালবাসি।

আমিঃ আমি সত্যি এসেছি।
নিলিমা দেখল আমি সত্যি এসেছি। তখন আমকে ছেরে দিয়ে বলল

নিলিমাঃ একি তোমার এই অবস্তা কেন?মনে হচ্চে কিছু খাও না

আমিঃ তুমি আমার কথা বলছ তুমি যে কত খারপ আছো তা তো দেখলা সারা রাত।

নিলিমাঃ সারারাত মানে তুমি এখানে ছিলা?

আমিঃ মানে না।

নিলিমাঃ ঠাসস। আমাকে কষ্ট দিতে ভাল লাগে। কেন দারিএ ছিলি। আমি কে তর?

আমিঃ তুমি আমার সব। এই কয়দিনে আমি বুজছি তুমি ছাড়া আমি অচল। আমি তোমাকে অনেক ভালবেসে ফেলেছি।

নিলিমাঃ (জরিএ ধরে কান্না করছে এইটা সুখের কান্না)আমিও। এখন চলে যাও কেউ দেখলে সমস্যা হবে।

আমিঃ যাব। ঠিক আছে।

আমি চলে আসলাম। এখন আর নিলিমার দিন ভালই কাটছিল। কিন্তু একদিন নিলিমা ফোন দিয়ে অর বাসায় জেতে বলল। যে অর বাবা আমাকে দেখতে চেছে। আমি ভয়ে অদের বাসায় গেলাম। গেটে দেখলাম দারওয়ান পরে আছে আর তার গুলে লেগেছে মাথায়। দেখলাম সে মারা গেছে। আমার বুকটা কেপে উঠল নিলিমা কই?

আমি তারা তারি বাসার ভিতরে গেলাম। বসায় দেখলাম ১জন পুরুষ আর মহিলার লাশ পরে আছে গলা কাটা। একটু দূরে যা দেখলাম আমার পায়ের নিছ থেকে মাটি সরে গেল নিলিমা রক্তাক্ত অবস্তায় পরে আছে।

আমি নিলিমা বলে একটা চিৎকার দিলাম—;
আর কিছু মনে নেই আমার। যখন জ্ঞেন ফিরল আমি দেখলাম আমি একটা রুম এ আছি পাসে নাস আছে। আমি উঠতে গেলাম নাস বলল। উঠবেন না।

আমিঃ নিলিমা কই?

নাস-আসলে অই অছির পুরা পরিবার এর সাবাইকে কারা জেন খারাপ ভাবে হত্তা করেছে। আর তাদের লাস দাফন করা হয়েছে। গতকাল। আপনি ৩ দিন যাবত অজ্ঞান ছিলেন।

আমিঃ না না।
আর কিছু মনে নেই..


পর্ব ৪

আমার যখন জ্ঞেন ফিরল আমি দেখলাম। সেই রুম এ আছি। আমার নিলিমার কথা মনে হতেই বুক ফেটে কান্না আস্তেছে। আমার ২চোখ দিয়ে জর জর করে পানি পরছে। আর কান্না করছি। আমার গায়ে কোননো শক্তি নেই। শরিল অনেক দুর্বল।
কেনো নিলিমা ছেরে চলে গেল। কি দোস করেছি আমি। আমি উঠে বসার চেষ্টা করলাম পারলাম না।
একটু পর নাস আসল। আমাকে ইঞ্জেকশন দিল। আমি নাস কে বললাম

আমিঃ নিলিমা কে কি দেখতে পারব?

নাস-না। কারন নিলিমা সহ ওদের বাসার ৪ জন কে হত্তা করা হয়েছে। কে বা কারা করছে এখন জানা যায় নি। আর ৪ জনের কবর দেওয়া হয়েছে।

আমি আর কিছু বলতে পারলাম না। জোড়ে চিৎকার দিয়ে কান্না করতে থাকলাম। কেনো এই রকম করল। কি দোস করেছিল আমার নিলিমা যার জন্য অকে মরতে হল।
ছারবনা আমি কাউকে ছারবনা। এক এক টা কে কুত্তার মত মারব।
অই হাস্পাতাল এ আরো ২ দিন লাগল সুস্থ হতে।
আমি চলে গেলাম নিলিমার কবরের কাছে। বসে পরলাম

আমিঃ নিলিমা আমি তোমার হত্তা কারিকে ছারব না। যে বা যারা আমার কাছ থেকে তোমাককে কেরে নিল আমিও ওদের শেস করে দেব।

আমি নিলিমাদের বাসায় চলে আসলাম। দেয়াল টপকে ভিতরে গেলাম। দেখলাম সিসি টিভি ক্যামেরা। আমি সিসি টিভি ফুটেজ নিয়ে আমার এতিমখানা তে চলে আসলাম। আর আমাদের এতিমখানার লেপটপ নিয়ে বসে পরলাম। দেখলাম কিছু লোক নিলিমাদের বাসায় ডুকল।

প্রথমে ওদের দারোয়ান কে মারল একজন। তার পর অদের বাসায় ডুকল। নিলিমা র বাবা বন্দুক নিয়ে সামনে আসল অনাকে গুলি করা হল। মাটিতে পরে গেলেন। এর পর নিলিমার মাকেও দরে ২জনকে জবা করে দিল। দেখলাম অদের মদ্ধে একজন নিলিমাকে দরে আনল আর নিলিমার মাথায় বন্দুক ধরে একটা গুলি করে দিল।

সবার মুকুষ পরা ছিল।
এর পর একজন মুকুষ খুলল।

আমি অবাক হলাম এজে আমাদের এলাকার এমপির ছেলে। আর তার পাসে এমপি।
আমি আর দেখতে পারলাম না। আমার ২চোখ দিয়ে পানি পরতে থাকল। কিভাবে আমার নিলিমাকে মারল। ছারবনা আমি।

রাতের আধারে বেরিএ পরলাম। আজ এমপির ছেলের শেষ দিন। কারন খবর নিয়ে জানলাম এমপি আজ অন্ন কাজে বাসায় থাকবে না। তাই আজ রাতে এমপির ছেলেকে মারব। আমি লুকিয়ে এমপির বাসায় গেলাম। দেখলাম এমপির ছেলে ঘুমাছে।

একটা ছুরি নিয়ে গেছিলাম সেটা বের করলাম। হাত কাপছে। দেরি করলাম না। ছুরি ডুকিয়ে দিলাম অর বুকে। মুখ চেপে ধরলাম। কিছুখন নরা চরা করে পুরা বডি স্তব্দ হয়ে গেল। কাজ শেষ। আবার লুকিএ চলে আসলাম। মনটা একটু হাল্কা হল। এভাবে আরো ২ দিন কেটে গেল। এমপির কোনো খবর নেই। একদিন সকালে রাস্তায় হাটতে ছিলাম।

হঠাৎ আমার মাথায় অনেক জোড়ে একটা বারি পরল—
আমার আর কিছু মনে নেই।

যখন জ্ঞেন ফিরল দেখলাম আমি চেয়ার এর সাথে বাধা। আমাকে একটা মাঠএর মদ্ধে বেধে রাখা হয়ে ছিল। আমার চারপাশে এমপির লোক আরো অনেক লোক দারিয়ে আছে বন্দুক হাতে। এতো মানুষ কিন্তু কেউ সামনে আস্তেছে না।

আমি সামনে দেখলা একজন পুরুষ আর মহিলা কে বেধে রাখা হয়েছে। আর তরা পাশে একটা মেয়ে। মেয়েটা দেখতে হুবাহুব আমার মতো। মানে যদি মেয়েটা ছেলে হতো তাহলে আমার মতো সে ম চেহারা হতো। ওই মেয়েটা আর অই মহিলা আর পুরুষ আমার দিকে অবাক হয়ে তাকিএ আছে। আমার কেন জানি মনে হচ্ছে আমার কতদিনের চেনা এরা।

এর মদ্ধে একজন বলল অই লোক গুলাকে যে আমি অন্নায় কারির কি হাল করি আজ তা দেখার জন্য এখানে সবাকিএ ডেকেছি। আজ আমি অই ছেলেটা কে কুটি কুটি করে কাটব। আর আমার পোষা কুত্তাকে খাওয়াব। (আমাকে দেখিয়ে)ওআমার বন্ধুর ছেলেকে মারছে। এই বলে আমার দিকে একটা ছুরি নিয়ে আস্তে থাকল।

আমি ২হাত মুট কোরে জোরে একটা টান দিলাম। চেয়ার ভেঙে গেল। আমি অই লোকটার বুকে লাথি মারলাম। অনেক দূরে গিয়ে পরল অই লোকটা।

এর পর সবাই রেগে আমাকে মারতে আসতে ছিল। আমি একটা ছুরি হাতে নিয়ে সবাইকে এক এক করে মারতে থাকলাম। শেষে রইল এমপি আর অই লোকটা আমি অদের ২জনকেও মারলাম।
এর পর আস্তে আস্তে বসে পরলাম কারন আমার মাথা অনেক বেথা করছে। এর পর দেখলাম অই পুরুষ আর মহিলা ও মেয়েটা আমার দিকে দৈাড়ে আস্তেছে।

আমার আর কিছু মনে নেই। চোখ খুললাম আর দেখলাম আমার পাশে অই মহিলা বসে আছে আর আমার মাথায় হাত বুলাছে। আর তার পাসে দারিয়ে আছে অই পুরুষ। আর আমার অন্ন পাশে অই মেয়েটা দারিয়ে আছে। তারা সবাই কান্না করছে।
আমি উঠে বসতে চাইলাম। মেয়েটা বলল

মেয়েঃ ভাইয়া উঠো না।

আমি অবাক হয়ে গেলাম

আমিঃ ভাইয়া?

মেয়েঃ হা। তুমি আমার ভাই। হারিয়ে জাওয়া ভাই। আর এই হলো আমাদের বাবা ও মা।

আমি কি বলব। আমি অবাক হয়ে গেলাম। তখনি মহিলাটি বলল-

মহিলা-হা। বাবা তুই আমার ছেলে। আজ থেকে ১৫ বছর আগে আমারা একদিন মার্কেট করতে জাই তুইও আমাদের সাথে ছিলি। আমারা মার্কেট করতে করতে তোর কথা ভুলেই জাই। আমরা ভাভছি তুই তোর বোন ফাবিহার সাথে খেলছিস। পরে দেখলাম তুই ফাবিহার সাথে নেই। আমারা তোকে অনেক খুজছি কিন্তু পাই নি। এই ১৫ বছর অনেক খুজছি। কিন্তু তোকে পাই নি। কিন্তু আজ পেলাম তুই আমাদের হারিয়ে জাওয়া ছেলে ফাহাদ।

আমি কান্না করতে থাকলাম। এইটা সুখের কান্না আমার পরিবার ফিরে পাওয়ার কান্না।

আমিঃ মা?

মাঃ বাবা আবার বল তো। তোর মুখ থেকে মা ডাক সুনি না আজ ১৫ বছর ধরে।

আমি মা বলে জরিএ ধরে কান্না করতে থাকলাম। আর মাও কান্না করছে। আমি বাবার কাছে গেলাম আর জরিয়ে ধরলাম। আমার বোন ফাবিহা আসল আমি ওকেও জরিএ ধরে কান্না করলাম।
এর পর আমারা আমাদের বারি আসলাম।
আমার মা বলল

মাঃ বাবা তুই হারিয়ে জাওয়ার পরে এই বারির সুখ হারিএ গেছিল। আজ আবার খুসি ফিরে আসল।

আমি দেখলাম বিশাল এক বাড়ি। আমি ঘুরে ঘুরে দেখতে থাকলাম।
এর পর রাতের খাবার খেলাম আমরা সবাই এক সাথে। আজ আমি অনেক খুশি কারন আজ আমার পরিবার আছে।

ফাবিহাঃ ভাই চল তোর রুম দেখিএ দিয়ে আসি। ঘুমাবি।

আমিঃ চল

এর পর রুম এ আসলাম। দেখলাম আমার ছোট বেলার ছবি। সাথে ফাবিহার ও আছে। আর মা বাবার সাথেও আছে। এর পর আমি বিছনায় সুয়ে পরলাম। আর ফাবিহা চলে গেলো।

রাতে দেখলাম—–


পর্ব ৫

রাতে ঘুমিএ পরলাম।
“”আমাকে সেই ডায়রী টা ডাকছে। আর তার থেকে সবুজ আলো বের হচ্ছে।”
। আমার ঘুম ভেঙে গেল।

বুজলামা না এই স্বপ্ন কেন দেখ লাম। অহ মনে পরেছে ডায়রী টা বলেছে ঠিক সময় সে জানিএ দিবে কি করতে হবে। তার মানে আমার সেই ডায়রীর কাছে জেতে হবে।
এই সব ভাবতে ভাবতে আমার ঘুমিএ পরলাম। সকাল বেলা ফাবিহা ডাক দিল।
আমি উঠে ফ্রেস হয়ে নিচে গেলাম। দেখলাম সবাই আমার জন্য অপেক্ষা করছে।

বাবা-gd morning.ফাহাদ।

আমিঃ gd morning.বাবা।

বাবা-তোমার জন্যই অপেক্ষা করছিলাম। বসো আজ একসাথে নাস্তা করব। আজ আমাদের পরিবার পুন হলো।

ফাবিহাঃ হা বাবা। তো বল ভাইয়া তুই এতো দি কোথায় ছিলি।

আমি এর পর সব কিছু বললাম আমি কিভাবে এই জাগায় আসলাম। এবং নিলিমার কথাও।
দেখলাম বাবা মা ও ফাবিহা কান্না করছে। আমার চোখ দিয়ে অ পানি পরছে।

বাবা-মেয়েটা তোকে অনেক ভালবাসত। কিন্তু ভাগ্রের নিরমম পরিহাস।

আমিঃ বাবা আমি একটু এতিমখানা তে জাব.

বাবা-আছা জা। তবে গাড়ি নিয়ে জাস।

আমিঃ ঠিক আছে।

এর পর খাওয়া দাওয়া করে বের হলাম এতিমখানা য় জাবো বলে। বিকাল বেলা এতিমখানা তে গেলাম। আমাকে দেখেই চাচ বলল–

চাচাঃ রবিউল কোথায় ছিলি বাবা তোকে আমারা অনেক খুজেছি।

আমিঃ চাচা আমি আমার পরিবার খুজে পেছি। আর আমি সেখানেই ছিলাম। আজ আবার চলে জাব।

এই বলে রুমে চলে আসলাম। কারন আমার মনোযোগ এখন অই ডায়রী তে।
রুমে এসে ডায়রী খুল্লাম—-“”তুমু তোমার পরিবার ফিরে পেওছো। এখন সময় তোমার জাবার। তোমাকে লন্ডন জেতে হবে কারন সেখানেই আছে। রাজা হিমরাজ এর শক্তিশালী অস্ত্র””বাণ “”এর নকশা। আর তুমি এই ডায়রী টা সব সময় সাথে রাখবা। “

জা। আবার লন্ডন। দূর কি জামেলা।

আমি ডায়রী টা নিয়ে বেগ এ ভরে মিথিলাম। আর চাচা র থেকে বিদায় নিয়ে কবর অস্তানে গেলাম।
নিলিমার কবরে সামনে দারিএ আছি। কি থেকে কি হলো। নিলিমার সাথে কাটানো দিন গুলা সব মনে আস্তেছে। অনেক খারাপ লাগছে।

কিছুখন থেকে আবার আমার নিজের বারির দিকে রওনা দিলাম।
বাসায় আস্তে আস্তে রাত হয়ে গেল।
ফ্রেস হয়ে রাতে খাবার খেতে গেলাম।

আমিঃ বাবা আমার লন্ডন জেতে হবে।

বাবা অবাক হয়ে বলল।

বাবা-কেন?লন্ডন কেন?

আমিঃ আরে কিছু কাজ আছে। আর ঘুরতে জাব। ভালোলাগে না। বাসাতে। তাই। সুধু৩ দিনের জন্য।

বাবা-আছা। ফাবিহাকে নিয়ে জা। ও তো লন্ডনে আরো গেছে।

আমিঃ ঠিক আছে। বাবা তুমি জা বলো।

এভাবে আরো ৫ দিন কটে গেল। আসলে আমার পরিবারের সাথে দিন গুলা ভালই কাটছিল।
আজ আমাদের ফ্লাইট। আমার জামা কাপর সব গুছ করে নিছি। জাবার আগে বাবা মার থেকে বিদায় নিয়ে বের হলাম।

সব কিছু ঠিক ঠাক মত করে প্লেন এ গিয়ে বসলাম।

পরের দিন আমি আর ফাবিহা লন্ডনে এসে পৈছলাম। ভালো দেখে ২টা রুম মিথিলাম একটা হটেল এ।
রাতের খাবার খেয়ে ঘুমাতে গেলাম। আজ আবার দেখলাম —“”সেই ডায়রী টা থেকে আমার সবুজ রঙ এর আলো জলছে””
আমার ঘুম ভেঙে গেল।

উঠে পানি খেলাম। ব্যাগ থেকে ডায়রী টা বের করে আবার দেখলাম নতুন লেখা—“”লন্ডন এর অলডেজ কবর অস্তানে জেতে হবে। ১১১১ নং কবর এর ডান পাসের ঘাস এর নিচে একটা সুইচ আছে জা চাপ দিতে হবে। এর পর কবর ফাক হয়ে যাবে। কবরে নেমে। ছোট একটা বক্স দেখতে পাবা। তার মদ্ধে এই ডায়রীর পিছনে একটা কারড পাবা। সেটা রাখবা।

তার পর একটা পথ খুলে যাবে। সেই পথ দিয়ে পাতালপুরী জেতে হবে। অবাক হচ্ছ। তাই না। আসলে অবাক হবার কিছুই নেই। সেখানে জাবা। এবং দেখবা কালো বোড়কা পরা একটা মেয়ে তোমার সামনে আসবে। তার কাছে নকশার কথা জিজ্ঞাসা করবা। সে প্রথম রাজি হবে না। তুমি তাকে রাজি করবা। এই প্রজন্ত ই তোমাকে জানানো হলো। বাকিটা তুমি খুজে নিবে। এর পর আর ডায়রী পাবা না। কারন এই ডায়রী এখন পুরে ছাই হয়ে যাবে। “

আমি ডায়রী টার পিছনে দেখলাম কারড এর মতো। সেটা টান দিতেই চলে এলো। আর সাথে সাথে ডায়রী টা পুরে ছাই হয়ে গেল।

জা বাবা। এই বার আমার ভয় হচ্ছে। কি করব জানি না। আর কি সব আজগুবি কথা বলছে। পাতালপুরী। এগুলা কি?
যাক, কাল জাব আর দেখতে পারব।
এই ভেবে গুমিএ পরলাম।

সকালে ফাবিহার ডাকে ঘুম থেকে উঠে খাওয়া দাওয়া করে ২জন বের হলাম ঘুরতে। ঘুরা ঘুরির শেষ আমারা সেই কবর অস্তানে আসলাম। ফাবিহা বলল।

ফাবিহাঃ কিরে আমরা কবর অস্তানে কিজন্য আসলাম।

আমিঃ আরে কাজ আছে। তুই আয় আমার সাথে।

অনেক কবর দেখলাম। সব কবর পাকা করা।
খুজতে সুরু করলাম ১১১১ নাম্বার কবর। অনেক খোজা খুজির পর পেয়ে গেলাম।
ঠিক তখনি –


পর্ব ৬

আমি যখন ১১১১ নাম্বার কবর এর দিকে যাচ্ছি লাম। ঠিক তখনি পিছন থেকে ফাবিহার চিৎকার সুনতে পারলাম। পিছনে ফিরে দেখলাম ফাবিহাকে ৪ জন লোক ধরে নিয়ে জাচ্চে। আর ফাবিহা বাচার জন্য আমাকে ডাকছে।

আমার রাগে গা জলে জাচ্চে। আমি দৈাড়ে ফাবিহার কাছে গেলাম। এবং অদের একজনকে লাথি মারলাম।

ফাবিহা ভয়ে আমার পিছে চলে আসল।
এর পর আমি লোক গুলাকে এক এক করে মারতে লাগলাম।
কিন্তু কিছুখন পর আরো লোক আসল। আর তাদের হাতে বন্ধুক।
আমি সামনে র দিকে ছিলাম।

হঠাৎ পিছন থেকে আমার মাথায় একটা বারি মারল। আমার মাথা জিম জিম করতে লাগল। আমি মাটিতে পরে গেলাম। দেখলাম ওরা ফাবিহাকে নিয়ে যাচ্ছে।

আমি কি করব কিছুই বুজতে পারছে না। আমার অনেক খারাপ লাগছে কারন আমার বোনকে ওরা নিয়ে যাচ্ছে।

আমি ২ চোখ বন্ধ করলাম। আমি দেখলাম আমার চার পাসে একটা লেক। আমি ২হাত দিয়ে ইসারা করলাম।

সাথে সাথে সব পানি উপরে উঠল। আমি চোখ খুললাম। দারিএ গেলাম আর সব পানি অই লোক গুলার উপরে মারলাম। তারা সবাই ভেসে গেল। আমি তারাতারি ফাবিহাকে ধরলাম।
দেখলাম ফাবিহা অজ্ঞান হয়ে গেছে।
আমি ফাবিহাকে নিয়ে বাসায় গেলাম।
রাত হয়ে গেছে। ফাবিহাকে বিছনায় রাখলাম।
কিছুখন পর ফাবিহার জ্ঞান ফিরল।
দেখলাম ভয়ে জরো সরো হয়ে আছে।

আমিঃ ভায় পাস না আমি।

ফাবিহাঃ ……

আমিঃ আচ্ছা তুই থাক। আমি খাবার নিয়ে আস্তেছি।

আমি বাহিরে গেলাম। ভাবলাম কাল আবার জাব। একাই জাব। ফাবিহাকে নিয়ে জাব না। ও ভয় পাবে।

খাবার নিয়ে বাসায় গেলাম। ফাবিহাকে খাইয়ে দিলাম।

আমিঃ বাবা মাকে কিছু বলিস না। তারা টেনসন করবে।

ফাবিহা মাথা নারল। আমি ফাবিহার মাথায় হাত বুলিএ দিলাম। অকে ঘুম পারিএ আমার রুমে আসলাম। আর ঘুমিএ পরলাম।

সকালে ঘুম থেকে উঠে ফাবিহাকে ডাকলাম। ফাবিহা এখন ও ভয় পেয়ে আছে।

আমিঃ ফাবিহা তুই বাসা থেকে বের হইস না। আমি একটু কাজে গেলাম। আসতে রাত হতে পারে। তুই বাসার বাহিরে যাবে না

ফাবিহা মাথা নারল।

আমি আমার রুম এ জেয়ে সেই কার্ড টা মিথিলাম। আর কবর অস্তানের দিকে জাবার জন্য বের হলাম।

কবর অস্তানে গিয়ে ১১১১ নং কবরে গেলাম।
ডায়রীর কথা মত কবরের ডান পাসের ঘাস সরিয়ে একটা সুইচ পেলাম।
সুইচ চাপ দিতেই কবর ফাক হয়ে গেল। আমি আসতে আসতে ভিতরে গেলাম। সেখানে বক্স এর ভিতরে কার্ড রাখার সাথে সাথে বিসাল একটা দরজা হলো।

আমি দরজা দিয়ে ভিতরে গেলাম।
ভিতরে অনেক সুন্দর।
পুরা আলাদা এক দুনিয়া।
এটাই হলো পাতাল পুরি।
কি অসাধারন। পরিবেশ চারপাশে অনেক অদ্ভুত মানুস দেখলাম। কারো ডানা আছে। আমি অবাক হয়ে এই সব দেখতে দেখতে সামনে র দিকে জেতে থাকলাম।

কিছু দূর জেতেই বিশাল এক বাড়ি দেখতে পেলাম।
আসলে বাড়ি বললে ভুল হবে।
বিশাল এক রাজ প্রাসাদ।
প্রাসাদ অনেক সুন্দর করে সাজানো।
মনে হচ্ছে কারো বিয়ে।
যাক, আমার কি।

আমি সামনে জেতে থাকলাম।
কিছু দূর জেতেই বোড়কা পরা এক মেয়েকে দেখতে পেলাম। কালো বোড়কা পরা।
তার মানে এই সেই মেয়ে জার কথা ডায়রী তে লেখা ছিল
মেয়েটা চোখ ২টা অনেক সুন্দর।
পুরা ক্রাশ খাওরা মতো।
যাক, মেয়েটা র কাছে গেলাম।

আমিঃ সুনছেন?

মেয়েঃ জি বলুন।

আমিঃ আচ্ছা এখানে কি কোনো অনুষঠান।

মেয়েঃ আপনি জানেন না?আপনি কি এখানে নতুন নাকি?

আমিঃ জি আমি নতুন। এখানে একটা কাজে এসেছি। আপনাকে বলব না।

মেয়েঃ জি ২দিন পর পাতাল পুরির রাজকন্যার বিয়ে। আর আপ নি এখানে কেন এসেছেন আমি জানি।

আমিঃ আপ্নি জানেন(ভয় পেলাম)

মেয়েঃ আপনি এখানের সেনা রুমে রাখা নকশা নিতে এসেছেন তাই না।

আমিঃ আপনি কিভাবে জানলেন। (অবাক হয়ে)

মেয়েঃ তার মানে আমি জা সন্ধেহ করেছি। ঠিক তাই। আমি এখনি রাযাক,ে বলছি।

আমিঃ প্লিজ বলবেন না। আপনি জা চাইবেন তাই দিব

মেয়েঃ জা চাইব তাই দিবেন

আমিঃ হা। দিব।

মেয়েঃ আমাকে এখান থেকে বের করে দিতে হবে। আর আপনি নকশা দিয়ে যে গুপ্তধন পাবেন আমাকে তার ভাগ দিতে হবে।

আমিঃ ঠিক আছে। তবে আগে নকশা দিতে হবে।

মেয়েঃ আমার পিছেন পিছনে চলুন।

এর পর মেয়েটার সাথে সেনা রুমে গেলাম।
দেখলাম কোনো লোক নেই।
যাক, অবশেষে নকশা নিয়ে বের হলাম।
আর যেখান দিয়ে আমি এসেছিলাম সেখানে গেলাম।

সেখনেও বক্স দেখলাম।
আমি সেই কার্ড রাখলাম আর সাথে সাথে দরজা হলো। আর খুলে গেল।
আমি সেই মেয়েটা কে নিয়ে সেই কবর দিয়ে বের হয়ে চলে আসলাম।

মেয়েঃ আপনার নাম কি?

আমিঃ রবিউল ইসলাম ফাহাদ। আপনি ফাহাদ বলতে পারেন। আপনার নাম?

মেয়েঃ মিথিলা। আপনার নাম টা অনেক সুন্দর।

আমিঃ আপনারও।


পর্ব ৭

মিথিলাঃ কি সুন্দর এই জায়গা। আর এটা কি সুন্দর। আচ্ছা এই জায়গাটার নাম কি?

আমিঃ আপনি কি কখনও এই উপরে আসেন নি?

মিথিলাঃ না। অনেক ইচ্ছা ছিল উপরে আসব। কিন্তু আমার বাবা আস্তে দিত না। আমার স্বপ্ন পুরন হল।

আমিঃ হা। আপনি খুসি তো।

মিথিলাঃ আমি অনেক খুসি। আচ্ছা আমরা এখন কোথায় যাচ্ছি?

আমিঃ এখানে আমার বোন আছে। আমরা তার কাছেই জাচ্ছি।

বাসায় জেয়ে কলিং বেল দেওয়ার পর ফাবিহা দরজা খুলে হা হয়ে আছে।

আমিঃ অই হা করে আছিস কেন?

ফাবিহাঃ অই তুই কারে নিয়া আইছস?

আমিঃ আরে এইটা মিথিলা। রাস্তায় দেখা হলো জাবার কোনো জায়গা নাই তাই নিয়া এসেছি। আজ থাকবে। কাল চলে যাবে।

ফাবিহাঃ হা। আমার নাম ফাবিহা।

মিথিলাঃ আমি মিথিলা।

তার পর ভিতরে গেলাম। রাতে ভাবলাম ফাবিহাকে বাংলাদেশ পাঠিয়ে দেব। কারন এখানে থাকলে অনেক বিপদ হবে। তাই অনলাইন এ টিকেট কেটে রাখলাম। কাল ফ্লাইট।

আমিঃ ফাবিহা। তুই কাল বাংলাদেশ চলে জাবি। আমি চাইনা তোর কোনো ক্ষতি হোক।

ফাবিহাঃ এএএএ। আমি জাবও না। আমার কিছু হবে না।

আমিঃ বোন দেখ তুই চলে জা আমি সব সামলে নিব। চিন্তা করিস না।

অনেক কষ্টে ফাবিহাকে রাজি করলাম।
রাতের খাবার খেয়ে আমি অন্ন রুমে ঘুমিএ পরলাম।

সকালে উঠে ফাবিহাকে ফ্লাইট এ উঠিয়ে দিয়ে আসলাম।

বাছ চিন্তা মুক্ত হলাম।

যাক, বাসায় জেয়ে কলিং বেল দিলাম।
অনেক খন পর মিথিলা দরজা খুলল।
আমি তো মিথিলাকে দেখেই হা হয়ে গেছি।

একটা মেয়ে এত সুন্দর কিভাবে হয়।
আকাশী কালার একটা জামা পরেছে। পুরাই অস্থির লাগছে দেখতে।

মিথিলাঃ অই কি দেখেন এমন করে?

আমিঃ না….মানে…আপনি…মানুষ তো। নাকি পরি?

মিথিলাঃ পাম দিয়ে লাভ নাই। আমি মানুষ।

আমি কিছু না বলে ভিতরে চলে গেলাম। আর একটু থাকলে দম বন্ধ হয়ে যেত। অহ জা লাগছিল না।

রুমে জেয়ে সেই নকশা টা বের করলাম।

খুলে কিছুই বুজতে পারতেছি না।
অনেক খন দেখার পর বুজলাম এটা মরুভুমির মদ্ধে একটা জায়গা।
ভাবলাম কোথায় হবে।

অনেক কষ্টে বের করলাম একটা সংকেত পেলাম।
নেট এ একটু ঘাটা ঘাটি করে পেলাম জায়গা টা সাহারা মরুভুমির মদ্ধে এক। জায়গা।
যেখানে ছোটো একটা বাড়ির মতো দেখা জাচ্ছে।

যাক, পেলাম।
অবসেসে।
এবার তারা তারি বের হতে হবে।
আমার নাহয় সব আছে কিন্তু মিথিলা কে কিভাবে নিব।

আমিঃ মিথিলা। আমাদের বের হতে হবে। সাহারা মরুভুমিতে জাতে হবে। আমি তো প্লেনে করে জাব কিন্তু তুমি কিভাবে যাবে?

মিথিলা কিছুখন ভেবে বলল। চিন্তার কিছুই নেই। আমি অদ্দেশ হতে পারি। আমাকে কেউ দেখবে না।

আমিঃ কি বলছ।?
তুমি মানুষ হলে কিভাবে অদ্দেশ হতে পারো।?

মিথিলাঃ আমার আম্মু দিয়েছে। এই শক্তি। আমার আম্মু একজন পরি।

আমিঃ তাহলে তো তুমি ও পরি তাই না।

মিথিলাঃ জানি না। আমার আব্বু মানুষ। আম্মু পরি। আমি অর্ধপরি কিন্তু উরতে পারি না। আমার ডানা নেই। আমার মা বলে আমি মানুষ। এই জন্য আমাকে দেখতে পারে না।

বলেই মিথিলা কান্না করতে থাকল।

আমিঃ চিন্তা কর ও না। তুমিও উরতে পারবে।

মিথিলা আমাকে জরিয়ে ধরে কান্না করতে থাকল।

আমরা কিছুখন পর সাহারা জাব বলে বাসা থেকে বের হলাম।
কিছু কেনকাটা করে এয়ারপোর্ট এ জাচ্চি লাম।
হঠৎা……..


পর্ব ৮

আমি আর মিথিলা গাড়ি তে করে যাচ্ছি লাম।
ঠিক তখনি আমাদের গাড়ি র উপরে আক্রমণ হলো। দেখলাম কিছু অদ্ভুত মানুষ আক্রমণ করেছে। মিথিলা বলল

মিথিলাঃ ওরা পাতাল পুরির সেনা।

আমিঃ তাহলে নকশা র জন্য আমাদের পিছনে পরেছে।

আমি তখন গারি থেকে নেমে মিথিলাকে নিএ দৈড়াতে থাকি। অনেক দূর চলে আসি। এবং লুকিএ পরি। মিথিলা ভয় পেয়ে আছে।

আমিঃ মিথিলা ভয় পেয়ো না। আমি আছি তো।

দেখলাম মিথিলা আমাকে জরিয়ে ধরেছে। আমরা অনেকখন ছিলাম ওই জায়গায়।
এর পর বের হলাম। কিছু খাবার কিনার জন্য সাথে মিথিলাও ছিল।

আমরা জেই রেস্টুরেন্ট এর সামনে আসলাম ঠিক তখনি আমাদের চার পাশ থেকে পাতাল পুরির সেনারা ঘিরে ধরেছে। আমি কিছু বুজে উঠার আগেই আমাদের টেলিপারট করে পাতাল পুরিতে নিয়ে আসল। আমাকে বেধে ফেলা হলো।

দেখলাম আমার সামনে রাজকিয় পোষাকে একজন বসে আছে তার আসে পাসে অনেক লোক। লোকটি বলল

লোকক-আমি পাতাল পুরির রাজা। আমার মেয়ে রাজকন্যা মিথিলাতিথি কিডনাপ করার জন্য তোকে ফাসি দেওয়া হবে।

মিথিলাঃ না বাবা। ওর কোনো দোশ নেই আমি পালিয়েছি ফাহাদ এর সাথে।

রাজা-বেস তবে রাজকন্যা মিথিলাতিথি যখন বলেছে তখন মাপ করলাম। কিন্তু ছারব না। সেনাপতি অই ছেলেটাকে মানুষ র কারাগারে রেখে আসো। সেও আমাদের প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে।

সেনপতিঃ ঠিক আছে মহারাজ।

আমাকে ৪ জন সেনা ধরে নিয়ে যাচ্ছে। আমি কিছুই বুজতে পারতেছি না। আমি পুরাই হংহয়ে আছি। কিছু বুজতে পারতেছি না।
তাহলে মিথিলা রাজকন্যা। আমাকে মিথ্যা কেন বলল। এখন আমি কি করব। কোথায় জাব। আবার নাকি কোন প্রতিযোগিতায় অংশ হবে। দূর মাথায় কিছু কাজ করতেছে না।

আমাকে নিয়ে একটা রুমে রাখা হলো। চার পাশে দেখলাম আরো অনেক লোক আছে। আমি বসে আছি। কিছু ভালো লাগছে না।

লোক-ভাই কে তুমি?

আমিঃ আমার নাম ফাহাদ। আপনার?

নিতাই -আমার নাম নিতাই। এখানে কেন ধরে এনেছে আপনাকে?

আমিঃ আরে ভাই অনেক বড়ো কাহিনি। আগে বলো কিসের প্রতিযোগিতা হবে এখানে।

নিতাই-আমি বেশি কিছু জানি না। তবে এখানে ৩জাতির লরাই হবে। এক জায়গায় কারাগারেএ সব মানুষ সহ আরো অনেক মানুষ লরবে। আরেক জায়গায় জিন রা লরাই করবে। আরেক জায়গায় জল পরিরা লরাই করবে। সেস এদের মদ্ধে যে প্রথম হবে তাকে সস্মানে মুক্তি দেওয়া হবে। আরো অনেক পুরুস্কার দেওয়া হবে।

আমিঃ কি বলেন ভাই?জিন?জল পরি?

নিতাই-সত্তি ভাই। সব সত্যি।

আমিঃ তার মানে যে প্রথম হবে তাকে মুক্তি দেওয়া হবে।

নিতাই-হা।

আমি ভাবলাম আমি লরব আমার জিত্তেও হবে। আমি ঘুমিয়ে পরলাম।

ঘুম থেকে উঠে দেখলাম কিছু সেনারা মিলে আমাদের সবাইকে কোথায় জেনো নিয়ে জাচ্ছে। আমিও তাদের সাথে গেলাম। দেখলাম বিশাল একটা মাঠ এর মতো।

কিছুখন পর আমাদের মদ্ধে থেকে সবাকে ২জন ২জন করে ভাগ করে দেওয়া হলো। আর লরতে বলল।
আমার সামনে একজন আছে জার সাথে আমার লরতে হবে। কিছু করার নেই আমাকে এখান থেক বের হতে হবে। তাই লোকটার সাথে মারামারি সুরু করলাম। এভাবে আমি এক এক করে সবগুলায় জিতলাম। আর মানুষ দের মদ্ধে প্রথম হলাম।

আসলে আমি সেই বড়ি খাওয়ার পর আমার শরীলে অনেক শক্তি হয়েছিল। জার জন্য কোনো মানুষ আমাকে হারাতে পারে নি। নিজের কেমন জেন লাগছিল। যাক, কাল আবার ফাইট আজ বিশ্রাম নিতে হবে। আমাকে একটা রুমে নিয়ে জাওয়া হলো। এটা অবশ্য কারাগার নয়। যাক, রাতের খাবার দিল। আমি খেয়ে ঘুমিয়ে পরলাম।

সকাল হতেই আমার ঘুম ভেঙে গেল। দেখলাম আমার পাশে মিথিলা বসে আছে। মিথিলাকে দেখেই আমার মাথা গরম হয়ে গেল।

আমিঃ আপনি কেন এসেছেন এখানে। চলে জান।

মিথিলাঃ প্লিজ আমার কথাটা সুনুন আমি আপনাকে মিথ্যা বলতে চাই নি। আমাকে আমার বাবা বিয়ে দিয়ে দিতে ছিল তাই পালিয়ে ছিলাম। জাতে উপরের দুনিয়া ঘুরতে পারি। প্লিজ আমাকে মাপ করে দিন

আমিঃ আচ্ছা। ঠিক আছে। আপনি এখন যান। কেউ দেখলে আমার অবস্তা অনেক খারাপ হবে।

মিথিলাঃ আপনি চলে জান এখান থেকে। নাহলে আপনাকে অরা মেরে ফেলবে। আপনি ওদের সাথে পারবেন না।

আমিঃ পালিয়ে জাব কোথায় আমাকে খুজে বের করবে ঠিকই। আপনি চিন্তা করবেন না।

মিথিলাঃ প্লিজ বোজার চেস্টা করুন।

আমিঃ আপনি জান। আপনার আর হেল্প লাগবে না আমার।

মিথিলা কিছু না বলে চলে গেল। আমি মিথিলার কথা সুনব না। পরে যদি পালটি দেয়।

কিছুখন পরে আমাকে নাস্তা দিল। নাস্তা খেয়ে রেডি হলাম। আমাকে ২ জন সেনা নিয়ে জাচ্ছে। আমাকে অন্ন একটা বিশাল মাঠে নিয়ে গেল। দেখলাম মাঠের এক কোনায় রাজা এবং রানী আর তাদের পাশে মিথিলা বসে আছে।
আমাকে মাঠের এককোনায় একটা বেঞ্চে বসানো হলো।
কিছুখন পরে দেখলাম মিথিলার সামনে একটা বক্স নিলো সেনপতি মিথিলাকে বলল২টা কাগজ উঠাতে
মিথিলা ভয়ে ভয়ে ২টা কাগজ উঠাল।

সেনাপতি পরে সুনাল যে প্রথম ফাইট হবে জিন ও জল পরির মদ্ধে। এর মদ্ধে যে জিতবে সেই মানুষ এর সাথে লরবে।

দেখলাম মাঠের ২ দরজা দিয়ে জন প্রবেশ করল। আমি তো দেখেই ভয়ে আমার গলা সুকিয়ে গেছে। একজন বিশাল দেহি। তার ডানা আছে। তার চোখ দিয়ে জেন আগুন বের হচ্ছে।
আরেক জন দেখতে অতোটা বড়ো না হলেও তার লেজ আছে।

যাক, এর মদ্ধে ফাইট সুরু হয়ে গেছে। ফাইট এ জিনটা অনেক শক্তিশালী দেখা জাচ্ছে। কারন সে জলপরিটাকে লরবার সুজগ দিচ্ছে না। কিছুখন পর জলপরিটা হেরে গেল।

এবার আমার পালা। আমার অই জিনটার সাথে লরতে হবে। ভয়ে আমার গায়ের পসম দারিয়ে জাচ্ছে।
আমি মিথিলার দিকে তাকিয়ে দেখলাম কেমন যেনো মায়াবী ভাবে তাকিয়ে আছে। আর মুকটা অনেক ছোটো হয়ে আছে।

আমি মাঠে নামলাম। আমাকে হাতিয়ার নিতে বলল। আমি একটা ঢাল মিথিলাম আর একটা বর্শা। জিনটা বলল

জিনঃ তুই হার মেনে চলে জা। নাহলে মরবি। আমি তোকে একটা সুজুগ দিলাম।

আমিঃ আমার মাপ লাগবে না। আপনি সুরু করুন.

জিনঃ তবে মর।

এই বলে অনেক স্পিডে আমার কাছে চলে আসল। আর আমার মুখে একটা ঘুসি দিল। আমি উরে অনেক দূরে জেয়ে পরলাম। আবার আমার কাছে এসে আর একটা ঘুসি দিল আমার মনে হলো জেনে আমার শেষ সময় চলে এসেছে। চোখ খুলে দেখলাম আমার দিকে একটা তলোয়ার নিয়ে আসছে অই জিন টা। আমি ডাল দিয়ে সেই আঘাত ফিরালাম। আমি চোখ বন্ধ করলাম আসে পাশে পানি খুজতে লাগলাম। পাসের একটা পুকুর থেকে হাতের ইশারা তে পানি এনে অই জিনটার উপরে ফেললাম।

এতে তার ডান ভিজে গেল। সে আরো বেসি রেগে গেল।

আমি ঠিক তখনি জিনটার পিছনে থাকা পুকুর থেকে পানি অনেক স্প্রিড এ পিঠে আঘাত করলাম। জিনটা বেসামাল হয়ে সাম্নের দিকে আসতে লাগল। আমি আমার বর্শাটা সামনের দিকে করে রাখলাম। জিনটা এসে সোজা বর্শার উপরে পরল। বর্শা জিনটা বুকে ডুকে গেল আর পিঠ দিয়ে বের হয়ে গেল। জিনটা সাথে সাথে মারা গেল।
সবাই অবাক হয়ে গেল। এর কিছুখন পর সবাই উল্লাস করে ফাহাদ ফাহাদ বলে চিল্লাতে লাগল। দেখলাম মিথিলা অনেক খুসি হয়েছে। আমি বুজলাম না ও কেন খুসি হলো।

যাক, আমাকে নিয়ে জাওয়া হলো একটা আলিশান রুম এর মদ্ধে। আমার শরীল এর অনেক জায়গায় বেথা করছে। আমি ঠিক মতো নরাচরা করতে পারছিলাম না। কিছুখন পর আমাকে এখন লোক এসে আমার গায়ে কি জেনো দিল। আমি সাথে সাথে ঘুমিয়ে পরলাম।

ঘুম থেকে উঠে দেখলাম আমার শরীর ঠিক হয়ে গেছে।
কিছুখন পর ২জন মেয়ে এসে আমাকে কিছু রাজকীয় পোশাক দিল আর বলল পরতে। আমি পরে ফেললাম। আমাকে রাজ দরবারে নিয়ে জাওয়া হলো সেখানে গিয়ে যা শুনলাম।

(টেলিপারট হলো অনেক উন্নত ব্যবস্তা জার সাহায্য চোখের পলকে এক স্থান থেকে আরেক স্থানে যাওয়া যায়)


পর্ব ৯

আমি সেনাপতি র সাথে জেতে লাগলাম।

আমিঃ সেনাপতি আমারা রাজদরবারে কেনো জাচ্ছি?

সেনাপতিঃ আজ আপনার বিয়ে রাজকুমারি মিথিলাতিথির সাথে।

আমিঃ কিহহহহ

সেনাপতিঃ জি। আপনি লরাই তে জিতেছেন এ জন্য আপনার আর রাজকুমারী র বিয়ে। আমাদের এখানে এটাই নিয়াম। যে জিতবে তার সাথেই রাজকুমারির বিয়ে।

আমিঃ অহ।

আমি রাজ দরবারে গেলাম। রাজা আমাকে দেখে বসতে দিলেন।

রাজা-আজ আমার কন্না মিথিলাতিথির সাথে ফাহাদ এর বিয়ে হবে। আর বিয়ের পর আমি ফাহাদ কে রাজ্যর রাজা করতে চাই।

এর পর আমার আর মিথিলার বিয়ে হয়ে গেল।
সব জেন স্বপ্নের মতো। আমি রাজা হবো। ভাবতেই অবাক লাগে।
আচ্ছা মিথিলা কি আমাকে মেনে নিবে।
যাক, সেটা পরে দেখা যাবে।
আমি এখন রুমে জামু আর লুঙি ডান্স দিমু।

আজ আমার বাসর রাত।
আহ কি আনন্দ। ভাবতেই পারতেছি না।
আমি ৫ কেজি সাহস নিয়া বাসর ঘরে ডুকলাম।
মিথিলা আমার পায়ে ধরে সালাম করতে গেল।
আমি মিথিলাকে উঠিয়ে বুকে জরিয়ে ধরলাম আর বললাম

আমিঃ তোমার জায়গা আমার পায়ে নয় বুকে।

দেখলাম মিথিলা কান্না করছে।

আমিঃ মিথিলা কান্না করছ কনো?

মিথিলাঃ জানেন আমার না খুব ভয় করছিল। যদি আপনার কিছু হয়ে যেত। আমি না আপনাকে প্রথম দেখা থেকে অনেক ভালোবেসে ফেলেছি। আপনি যখন অই জিনটার সাথে লরছিলেন আমি তখন আল্লাহর কাছে চাইছি জেনো আপনি জিতে জান। আপনার কিছু হলে আমি বাচ তে পারতাম না।

মিথিলা আমাকে এতো ভালবাসে। আমি কি বলব আমার ২চোখ দিয়ে পানি চলে আসল।
আমি মিথিলাকে শক্ত করে জরিয়ে ধরলাম।

আমিঃ মিথিলা আমিও তোমাকে অনেক ভালো বাসি।

মিথিলার সাথে অনেক গল্প করলাম।

হঠাৎ আমি মিথিলাকে কোলে তুলে মিথিলাম।
দেখলাম মিথিলা লজ্জায় আমার বুকে মুখ লুকাল।
বিছনায় নিয়ে গেলাম।
মিথিলার ঠোটে একটা কিস করলাম।
মিথিলা আমাকে শক্ত করে জরিয়ে ধরল।
তার পর আমরা হারিয়ে গেলাম ভালবাসার এক গহিন সমুদ্রে।

পরদিন সকালে আমার মুখে পানির ছিটা প্ররতেই আমি উঠে গেলাম। দেখলাম মিথিলাম চুল দিয়ে আমার মুখে পানি দিচ্ছে।
মনে হচ্ছে মিথিলা মাত্র গোসোলকরে আসছে। আমি মিথিলাকে টান দিয়ে বুকে নিয়ে আসলাম।

মিথিলাঃ কি হচ্ছে সারা রাত দুষ্টামি করেয় মন ভরে নি।

আমিঃ এই রকম বউ থাকলে মন ভরবে কিভাবে।

মিথিলাঃ একদম না। অনেক সময় হয়ে গেছে। এখন উঠেন।

আমিঃ মিথিলা আমাকে তুমি করে বলো। আর একটু পরে উঠি।

মিথিলাঃ আচ্ছা তুমি করেই বলব। এখন উঠ।

এই বলে মিথিলা চলে গেল।
আমি উঠে গোসোল করে সকালে খাবার খেয়ে
রাজদরবারে গেলাম। আমাকে সুন্দর করে রাজার পোশাক পরিয়ে দেওয়া হলো।
আর মিথিলাকেও অনেক সুন্দর কের সাজানো হলো।
রাজা আমার মাথায় আর অধরা মিথিলার মাথায় তাদের নিজেদের মুকুট খুলে পরিয়ে দিল।

রাজা-আজ থেকে আমাদের নতুন রাজা ফাহাদ টিটান।
জয় মহারাজ ফাহাদ টিটান এর জয়

এর পর সবাই একসাথে সোলোগান দিতে থাকল।

আমিঃ আজ থেকে আমার রাজ্যে কোনো অন্যায় হবে না। কোনো ধরেন অত্যাচার হবে না। সবাই শান্তি তে বসবাস করবে।

এই বলে আমি আর মিথিলা রাজ দরবার থেকে চলে আসলাম।

মিথিলাঃ ফাহাদ আমারার কিছুদিনের জন্য উপরের দুনিয়া থেকে ঘুরে আসি। চলো।

আমিঃ জাবে। ঠিক আছে। আমরা কালই জাবো।

রাতের খাবার খেয়ে। আমি রুমে গেলাম।
কিছুখন পর মিথিলা আসল। আর বলল

মিথিলাঃ জানো ফাহাদ আজ আমি অনেক খুসি তোমাকে আমার জিবনে পেয়ে। আমাকে আজিবন ভালবাসবে তো।

আমিঃ হম। পাগলী আজিবন বেসে জাবো।

মিথিলা আমাকে জরিয়ে ধরল।
তার পর আবার ভালোবাসার মহাসমুদ্রে হারিয়ে গেলাম।
সকালে দেখলাম মিথিলা আমার বুকে সুয়ে আছে।
ঠিক জেন বাচ্চা ঘুমিয়ে আছে। আমি মিথিলার চুল গুলা সরিয়ে কপালে একটা কিস করলাম।
তার পর মিথিলাকে ডাকলাম। মিথিলা আমাকে আরো শক্ত করে জরিয়ে ধরলাম।

মিথিলা আর আমি রাজ দরবারে গেলাম।

আমিঃ সেনাপতি আমি আর মিথিলা কিছুদিন উপরের দুনিয়া ঘুরতে জাবো। আপনি তত দিন রাজ্য পরিচালনা করবেন।

সেনাপতিঃ ঠিক আছে। মহারাজ।

আমি মিথিলাকে নিয়ে রুমে আসলাম।

মিথিলাঃ আজ আমরা উপরে জাব। তাই না। আমি উপরে সব জায়গা ঘুরে দেখব।

আমিঃ হা। ঠিক আছে। আমি তোমাকে সব ঘুরিয়ে দেখাব।

মিথিলাকে রেখে আমি ফ্রেস হতে গেলাম। ফ্রেস হয়ে এসে দেখলাম মিথিলা সাজতেছে।

আমি মিথিলাকে পিছন থেকে জরিয়ে ধরলাম।
মিথিলা কেপে উঠল।
আমি মিথিলাকে কোলে করে বিছনায় নিয়ে।
মিথিলার ঠোটে একটা কিস করলাম
বাকিটা ইতিহাস।

পরের দিন পাতাল পুরির ল্যাব এ গেলাম আমি।

আমিঃ বিজ্ঞানি আমি কিছুদিন উপরের দুনিয়া তে ঘুরে জাব। আমার জন্য কিছু টেলিপারট মেসিন দিন তো।

বিজ্ঞানিঃ মহারাজ এই নিন ফোন। আপনি আমাকে ফোন করলেই আমি আপনাকে টেলিপারট করে নিয়ে আসব।

আমিঃ ঠিক আছে।

আমি বের হয়ে আসলাম।
পাতাল পুরি ঘুরে দেখতে লাগলাম। আমার জন্য একটা গাড়ি দেওয়া হয়েছে।
আমার পাসে মিথিলা আছে।
আসলে পাতাল পুরি অনেক সুন্দর। আর অনেক বেশি উন্নত।
আমার উপরের দেস গুলার থেকেও এখানে ভালো অস্ত্র রয়েছে।
জার দারা উপরে আমেরিকা কেও ধংস করা যাবে।

অনেক ঘুরে চলে আসলাম। আসলে পাতাল পুরি অনেক ভালো লাগে আমার।
কেনো জানি না।
তবে অনেক ভালো লাগে।

মিথিলাকে নিয়ে আমি সোজা ল্যাবে চলে আসলাম।
আমাদের টেলিপারট করে দিল বিজ্ঞানি।
আমারা সুইজারল্যান্ড চলে আসলাম

আসলে সুইজারল্যান্ড অনেক সুন্দর জায়গা। আর রোমানটিক একটা জায়গা।

আমি আর মিথিলা এভাবে আরো ৪ দিন ঘুরলাম।

একদিন আমি আর মিথিলা হেলিকাপটার এ করে অন্য একটা শহরে জাচ্চি লাম।

আমরা একটা সাগর এর অনেক উপর দিয়ে জাচ্চিলাম।

কিছু বুজে উঠার আগেই আমাদের হেলিকাপটার টা ধংস হয়ে গেল।


পর্ব ১০

আমি আর মিথিলা নিচে পরতে থাকলাম। আমি মিথিলাকে জরিয়ে ধরলাম। মিথিলার আর আমার শরীল এর অনেক জায়গা পুরে গেছে।

আমরা সমুদ্রে পরলাম। আমি পানিতে সাস নিতে পারতেছি। কিন্তু মিথিলা পারতেছে না। আমি মিথিলাকে জরিয়ে ধরে পানির উপরে উঠলাম।

দেখলাম কিছুদুরে একটা দ্বিপ। আমি মিথিলাকে জরিয়ে ধরে সাতরাতে থাকলাম।

এতো উপর থেকে পরে আমার কিছুই হলো না। আমি অবাক হলাম। আর ভাবলাম সেই বড়ির কারনে আমার কিছু হয় নি।
যাক।

আমি মিথিলাকে নিয়ে দ্বিপ এ চলে গেলাম। মিথিলাকে কোলে করে উপরে উঠলাম

আমি দেখলাম দূর থেকে ডানা ওয়ালা কয়েকজন নিছে আস্তেছে। আমি তাদের দেখে জোপের আরালে লকালাম। নিলকেও সাথে আনলাম।

আমি দেখলাম আমার সেনপতি আর আগের রানী মানে মিথিলার মা। সহ আরো কয়েক জন যেখানে আমাদের হেলিকাপটার ধংস হয়েছে সেখানে উরছে। আমি তাদের দেখে বের হতে জাব। ঠিক তখনি রানী বলল-

অধরাঃ যাক। আমাদের পথের কাটা শেষ। আমরা ফাহাদ কে আর মিথিলাকে মেরে দিয়েছি। হাহাহা।

আমি এই কথা সুনে থুমকে গেলেম।

সেনাপতিঃ হা। চাইছিলাম আমার আর তোমার ছেলে রাজা হবে। কিন্তু না আমাদের ছেলেকে অই ফাহাদ মেরে দিল। তাই আমিও অকে মেরে দিলাম। এখন পাতাল পুরি আমার আর তোমার। (রানী কে জরিয়ে ধরে)

রানীঃ হা। রাযাক বন্দি করেছি। তাকে তো কিছুদিন পর মেরে ফেলব। ২দিন পর আমি হবো অধরা আর তুমি রাজা। হাহাহা।

এদের মদ্ধে একজন এসে সেনাপতির হাতে একটা লকেট দিল। জা আমার গলায় ছিল।

সেনপতিঃ তার মানে ওরা মারা গেছে। আর কোনো চিন্তা নেই। চলো ডারলিং।

এই বলে তারা চলে গেল। আমি কিছু ভাবতে পারতেছি না কি করব। এতো খারাপ সালারা। এদের কাউকে ছারব না। আগে মিথিলাকে সুস্থ করতে হবে।

মিথিলা অজ্ঞান হয়ে পরে আছে। আমি পেটে চাপ দিলাম। মুখ দিয়ে পানি বের হলো। কিন্তু সাস নিতেছে না। আমি মিথিলার মুখে আমার মুখ রেখে সাস করতেই মিথিলা কেশে উঠল।

মিথিলা আমাকে জরিয়ে ধরল। আমিও।

আমিঃ মিথিলা সব শেষ হয়ে গেছে।

মিথিলাঃ কিহয়েছে।?

আমি মিথিলাকে সব খুলে বললাম। মিথিলা কান্না করতে থাকল।

মিথিলাঃ আসলে ওনি আমার মা না। সৎ মা উনি আমার। কিন্তু আমি উনাকে সব সময় মায়ের মত ভালবেসেছি। আর আজ উনি আমাকে মেরে ফেলতে চেছে। আর আমার বাবাকে বন্দি করে রেখেছে। (মিথিলা কান্না করতে থাকল)

আমিঃ আচ্ছা এই সেনাপতি কে?

মিথিলাঃ আসলে তার নাম উকমা। সে পরিস্থানের সেনাপতি লিকমা এর ভাই। কিন্তু আমি জানতাম না যে আমার মা তার অবৈধ স্ত্রী। আর জলপুরির সেনাপতি লিকামার বন্ধু।

আমিঃ কি বলছ?মিথিলা?এগুলা বাস্তবে আছে?পরিস্থান, জলপুরি?

মিথিলাঃ হা সত্যি আছে।

আমি কি বলব। আজিবন জা কল্পনা ভেবে এসেছি আজ নাকি তা সত্যি আছে।

আমিঃ এখন কি করব মিথিলা?
আমার তো এতো সক্তি নেই যে আমি তোমার বাবাকে মুক্ত করব আর পাতালপুরিকে আবার আমরা রাজা হবো। আমি তো মানুষ। আমি কি করব?

মিথিলা কিছুখন ভাবল। তারপর বলল

মিথিলাঃ মানুষ তো কি হয়েছে। তুমি হয়তো জানো না। রাজা হিমরাজ সম্পরকে। সেও মানুষ ছিল। সে মানুষ হয়ে মহাজাগতিক রাজা হয়েছিল। সে পাতাল পুরি, জলপুরি, পরিস্থান এ সব জায়গায় জেতে লারত। আর সব জায়গার রাজা ছিল রাজা হিমরাজ।

আমিঃ বুজলাম। কিন্তু হিমরাজ এর কাছে শক্তিশালী বাণ ছিল। জা আমার কাছে নেই।

মিথিলাঃ বাণ। হা। আমাদের বাণ এর কাছে জেতে হবে আর সেটা নিয়ে আস্তে হবে। বাণ জার কাছে থাকবে সেই হবে পৃথিবীর মদ্ধে শক্তিশালী।

আমিঃ অহ। আমি তো বাণ এর কথা ভুলেই গেছিলাম। কিন্তু নকশা? অহ নকশা বাসায় রেখে আসছি। অহ পেয়েছি। সাহারা মরুভুমিতে জেতে হবে। সেখানেই। একটা ছোটো বাড়ি র মদ্ধে বাণ আছে।

মিথিলাঃ সেখানে যাবে কি করে?

আমিঃ তাই তো ভাবতেছি।

চোখ বন্ধ করে ভাবতেছি। তখনি অনুভাব করলাম আমার চারপাসে অনেক পানির প্অধরা। আমার তখনি সেই ডায়রীর কথা মনে পরল।

আমি নাকি সব পানির প্অধরাকে ডাকতে পারব।

তাই চোখ বুজে ডাকার চেস্ট করলাম। কিন্তু কিছুই বুজলাম না। হতাস হয়ে চোখ খুললাম।

সামনে জা দেখলাম তা দেখে অবাক হয়ে গেলাম। মিথিলাও অবাক হয়েছে। কারন আমার সামনে সমুদ্রের অনেক প্রেনি ভেসে উঠেছে।

আমি সামনে গেলাম ভয়ে ভয়ে। আর এক টা ডলফিন এর উপরে বসলাম। মিথিলাকেও আমার পিছনে বসালাম। আমাকে জরিয়ে ধরল পিছন থেকে।

আমি , ডলফিনটা কে সামনে ইসারা করলাম। সে অনেক স্পিড এ সামনে চলল…..


পর্ব ১১

ডলফিন টা সামনে দিকে অনেক স্পিডে জেতে লাগল। আমি ভাবতেও পারি নি যে এভাবে জেতে পারব। মিথিলাও অবাক হয়ে আমার দিকে তাকিয়ে আছে। আমিও বুজতে পারতেছি না। সেই বড়ি তে আইরকম শক্তি থাকবে। যাক, সেই কথা পরে ভাবা যাবে এখন ডলফিন ভ্রমণ উপভোগ করি। মিথিলা অনেক ভয় পাচ্ছে আমাকে শক্ত করে জরিয়ে ধরছে।

আমিঃ মিথিলা ভয় করছে?

মিথিলাঃ হম।

আমি আর কিছু বললাম না।

আমারা ২ঘণ্টা পরে সাহারা মরুভূমি র এক পাশে এক লোকাললয়ে সমুদ্রের পারে যেয়ে নামলাম।

এর পর আমরা কিছু খাওয়া দাওয়া করলাম। আর রাতে থাকার জন্য হোটেল এ উঠলাম।

সাকালে উঠে আমরা রওনা দিলাম মরুভূমি র দিকে।

মরুভূমি র কাছে জেয়ে একটা দোকানে একটা বুড়ো কে দেখলাম। ওনাকে মরুভূমি র মদ্ধে সেই বাড়ি র কথা জিজ্ঞাসা করতেই সে বলল

বুড়োঃ সেখানে কেনো যাবে। সেখানে জারা জায় তারা কেউ ফিরে আসে না।

আমিঃ আপনি বলুন কিভাবে জেতে হবে।

বুড়োঃ আমি তোমাদের মরুভূমি র অর্ধেক প্রোজনত দিয়ে আসতে পারব।

আমিঃ অহ। আপনি আমাদের দিয়ে আসবেন এতেই আমরা খুশি

তারপর আমরা অই বুড়োটার গারিতে চরলাম। আমি গারিতে উঠেই মিথিলার কাধে মাথা রেখে ঘুমিয়ে পরলাম।

যখন ঘুম ভাঙল আমি দেখলাম আমার হাত পা বাধা আমি মাটিতে পরে আছি। মিথিলাকে দেখতে পেলাম না আসে পাশে। একটু দূরে দেখলাম ৫ জন লোক পরে আছে তাদের ও হাত পা বাধা। আমি মিথিলা বলে জোড়ে একটা ডাক দিলাম। তখনি

মিথিলাঃ আমি উপরে দেখও।

আমি উপরে তাকিয়ে হা হয়ে গেলাম। কারন মিথিলা আকাশে উরছে আর মিথিলার পিঠে ২টা সাদা ডানা।

মিথিলা উরে আমার কাছে আসল। এসে আমার হাত পায়ের বাধন খুলে বলল

মিথিলাঃ ফাহাদ তুমি ঠিক আছো।

আমিঃ হম। আমি ঠিক আছি। আর তুমি উরছো কিভাবে.?আর আমি মাটিতে কেনো?আর ওই লোক গুলা বাধা কেনো।?

মিথিলাঃ আসলে তুমি গারিতে উঠেই ঘুমিয়ে পরেছিলে। কিন্তু আমি ঘুমাই নি। কারন অই বুড়ো লোকটার নজর ভালো ছিল না। সে বার বার আমার দিকে তাকছিল। বুড়োটা কিছুদুর জেয়ে কিছু লোকের সামনে গাড়ি থামল। আমি তোমাকে অনেক ডাকলাম কিন্তু তুমি ঘুম থেকে উঠ ছিলে না। লোক গুলা তোমাকে বেধে ফেলল। আর আমাকে ধরে নিয়ে জাইতে ছিল। আমার তখন অনেক রাগ হলো আর রাগে আমি একটা চিৎকার দিলাম আর আমার পিছন থেক ডানা বের হয়ে গেল। তার পর আমি সব গুলাকে বেধে ফেললাম।

আমিঃ আসলে সরি আমার ঘুমানোটা ঠিক হয় নি। যাক, আমি অই লোক গুলাকে একটু দেখে আসি।

আমি অই ৫ জনের সামে গেলাম।

আমিঃ কিরে তোরা সাতার জানিস।

সবাইঃ মাথা নারিয়ে হা বলল।

আমিঃ হাপ্পি সুইমিং ডে।

চোখ বন্ধ করলাম আর পানিকে ডাকলাম। পানি এসে লোক গুলাকে উপরে তুলল আর সোজা উরে নিয়ে গিয়ে সমুদ্রে ফেলল।

মিথিলাঃ আচ্ছা ফাহাদ তুমি কে বলোতো?তুমি পানিকে কিভাবে কন্ট্রোল করতে পারো?আর পানির প্অধরা তোমার কথা কিভাবে বুজে?

আমিঃ মিথিলা আসলে আমি এই শক্তি একটা স্বপ্নের মাধমে পেয়েছি।

মিথিলাঃ তাহলে তুমি কে সে?

আমিঃ কে?কি বলতে চাও পরিষ্কার করে বলো।?

মিথিলাঃ আসলে আমি সুনেছি পানির রাজা একজন আসবে যে মানুষ হবে কিন্তু পানির রাজা হবে।

আমিঃ কি বলছ। আমি আর পানির রাজা। দূর আজগুবি কথা রাখো।

মিথিলাঃ এগুলা আজগুবি কথা না। পানিতে রাজ্য আছে আমাদের মতো তার নাম জলপুরি। আর আকাশে আছে পরিস্থান যাক,ে বলে আকাশ পুরি।

আমিঃ আচ্ছা বাবা বুজলাম। এখন আমদের দরকার বাণ এর তাই আমরা বাণ আনতে জাই।

মিথিলাঃ হম। চলো। আমাকে জরিয়ে ধরো আমি তোমাকে নিয়ে উরে জাবো।

আমিঃ ঠিক আছে।

আমি মিথিলাকে জরিয়ে ধরলাম। আমাকে নিয়ে মিথিলা উরাল দিল। আমি আর মিথিলা উরে জাচ্চি।

আনেক খন পর আমি আর মিথিলা মরুভুমির মদ্ধে একটা বাড়ি র সামনে নামলাম। মরুভুমির মদ্ধে একটা বাড়ি কেউ আইটা কিভাবে বানাবে। যে কেউ এইটা দেখে ভয় পাবে। কারন আসে পাশে জত দূর চোখ জায় সুধু ধু ধু বালি। আমি আর মিথিলা বাড়ি র মদ্ধে গেলাম।

১ঘণ্টা জাবত পুরা বাড়ি র মদ্ধে খুজলাম। কিন্তু কোথায় বাণ তাই খুজে পেলাম না। সব রুম ভালো ভাবে খুজলাম।

হঠাৎ আমার চোখ গেল কিছু গোলল গোল ঘরির কাটার মত কিছুর উপরে।
আমি মনে হতে লাগল আইরকম আমি কোথায় জেন দেখেছি।

অহ আমার মনে পরল আমি এই রকম অই বাণ এর নকশা তে দেখেছি।

আমি অই ঘরির কাটা গুলোর কাছে গেলাম। মিথিলা আমার সাথে সাথে গেল। আমি অই কাটা গুলাকে ঘুরাতে লাগলাম। যে সবগুলা কাটা এক হলো এর মদ্ধেই কট করে একটা শব্দ হলো দেখলাম আমাদের পাসের দেয়াল টা আস্তে আস্তে ফাক হয়ে জাচ্ছে। আর তার নিচের দিকে একটা রাস্তা হয়ে জাচ্ছে।

আমি সেই রাস্ত দিয়ে নিচের দিকে যেতে লাগলাম। মিথিলাও আমার সাথে ভিতরে গেল।

আমরা জেই ভিতরে গেলাম আর ঠাস করে পিছনের দরজা বন্ধ হয়ে গেল।

মাম্মি বাচাও আমি আর বাণ নিতে আমু না। আমার অন্ধকারে অনেক ভয় করে।
মাম্মি বাচাও।


পর্ব ১২ (শেষ পর্ব)

মাম্মি বাচাও।

হঠাৎ করে মসাল জলে উঠল। এক এক করে সিরিয়াল করে অনেক গুলা মসাল জলে উঠল। আমি দেখলাম আমার সামনে ই সিরি আর সাই সিরি অনেক নিচ অব্দি নেমে গেছে। আর সিরির সেস মাথায় একটা দরজা। সিরিগুলা কেমন যেন অদ্ভুত। আসলে সিরির মাজখানে কিছু জায়গা কালো করা। আমি যে সিরিতে পাদিলাম আর ধাপ করে নিচে পরে জেতে লাগ্লাম। আমি চোখ বুজে মিথিলাম। একটু পরে চোখ খুলে দেখলাম মিথিলা আমার হাত ধরে আছে আমি বিশাল এর গর্তে পরতেছিলাম। মিথিলা আমাকে টেনে তুল্ল। এবার দেখলাম। সিরি গুলা গায়েব হয়ে গেছে। সুধু দুরের অই দরজা আছে। আমি এবার মিথিলাকে নিয়ে উরে অই দরজার কাছে গেলাম।

দরজাতে হাতদিতেই দজার ২টা চোখ আর মুখ হয়ে গেল আর বলল।

দরজাঃ কে তুই আমাকে জাগালি।?

আমি তো ভয়ে শেষ। দরজা কেমনে কথা বলে।

দরজাঃ কথা বলিস না কেন?

আমিঃ আমি…..ফা..হা….দ

দরজাঃ বাণ নিতে এসেছিস। কিন্তু বাণ নিতে হলে আমাকে আগে খুলতে হবে আর না খুলতে পারলে বাণ নিতে পারবে না।

আমিঃ (হায় হায়। দরজা কেম্নে জানল। )(মনে মনে)

দরজা। -কিভাবছিস?

আমিঃ আসলে আমার কিছু সময় দরকার। আমি একটু ভাবি। আর ততখুন আমরা গল্প করতে পারি।

দরজাঃ ঠিক আছে। ভাব। আমাকে প্রশ্ন করতে পারিস। আমি এই দুনিয়ার সব কিছু জানি।

সালা বেসি অহংকার করলি। হাহা এইবার তুই নিজেই বলবি কিভাবে দরজা খুলতে হবে। এদিকে মিথিলাকে আমাকে শক্ত করে ধরে আছে। মনে হয় ভয় পেয়েছে।

আমিঃ আচ্ছা। ভারতের প্রধান মন্তির নাম কি?

দরজাঃ নরেন্দ মোদি।

আমিঃ আমরা এখন কোথায় আছি?

দরজাঃ সাহারা মরুভুমিতে।

আমিঃ তোমাকে কে বানিয়েছে?

দরজাঃ হিমরাজ জাদু দিয়ে।

আমিঃ এই দরজা খুলব কিভাবে?

দরজাঃ তোমার হাত কেটে রক্ত দরজায় দিলেই দরজা খুলে যাবে।

আমিঃ হাহা। হাহা।

দরজাঃ হাসলি কেন?

আমি কোনো কথা না বলে আমার পকেট থেক ছুরি বের করে হাতে পোছ দিলাম আর রক্ত দরজায় দিলাম। সাথে সাথে দরজা খুলে গেল।

দরজাঃ আমাকে মাপ করে দিন। আমি বুজতে পারনি আপনি সে। আপনি রাজা হিমরাজ এর বাণ এর উত্তরসুরি।

আমিঃ আমি?

দরজাঃ হা। আপনি রাজা হিমরাজ জাবার সময় আমাকে বলেগেছে আপনার কথা। আপনি এখন ভিতরে জান।

আমি কিছুই বুজতে ছিনা। আমার কথা কেন হিমরাজ বলে যাবে। আর আমি কিভাবে তার উত্তরসুরি হলাম। কিছুই বুজতেছিনা। যাক, সামনে রুমের মদ্ধে গেলাম। রুমের চারপাসে দেখে আমি তো অবাক। কারন রুমের মদ্ধে সারা দেয়াল এ সুধু আমার ছবি। আমার মাথায় মুকুট পরা। আর একটু সামনে জেয়ে দেখলাম

আমার আর মিথিলার ছবি। আর তার পাসেই আরো ২টা ছবি। আমি অই ছবি গুলতে অন্ন ২টা মেয়ের সাথে।

মিথিলা এসব দেখেত অবাক। এর পর সাম্নের ২টা ছবি দেখে রেগে আগুন

মিথিলাঃ অই কে তুমি?আর অই মেয়ে ২টা কে?অদের সাথে তোমার এইরকম ছবি কেন। মনে হচ্ছে যে তোমার স্ত্রী?

আমিঃ বিশাস করো। আমি কিছু জানি না। আমার ছবি এখানে কিভাবে আসল আমি জানি না।

আর একটু সামনে জেয়ে জা দেখলাম আমি তো অবাক হয়ে সেস হয়ে জাই পারলে। কারন সামনে আমার আর নিলিমার জরিয়ে ধরা পোষাকে ছবি। নিলিমাতো মারা গেছে আর অর ছবি এখানে কিভাবে আসল। এবার মিথিলা কেদে দিল।

মিথিলাঃ তুমি এতো খারাপ। এএএএএএ

আমিঃ আরে আমি এই মেয়েটাকে চিনি নাম নিলিমা। আর ওতো মরে গেছে। আর অর আর আমার রাজার পোষাখে এইরকম ছবি এখানে কিভবে আসল?প্লিজ মিথিলা বিসসাস করো আমি কিছু জানি না।

মিথিলাঃ হম। বিসাস করলাম। এখন সামনে চলো।

সামনে দেখলাম একটা বক্স। বক্সে লেখা তোমার প্রিয় মানুষের নাম নিয়ে বাক্স ধরলে বাক্স খুলে যাবে।

আমি ১ম মিথিলার নাম ধরলাম। খুল্ল না। তার পর আমার বোন ফাবিহার নাম মিথিলাম কিন্তু খুল্ল না।
কি মনে করে জেন নিলিমার নাম নিতেই বক্স খুলে গেল। আমি তো পুরাই অবাক। নিলিমার সাথে এই বক্স আর বাণ এর কি সম্পক?আর ভাবতে পারতেছি না। মাথা ধরছে।

বক্সের ভিতরে একটা বই আর এজটা লম্বা জিনিস দেখলাম। আমার কেন জানি মনে হলো অই টাই বাণ। বাণ হাতে নিতেই কেমন যেন সরির টা গুলিয়ে উঠল। আমার মনে হলো আমি অনেক শক্তিশালী। যাক, এবার বইটা হাতে মিথিলাম। দেখলাম বই লক করা। বই এর উপরে লেখা”যখন সব দিকের রাস্তা বন্ধ হয়ে যাবে। সব রকমের বিপদে পরবে তখন আমার কাছে আসবে”
আমি বই টা রেখে বাণ টা নিয়ে দরজার কাছে গেলাম।

দরজাঃ আপনার কাছ থেকে জেনো এই বাণ কারো হাতে না জায় তাহলে বিপদ হবে।

আমিঃ ঠিক আছে।

এই বলে সেখান থেকে বের হলাম। এবার বাণ হাতে থাকায় কোনো সমসসা হলো না। আমি সেই দেয়াল এর কাছে এসেই দেয়াল এ বাণ লাগাতেই দেয়াল ফাক হয়ে গেল। আমরা বের হয়ে আসলাম।

এবার বাণ পরিক্ষা করার পালা। আমি বাণ হাতে মিথিলাম। আর সামনে র দিকে ইসারা করলাম। দেখলাম আলোর মতো কিছু বের হলো আর সামনে বিসাল এক গর্ত হয়ে গেল। আমি টাল সামলা তে না পেরে পিছনে পরে গেলাম। এবার উঠে বাণ ধরলাম আর চোখ বন্ধ করলাম দেখলাম””বাণ মন দিয়ে ব্যাবহার করো তাহলে সফল হবে। আর বাণ একটু চাপ দিলেই তোমার হাতে ঘরির মতো হয়ে যাবে বাণ। আর আবার তোমার হাত দারা ঘরিতে চাপ দিলেই বান হাতে আসবে””

আমি চাপ দিলাম। দেখলাম সত্যি ঘড়ি হয়ে গেছে। আবার ঘরিতে চাপ দিলাম বাণ আমার হাতে চলে আসল। এবার মনোযোগ দিয়ে সামনে দিকে বাণ ইসারা করলাম। আমার মন মতো একটা বিসাল বিস্ফোরোন হলো। হাহা। সালা পাতল পুরি এবার দেখবি আমি কি জিনিস। মিথিলা আমার কাছে আসল।

মিথিলাঃ ফাহাদ তুমি কি জিনিস পাইছ জানো। এটা দিয়ে পুরা পাতাল পুরি ধংস করা যাবে।

আমিঃ হা। সালাদের এবার দেখে নেব। আমি সব গুলাকে শাস্তি দিব। চলো এবার জাওয়া যাক।

মিথিলাঃ চলো।

মিথিলা আমাকে নিয়ে উরতে সুরু করল। আমরা উরতে থাকলাম। উরতে উরতে লন্ডনের সেই কবর অস্তানে চলে আসলাম। ১১১১নং কবরে জেয়ে আবার ভিতরে গেলাম। বাণ দিয়ে দেয়াল স্পর্শ করতে আমরা পাতাল পুরিতে চলে গেলাম।

আমরা প্রসাদের সামনে গেলাম দেখলাম প্রসাদ অনেক সুন্দর করে সাজানো। তার মানে আজ মিথিলার সৎ মা আর অই সেনাপতির অভিষেক। আমি তা হতে দেব না। আমি বাণ দিয়ে প্রসাদের দরজা তে ইসারা করতেই একটা আলোর বল বের হলো আর দরজা সহো অনেক জায়গা ধুলাতে মিসে গেল। মিথিলা আমাকে নিয়ে উরে ভিতরে গেল।

ভিতরে দেখলাম সিংহাসনে সেনপতি আর তার হাত ধরে পাসে অধরা বসে আছে। আমার মাথা গরম হয়ে গেল।

এবার রাজদরবারের সবাই আমার চারপাশ থেকে ঘিরে ধরল। আমি দরবারে ডুকার আগেই বাণ ঘড়ি করে নিয়েছিলাম। তাই কেই বাণ দেখে নি।

আমিঃ সবাই আমাকে রাজা মেনে আমার পিছনে চলে আসুন। নাহলে সবাইকে মরতে হবে।

এদিকে আমাকে দেখে সবাই অবাক হলেও পরে সবাই আমকে ঘিরে ধরল।

সেনপতিঃ তুই বেচে আছিস। আমি তো ভেবেছিলাম তুই মরে গেছিস। যাক, বেচে যেহেতু গেছিস আজ তোর সেস দিন। আজ তুই মরবি।

আমিঃ কে মরবে তা পরে দেখা যাবে। আগে আমার কথা কি রাজদরবারের কেউ সুনতে পান নি?যে বাচ তে চান আমার পিছনে চলে আসুন।
এই কথা সুনে আমার পিছনে মাত্র ২জন আসল। আর সবাই হাসতে লাগল।

আমিঃ মিথিলার বাবা কোথায়?

সেনাপতিঃ হাহা। অকে তো বলি দিয়েছি। হাহাহা।

অধরাঃ বলি দিয়েছি। আমি আর আমার রাজা। হাহাহাহা।

এই কথা সুনে মিথিলা কান্না করে দিল। আমি ২জনকে বললাম মিথিলাকে নিয়ে রাজ প্রাসাদ থেক দূরে চলে জেতে।

আমিঃ মিথিলা আমি তোমার বাবার হত্তাকারির বিচার করছি। তুমি প্রাসাদের আসে পাসের সব মানুষ কে নিয়ে বাহিরে দূরে চলে জাও।

মিথিলা চলে গেল।

আমিঃ ভেবে ছিলাম তোদের সুধু বন্ধি করব আর সাস্তি দিব। কিন্তু না তোরা অনেক অন্নায় করেছিস রাযাক, মেরে আজ তোরা শেষ।

আমি হাতের ঘরিতে চাপ দিয়ে বাণ বের করলাম। সবাই ভাবল এইটা কি?
আমি অনেক জোরে মাটিতে আঘাত করলাম বান দারা। আর সাথে সাথে পুরা প্রাসাদে বিসাল একটা ব্লাসট হলো। পুরা প্রাসাদ মাটিতে মিসে গেল। আর প্রাসাদের সবাই মারা গেল। একমাত্র আমি দারিয়ে আছি।

কিছুখন পর মিথিলা এসে আমাকে জরিয়ে ধরল। আর কান্না করতে লাগল।

মিথিলাঃ ফাহাদ তুমি ঠিক আছো। তোমার কিছু হয় নিতো।

আমিঃ মিথিলা কান্না করো না। আমি ঠিক আছি।

আমি আর মিথিলা উরে কিছুদরে আসলাম। আমি দেখলাম রাজ্যের সব মানুষ এখানে আছে। আমি বাণ উচু করে

আমিঃ আমাকে রাজা মানতে কারো অসুবিধা আছে?

সবাইঃ না। আপনি আজ থেকে আমাদের রাজা।

আমি দেখলাম একটু দূরে ২জন দারিয়ে আছে। আমি তাদের বললাম।

আমিঃ আজ থেকে আমার রাজ্যের সেনাপতি আর মন্ত্রী এই ২জন। আর আজ থেকে কোনো অন্নায় থাকবে না এই পাতাল পুরিতে। সান্তিতে থাকবে সবাই যে অন্নায় করবে তার সাস্তি এক মাত্র মৃত্যু।

আমিঃ সেনাপতি আপনি জত দ্রুত সম্ভহাব প্রাসাদ নিরমান এর বেবস্থা করুন।

সেনাপতিঃ জথা আজ্ঞা মহারাজ।

আমি আর মিথিলা আমাদের রেস্ট হাউজে চলে আসলাম। দেখলাম মিথিলা কান্না করছে।

আমিঃ মিথিলা কান্না করো না। কেউ তো আর চিরদিন বেচে থাকে না। তোমার বাবা অ থাকল না। তাই মন খারাপ না করে তার জন্য দোয়া করো জাতে সে পরোকালে সান্তিতে থাকতে পারে।

মিথিলাঃ হম।

মিথিলাকে জরিয়ে ধরে সুয়ে পরলাম। মিথিলা আমার বুকে মাথা দিয়ে ঘুমিয়ে আছে। আমি ভাবলাম। আমার সব সত্রু শেষ। যাক, এবার শান্তি তে থাকতে পারব। আমি ঘুমিয়ে পরলাম। নতুন দিনের জন্য যেখানে আপাদত আমার শত্রু নেই।

লেখক – ইসমাইল মাহমুদ

সমাপ্ত

(পাঠক আপনাদের ভালোলাগার উদ্দেশ্যেই প্রতিনিয়ত আমাদের লেখা। আপনাদের একটি শেয়ার আমাদের লেখার স্পৃহা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। আমাদের এই পর্বের “পরীর প্রেমে – পরীর ভালোবাসার গল্প” টি আপনাদের কেমন লাগলো তা কমেন্ট করে অবশ্যই জানাবেন। পরবর্তী গল্প পড়ার আমন্ত্রণ জানালাম। ধন্যবাদ।)

আরো পড়ুন – রঙ বেরঙে – আবেগী মায়ার গল্প

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
error: Content is protected !!